logo

শুক্রবার, ৩১ আগস্ট ২০১৮, ১৬ ভাদ্র ১৪২৫, ১৯ জিলহজ ১৪৩৯

প্রস্তাবিত মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে যত মাদক
৩১ আগস্ট, ২০১৮
নিউজ ডেস্ক
নতুন কিছু কেমিক্যালসহ মাদক হিসেবে ব্যবহৃত হয় এমন সব দ্রব্যের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে প্রস্তাবিত মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৮ তে। পুরনো আইনের বিভিন্ন ধারা, উপধারা ও বিধিতে সংশোধনীর প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া পুরনো আইনের মতো এ আইনেও কয়েকটি ক্ষেত্রে দায়মুক্তি দেওয়া হয়েছে কর্তৃপক্ষকে। পরিবর্তনের প্রস্তাব করা হয়েছে আইনের সংজ্ঞাতেও।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, পুরনো আইনটিকে যুগোপযোগী করে আইনের খসড়া তৈরি করা হয়েছে। খসড়াটি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে বিবেচনাধীন রয়েছে।

খসড়া আইনের সংজ্ঞার এক জায়গায় বলা হয়েছে, ‘এমন বস্তু যাহা এই আইনের তফসিলে উল্লেখিত কোন মাদকদ্রব্যের রাসায়নিক গঠনের অনুরূপ গঠনবিশিষ্ট বস্তু না হওয়া সত্ত্বেও আসক্তি সৃষ্টিকারী মনোদৈহিক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টিতে উক্ত বস্তুর মতো একইভাবে কাজ করে। এ আইনের তফসিলের অন্তর্ভুক্ত হয়নি এমন বস্তু যাহার রাসায়নিক সংগঠন এই আইনের তফসিলের অন্তর্গত কোন মাদকের রাসায়নিক সংগঠনের অনুরূপ এবং যাহার আসক্তি সৃষ্টিকারী মনোদৈহিক কার্যক্রম একই রকম— তাহলে সেটি মাদক হিসেবে গণ্য হবে।’

পুরানো আইনেও দেহ তল্লাশির কথা রয়েছে। এক্ষেত্রে মলমূত্র পরীক্ষা ছাড়াও এক্স-রের কথা বলা আছে পুরানো আইনে। সেখানে সামান্য বাড়িয়ে আলট্রাসনোগ্রাম, এন্ডোসকপি, কোলনস্কপি শব্দগুলো নতুন করে যুক্ত করা হয়েছে। এভাবেই বিভিন্ন ধারা উপধারায় সংশোধনী প্রস্তাব আনা হয়েছে।

‘সরল বিশ্বাসে কৃত কাজকর্মকরণ’ শিরোনামে বলা হয়েছে— ‘এই আইনের বা এর অধীন প্রণীত কোনও বিধি বা আদেশের অধীন সরল বিশ্বাসে কৃত কোনও কাজের ফলে কোনও ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হলে বা তার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে সেজন্য সরকার, কমিটি বা কোনও কর্মকর্তা বা ব্যক্তির বিরুদ্ধে দেওয়ানি বা ফৌজদারি মামলা বা অন্য কোন আইনগত কার্যক্রম গ্রহণ করা যাবে না। ক্ষতিপূরণের দাবিও অগ্রহণযোগ্য হবে।’

প্রস্তাবিত আইনের তফসিলে ‘ক’ শ্রেণির মাদকদ্রব্য দেখানো হয়েছে— ‘অপিয়াম পপি গাছ, অপিয়াম পপি ফল, কিংবা অপিয়াম পপির অঙ্কুরোদগম উপযোগী বীজ। কোকা গাছ বা কোকাগুল্ম, কোকা পাতা বা কোকা উদ্ভূত সকল মাদকদ্রব্য। শতকরা ০.১ এর অধিক কোকেনযুক্ত যে কোন পদার্থ অথবা কোকেনের যে কোন ক্ষার। অপিয়াম ফল নিঃসৃত আঠাল পদার্থ, পরিশোধিত বা অপরিশোধিত কিংবা তৈরিকৃত যে কোন ধরনের আফিম, কিংবা আফিম সহযোগে তৈরি আসক্তি সৃষ্টিতে সক্ষম যে কোন পদার্থ।’

এছাড়া এসিটাইল মেথাডল, ফেন্টানাইল, এসিটাইল-আলফা-মিথাইল ফেন্টানাইল, আলফা-মিথাইল ফেন্টানাইল, আলফেন্টানাইল, বেটা-হাইড্রোক্সি ফেন্টানাইল, বেটা-হাইড্রোক্সি, ৩-মিথাইল ফেন্টানাইল, লোফেন্টানাইল, ৩-মিথাইল ফেন্টানাইল, সুফেন্টানল, আলফামিথাইল থায়োফেন্টানাইল, ৩- মিথাইল থায়োফেন্টানাইল, রেমিফেন্টানাইল, সুফেন্টানাইল, থায়োফেন্টানাইল, এসিটাইল মেথাডল, আলফা এসিটাইল মেথাডল, বেটা এসিটাইল মেথাডল, আলফামেথাডল, বুপ্রেনরফিন, কোকেন, ক্লোরোকোডাইড, এট্রোফাইন, হেরোইন, এসিটাইলডিহাইড্রোকোডিন, হাইড্রোকোডন, ডাই হাইড্রোকোডন, কোডিন, হাইড্রোমরফিন, কিটামিন, মেট্রাজাইনিন, মেট্রাফাইলিন, মেথাডন, বেনজাইল মরফিন, মরফিন, ন্যালবুফাইন, নরকোডিন, নরমরফিন, নোজকাপেইন, প্যাপাভারিন, প্যাপাভেরিটাম, ফেনইথাইলামিন, পেন্টাজোসিন, পেথিডিন, পেথিডিন হাইড্রোক্লোরাইড, পেথিডিন ইন্টারমিডিয়েট এ, পেথিডিন ইন্টারমিডিয়েট বি, পেথিডিন ইন্টারমিডিয়েট সি, থিবেইন, অ্যামফিটামিন, বেনজফিটামিন, লেফিটামিন, মেথামফিটামিন, মিথাইল অ্যামফিটামিন, মেথামফিটামিন রেসিমেট, ব্রোলামফিটামিন, (ডিওবি), ডেক্সামফিটামিন, ইটিলামফিটামিন, লেভাবফিটামিন, টেনামফিটামিন, অ্যাসিটরফিন, অ্যালাইলপ্রোডাইন, অ্যালফামেপ্রোডাইন, অ্যালফাপ্রোডাইন, এনিলেরিডাইন, অ্যাসসিট্রোফাইন, বেটাএসিটাইলমেথাডল, ডাইমেফেপটানল, বেটামেপ্রোডাইন, বেটামেথাডল, বেনজিথিডাইন, বেনজাইলমরফিন, বেটাপ্রোডাইন, বেজিট্রামাইড, ক্যানাবিস রেসিন, চরস বা হাশিশ, হাশিশ তেল, ক্যাথিনোন, মেথক্যাথিনন, ক্লোনিটাজিন, কোডোক্সিম, ডিমেরাল, ডেসোমরফিন, ডেক্সট্রোমোরামাইড, ডেক্সট্রোপ্রোপক্সিফেন, ডায়াম্প্রোমাইড, ডাইইথাইলথায়ামবিউটিন, ডায়ফিনক্সিন, ডাইহাইড্রোকোডিন, ডাইহাইড্রোএটরফিন, ডাইহাইড্রোমরফিন, ডাইমেনোক্সাডল, ডাইমিথাইলথায়ামবিউটিন, ডাইঅক্সাফেটিল বিউটিরেট, ডাইফেনক্সিলেট, ডাইপিপানন, ড্রটিবানল, একজোনিন, এরগোমেট্রিন, ইথাইলমিথাইল-থায়ামবিউটিন, ইথাইলমরফিন, ইটিসাইক্লিডিন, এটোনিটাজেন, এটক্সিরিডাইন, এটরফিন, ইটিপটামিন, ফুরিথিডাইন, হাইড্রোকোডন বাইটারট্রেট, হাইড্রোমরফোন, হাইড্রোক্সিপেথিডিন, আইসোমেথাডন, কিটোবেমিডোন, লেভোমেথরফ্যান, লেভোমোরামাইড, লেভোফিনাসিলমরফ্যান, হাইড্রোমরফিনল, লেভোরফ্যানল, মেপারডাইন, মেসকালাইন, মেটামেপ্রোডাইন, মেটাজছিন, মেথাডন ইন্টারমেডিয়েট (৪-সায়ানো-২-ডাইমেথিল-এমিনো-৪, ৪-ডাইফেনিল বুটেন), মেথক্যাথিনোন, মেথিলাডিহাইড্রোমরফিন, মেথিলডেসরফিন, মেটোপন, এমএমডিএ, মোরামাইড, মরফেরিডাইন, মরফিন মেথোব্রোমাইড এবং অন্যান্য পেন্টাভেলেন্ট ডেরাইভেটিভস নাইট্রোজেন মরফিন, মরফিন-এন-অক্সাইড, এমপিপিপি, মাইরোফিন, নালোক্সোন, নালট্রাক্সোন, নিকোকোডিন, নারকোডিন, নারকোটিন, নিকোডিকোডিন, নিকোমরফিন, নোরাসাইমেথাডল, নরলিভরফ্যানল, নরমেথাডন, নরপিপানন, অমনোপন, অরিপাভাইন, অক্সিকোডন, অক্সিমরফন, প্যারা-ফ্লুরোফেন্টানিল, প্যারাহেক্সাইল, পিইপিএপি, ফেনাডক্সন, ফেনামপ্রমাইড, ফেনাজসিন, ফেনোমরফ্যান, ফেনোপেরিডিন, ফলকোডিন, পিমিনোডিন, পিরিট্রামাইড, প্রোহিটাজিন, প্রোপেরিডিন, প্রোপিরাম, সিলোসিন, সিলোটসিন, রেসিমেথরফ্যান, রেসিমোরামাইড, রেসিমোরফ্যান, রেমিফ্যান্টানিল, রোলিসাইক্লিডিন, টেনোসাইক্লিডিন, টেট্রাহাইড্রোক্যানাবিনল, থেবাকন, টিলিডাইন, ট্রাইমেপেরিডাইন।

প্রস্তাবিত আইনে আরও বলা হয়েছে— ‘তফসিলের চার থেকে ছয় পর্যন্ত উল্লেখিত মাদকদ্রব্যগুলোর উপজাত দ্রব্য বা যৌগ কিংবা সেগুলো থেকে উদ্ভূত বা তৈরিকৃত কোনও পদার্থ যাতে উক্ত পদার্থের রাসায়নিক গুণাগুণ ও মনোদৈহিক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টির ক্ষমতাসহ বিদ্যমান, কিংবা উহাদের কোন অ্যালকালয়েড, সল্ট, আইসোমার, অ্যানালগ, কিংবা এগনিষ্টসমূহ যে বাণিজ্যিক নাম বা আকারেই থাকুক না কেন সেগুরো মাদক হিসেবে গণ্য হবে।’

প্রিকারসর কেমিক্যালস: ক বা খ শ্রেণির কোনও মাদকদ্রব্য উৎপাদন বা প্রক্রিয়াজাতকরণে অত্যাবশ্যকীয় উপাদান বা উপকরণ হিসাবে ব্যবহৃত হয়— এমন প্রিকারসর কেমিক্যালসগুলোও তফসিলের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

যেমন— এসিটিক অ্যানহাইড্রাইড, এন-এসিটাইল এনথ্রানিলিক এসিড, এফিড্রিন, এরগোমেট্রিন, এরগোটামিন, আইসোস্যাফরোল, লাইসারজিক এসিড, মিথাইল এনিডাইওক্সিফেনাইল-২-প্রোপানন, নরেফিড্রিন, ১-ফেনাইল-২- প্রোপানন-২, পিপারোনাল, পটাশিয়াম পারমাংগানেট, সিউডো এফিড্রিন, স্যাফরোল, এসিটোন, অ্যানথ্রানিলিক এসিড, ইথাইল ইথার, হাইড্রোক্লোরিক এসিড, মিথাইল-ইথাইল-কিটোন, ফিনাইলাসিটিক এসিড, পিপারিডিন, সালফিউরিক এসিড, টলুইন, আপান, এএনপিপি, এনপিপি।

প্রস্তাবিত আইনের তফসিলে ‘খ’ শ্রেণির মাদকদ্রব্য দেখানো হয়েছে— ‘গাঁজা গাছ কিংবা উহার শাখা-প্রশাখা, পাতা ও ফুল। ভাং গাছ কিংবা উহার শাখা-প্রশাখা, পাতা ও ফুল। গাঁজা, ভাং, সিদ্ধি। গাঁজা বা ভাং সহযোগে প্রস্তুত এমন কোনও দ্রব্য যা নেশা বা আসক্তি সৃষ্টিতে সক্ষম। নেশার উৎস রূপে ব্যবহ্নত হতে পারে কিংবা আসক্তি সৃষ্টিতে সক্ষম যে কোন উদ্ভিদগুলোর শাখা-প্রশাখা, পাতা, ফল, ফুল, বীজ কিংবা নির্জাস যাহা নেশা ও আসক্তি সৃষ্টিতে সক্ষম।
যেমন— ইথাইল অ্যালকোহল (ইথানল), অ্যাবসলিউট অ্যালকোহল, রেকটিফাইড স্পিরিট, শূন্য দশমিক ৫ শতাংশের অধিক অ্যালকোহল সহযোগে প্রস্তুত যে কোনও তরল পদার্থ বা ঔষধ (যেটা আসক্তি সৃষ্টিতে সক্ষম এবং যেটা নেশার উপকরণ হিসাবে পান করা হচ্ছে বা হতে পারে), ওয়াইন, বিয়ার, ওয়াশ (জাওয়া), চোলাইমদ, যে কোন ধরনের মদ, কিংবা নেশা সৃষ্টিকারী শূন্য দশমিক ৫ শতাংশের অধিক অ্যালকোহলযুক্ত যে কোন দ্রব্য।’

এছাড়া, অ্যামাইনোইনডেনস, ডিইটি, ডিএমএ, ডিএমএইচপি, ডিএমটি, ডিওইটি, ইটিসাইক্লিডিন, পিসিই, ইট্রাইপিটামিন, এন-হাইড্রোক্সি এমডিএ, লাইসারজিড, লাইসারজিক এসিড ডাইইথাইল অ্যামাইড, এলএসডি-২৫, এমডিই, এমডিএমএ, মেসকেলাইন, মিথাইল অ্যামাইনোরেক্স, ৪-এমটিএ, প্যারাহেক্সাইল, পিএমএ, সাইলোসিন, সাইলোসাইবিন, রোলিসাইক্লিডিন, এসটিপি/ডিওএম, এমডিএ, টেনোসাইক্লিডিন, টিএমএ, এমিনেফটিন, ড্রোনাবিনল, ফেনিটাইলিন, ম্যাকলোকোয়ালন, মেথাকোয়ালন, মিথাইলফেনিডেট, ফেনমেট্রাজিন, জিপারোল, অ্যালোবারবিটাল, অ্যামোবারবিটাল, বারবিটাল, বুটোবারবিটাল, ফেনোবারবিটাল, সেকোবারবিটাল, ভিনাইলবিটাল, বুটালবিটাল, ক্যাথিন, সাইক্লোবারবিটাল, গ্লুথিথামাইড, পেন্টোবারবিটাল, অ্যামফিপ্রামন, অ্যামিনোরেক্স, ক্লোরডায়াজিপক্সাইড, ইথক্লোরভিনল এথিনামেট, ইথাইল লোফলাজিপেট, ফেনক্যামফামিন, ফেনপ্রপরেক্স, জিএইচবি, মাজিনডল, মেফিনোরেক্স, মেপরোবামেট, মেসোকারব, মেথিল ফেনোবারবিটাল, মেথিপ্রাইলন, পেমোলাইন, পিসিপি, ফেন্ডিমেট্রাজাইন, ফেন্টারমাইন, পিপরাডল, পাইরোভালিরন, স্যালভিনোরিন এ, সিনথেটিক ক্যানাবিনয়েডস, ট্র্যামাডল, ক্যাফেইন শতকরা শূন্য দশমিক ১৪৫ ভাগের অধিক ক্যাফেইযুক্ত যে কোন তরল পানীয় বা পদার্থ ও শিশা।

প্রস্তাবিত আইনের তফসিলে ‘গ’ শ্রেণির মাদকদ্রব্য দেখানো হয়েছে— ‘তাঁড়ি ও পঁচুই ইত্যাদি। মিথাইল অ্যালকোহল (মিথানল), মিথানল মিশ্রিত যে কোন তরল রাসায়নিক পদার্থ, ডিনেচার্ড স্পিরিট, মেথিলেটেড স্পিরিট, ইথাইল অ্যালকোহল ছাড়া অন্য সকল প্রকার অ্যালকোহল, সোপ স্পিরিট কিংবা মনুষ্য পানের অনুপযোগী যে কোন ধরনের কমার্শিয়াল স্পিরিট।’

যেমন— ফ্লুনাইট্রাজিপাম, আলপ্রাজোলাম, ব্রোমাজিপাম, ব্রোটিজোলাম, ক্যামাজিপাম, ক্লোবাজাম, ক্লোনাজিপাম, ক্লোরাজিপেট, ক্লোটিয়াজিপাম, ক্লোক্সাজোলাম, ডিলোরাজিপাম, ডায়াজিপাম, এষ্টাজোলাম, ফ্লুডায়াজিপাম, ফ্লুরাজিপাম, হালাজিপাম, হালোক্সাজোলাম, কেটাজোলাম, লোপ্রাজোলাম, লোরাজিপাম, লোরমেটাজিপাম, মাজিনডল, মেডাজিপাম, মেফিনোরেক্স, মেপরোবামেট, মেসোকারব, মিডাজোলাম, নিমিটাজিপাম, নাইট্রাজিপাম, নরডাজিপাম, অক্সাজিপাম, অক্সাজোলাম, পিনাজিপাম, পিপরাডল, প্রাজিপাম, টেমাজিপাম, টেট্রাজিপাম, ট্রায়াজোলাম, ভিনাইলবিটাল ও জলপিডেম।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিধফতরের মহাপরিচালক জামাল উদ্দীন আহমেদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘মাদকদ্রব্যের নিয়ন্ত্রণ, সরবরাহ ও চাহিদা হ্রাস, অপব্যবহার ও চোরাচালানসহ মাদকের ভয়াবহতা প্রতিরোধে যা যা করা দরকার সবই করা হচ্ছে। সেজন্য বিদ্যমান আইন যুগোপযোগী করার কাজ চলছে। যেখানে যেখানে পুরনো আইন সংশোধনের প্রয়োজন সেখানে সংশোধনের প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রস্তাবিত আইনটি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বিবেচনাধীন রয়েছে।

সর্বশেষ খবর

সম্পাদকীয় এর আরো খবর

    আজকের পত্রিকা. কমের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ নিষেধ

    Developed by