logo

শুক্রবার, ১৩ জুলাই ২০১৮, ২৯ আষাঢ় ১৪২৫, ২৮ শাওয়াল ১৪৩৯

শিরোনাম

প্রার্থীদের টার্গেট নতুন ভোটার
নতুন ভোটার: বরিশালে ৩১ হাজার, রাজশাহীতে ৩১ হাজার ২২৩ জন ও সিলেটে ৩০ হাজার ৬৮৬ জন
১৩ জুলাই, ২০১৮
নিউজ ডেস্ক
আসন্ন তিন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে নতুন ভোটাররা বিশেষ ভূমিকা রাখবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ কারণে তরুণ প্রজন্মের ভোটারদের টার্গেট করেছেন মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীরা। নতুন ভোটারদের কাছে টানতে প্রার্থীরা নানা প্রতিশ্রুতি ও ডিজিটাল নগরী গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করছেন। নির্বাচনী ইশতেহারে তরুণ ভোটারদের বিষয়টিও গুরুত্বসহকারে তুলে ধরা হচ্ছে। আগামী ৩০ জুলাইয়ের নির্বাচন সামনে রেখে শুধু মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থী নয়, নতুন ভোটার ও তরুণ সমাজকে গুরুত্ব দিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছেন সংরক্ষিত কাউন্সিলর প্রার্থীরাও।

নতুন ভোটার তালিকা অনুসারে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে নতুন ভোটারের সংখ্যা ৩১ হাজার। অপর দিকে, রাজশাহীতে ৩১ হাজার ২২৩ জন এবং সিলেটে ৩০ হাজার ৬৮৬ জন। তিন সিটির নতুন ভোটারদের সম্পর্কে বরিশাল, রাজশাহী ও সিলেট ব্যুরোর পাঠানো খবর :

বরিশাল : বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীরা নতুন ভোটারদের স্বার্থরক্ষার নানা প্রতিশ্রুতি দিতে শুরু করেছেন। এই সিটি কর্পোরশনে দুই লাখ ৪০ হাজার ভোটারের মধ্যে প্রায় ৩১ হাজার নতুন ভোটার। ১৮ থেকে ২৫ বছর বয়সী ভোটারদের নিয়ে জল্পনা-কল্পনা শুরু করেছেন প্রার্থীরা।

নতুন ভোটারের চাওয়া-পাওয়া নিয়ে অনেক প্রার্থী হিসাব-নিকাশ শুরু করেছেন। বরিশাল সিটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ যুগান্তরকে বলেন, নতুন বা তরুণ ভোটারদের ইতিমধ্যে আমি একটি মেসেজ দিয়েছি। এতে বেশ সাড়াও পেয়েছি।

তিনি বলেন, বিশ্বাস করি তরুণ ভোটাররা আমাকে ভালোবাসে, তাই আমি তাদের ভোট পাব। তাদের জন্য অনেক পরিকল্পনাও রয়েছে আমার। বিএনপির মেয়র প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ার যুগান্তরকে বলেন, তরুণ ও নতুন ভোটাররাই বরিশালের ভবিষ্যৎ। তারা কী চাচ্ছেন সেই বিষয়টার দিকে আমাদের বিশেষ খেয়াল রয়েছে। নির্বাচিত হলে তরুণ ভোটারদের জন্য বিনোদন কেন্দ্রগুলো আধুনিকভাবে গড়ে তোলা হবে। তরুণ প্রজন্মের স্বার্থে যুগোপযোগী আধুনিক নগরী গড়ে তোলা হবে। মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত নগরী গড়ে তোলার অঙ্গীকার করেছি।

জানা গেছে, মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীরা তরুণ ভোটারকেন্দ্রিক বিভিন্ন এলাকায় মতবিনিময় সভাও করছেন। সবারই টার্গেট নতুন ভোটারদের ভোট। নগরীর ২০ নম্বর ওয়ার্ডের নতুন ভোটার আকাশ দাস জানান, নগরীর অনেক জায়গায় এখন মাদকের সাম্রাজ্য রয়েছে। আমরা চাই মাদক সাম্রাজ্য ভেঙে ফেলুক এবারের নির্বাচনে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা। এ ছাড়া সন্ত্রাসমুক্ত বরিশাল গড়তে যারা সহায়তা করবেন তাদের ভোট দেব।



নগরীর নাজির মহল্লার বাসিন্দা তিলত্তমা সিকদার জানান, এবারে ভোট দেয়া নিয়ে টানাপোড়েনের মধ্যে রয়েছি। মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীরা নানা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। কিন্তু নির্বাচিত হওয়ার পর তারা প্রতিশ্রুতি পালন না করলে আধুনিক বরিশাল গড়ার স্বপ্ন পূরণ হবে না। কথায় নয় কাজে বিশ্বাসী প্রার্থীদের আমরা ভোট দেব।

ভাটিখানা এলাকার বাসিন্দা নতুন ভোটার শারমিন সুলতানা জানান, আমরা চাই বরিশালের উন্নয়ন হোক। তবে সেটার মধ্যে যেন মানুষের শান্তি থাকে। রাস্তা-ঘাট থেকে শুরু করে জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ করা জনপ্রতিনিধিদের আমরা ভোট দেব।

হাসপাতাল রোড এলাকার বাসিন্দা ইমরান হোসেন জানান, নগরীতে যে কাউন্সিলর প্রার্থীরা নানা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন তাদের প্রতিশ্রুতিতে আমরা সন্তুষ্ট নই। কেননা প্রার্থীদের মধ্যে অনেকে মাদক ও সন্ত্রাসের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। সেখানে ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থীও রয়েছে আবার বিএনপি বা স্বতন্ত্র প্রার্থীও রয়েছে।

তিনি বলেন, এই বিষয়টি মেয়র প্রার্থীদের নজরে আনা জরুরি। বিতর্কিতরা যাতে কোনোভাবেই নির্বাচিত মেয়রের কাছে কোনোভাবেই ঠাঁই না পায় এটাই আমাদের দাবি। তরুণদের এই ভাবনার বিষয়ে ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী তৌহিদুল ইসলাম সাবিদ বলেন, তরুণদের জন্য মাদকমুক্ত এলাকা গড়াই আমার মূল উদ্দেশ্য। এ ছাড়া এলাকার উন্নয়ন নিয়েও ব্যাপক চিন্তাভাবনা রয়েছে আমাদের।

এ বিষয়ে বাসদের মেয়র প্রার্থী ডা. মনীষা চক্রবর্তী বলেন, নির্বাচনকে কেন্দ করে আমরা গরিব মেহনতি মানুষের পাশাপাশি সব থেকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি তরুণদের মতামতকে। নির্বাচিত হলে তাদের নিয়েই আধুনিক বরিশাল গড়ে তোলার চিন্তা রয়েছে।

জাতীয় পার্টির মেয়র প্রার্থী ইকবাল হোসেন তাপস বলেন, নতুন ও তরুণ ভোটারদের মানসিক বিকাশের জন্য আধুনিক নগরী হবে বরিশাল। নগরীর ২০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর (প্রার্থী) এসএম জাকির হোসেন বলেন, এবারের নির্বাচনে নতুন ভোটাররা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাদের স্বার্থে ২০ নম্বর ওয়ার্ডকে ডিজিটাল ও মডেল ওয়ার্ড গড়ে তোলা হবে।

রাজশাহী : মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীদের প্রচারণা বিরামহীনভাবে চলছে। প্রার্থীরা নানা ইস্যু ও কৌশলে ভোটারদের মন জয় করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ করে নতুন ও তরুণ ভোটারদের কাছে টানতে তারা নানা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। শিক্ষা নগরী রাজশাহীতে কর্মমুখী তরুণ প্রজন্মের ভোটারদের জন্য প্রার্থীরা সহায়ক ও উপযোগী কর্মসূচি দেয়ার কথা বলছেন। মাদকমুক্ত ও পরিচ্ছন্ন নগরী গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন প্রার্থীরা।

রাজশাহী কলেজের ইংরেজি দ্বিতীয়বর্ষের ছাত্র ফাওজুল করিম জনি এবার প্রথম ভোট দেবেন। প্রার্থীর কোন যোগ্যতাকে বিবেচনা নিয়ে তাকে ভোট দেবেন- এমন প্রশ্নের জবাবে জনি জানান, সারা দুনিয়ায় এখন তরুণদের জয়জয়কার। তরুণরাই ব্যবসা বাণিজ্য থেকে শুরু করে রাষ্ট্রক্ষমতায় বসছেন। বদলে দিচ্ছেন দেশ ও সমাজের চেহারা। কিন্তু বাংলাদেশে এখনও তরুণদের জন্য কাক্সিক্ষত জায়গাই তৈরি হয়নি। প্

রযুক্তির প্রসার ও সহজলভ্যতা থেকে শুরু করে যোগ্যতা অনুযায়ী কর্মসংস্থানের পাশাপাশি নানা উদ্ভাবনী উদ্যোগের জন্য পরিবেশ তৈরি করতে হবে। যেসব প্রার্থী তরুণ ও নতুন প্রজন্মের এসব চাহিদা বুঝতে পারবেন এবং সে অনুযায়ী ব্যবস্থা করতে পারবেন আমরা তাদের ভোট দেব। শুধু দল ও গোষ্ঠী বিবেচনায় ভোটের দিন আর নেই বলে জানান জনির সহপাঠী রাসেল। তাদের মতে, আগে তরুণদের কাজ দিতে হবে।

রাসেল বলেন, মাদকের ভয়াবহতা রাজশাহীতে অনেক বেশি। মাদকের কারণে তরুণ প্রজন্ম ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। অথচ গত নির্বাচনে কাউন্সিলর পদে এমন কয়েকজন জয়ী হন যারা মাদক ব্যবসার পৃষ্ঠপোষক। এবারও এমন অনেকেই প্রার্থী হয়েছেন। সুতরাং যেসব মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থী বাস্তবিকভাবে মাদকের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নিতে পারবেন আমরা তাদের ভোট দেব।

রাজশাহী মহানগরীতে ভোটার সংখ্যা তিন লাখ ১৮ হাজার ৯৩২ জন। এর মধ্যে নতুন ভোটার ৩১ হাজার ২২৩ জন। নগরীর সপুরা এলাকার বাসিন্দা একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী ফারজানা নওশীন নিশি বলেন, রাজশাহীতে এখনও কোনো তথ্য প্রযুক্তি কেন্দ্র গড়ে ওঠেনি।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে হাজার হাজার ছেলেমেয়ে পড়তে আসে কিন্তু মৌলিক শিক্ষার পাশাপাশি প্রযুক্তিনির্ভর পড়াশোনার তেমন প্রতিষ্ঠান নেই। এখনও নগরীতে ওয়াইফাই জোন তৈরি ও এর প্রসার ঘটেনি।

নির্বাচিত হলে তরুণ প্রজন্মের ভোটারদের প্রত্যাশা কিভাবে পূরণ করবেন জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, তরুণ প্রজন্মের কর্মসংস্থানের জন্য রাজশাহীতে বঙ্গবন্ধু আইটি পার্ক হচ্ছে বলে আমরা ইশতেহারে বলেছি। তরুণ উদ্যোক্তা তৈরির জন্য শিল্প সহজীকরণের উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। শিল্পে গ্যাস দেয়ার কথা আমরা বলেছি এবং সেটিও হবে। এ ছাড়া তরুণদের বিনোদনের জন্য প্রতিটি ওয়ার্ডে খেলার মাঠ, কমিউনিটি হলসহ বিনোদন কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে।

তিনি বলেন, রাজশাহীতে তরুণদের জন্য বড় সমস্যা হলো মাদক। লিটন বলেন, আমি নির্বাচিত হলে মাদকের বিরুদ্ধে কঠিন প্রতিরোধ ও পুনর্বাসন কর্মসূচি হাতে নেব। তিনি আরও বলেন, আগামী সময়টা তরুণদের সময়। তারা জাতিকে নেতৃত্ব দেবেন। আমরা তাদের জন্য বহুমুখী উচ্চশিক্ষার পাশাপাশি দক্ষতাবৃদ্ধিমূলক শিক্ষার পর্যাপ্ত সংস্থান করব।

তরুণ ভোটারদের সমর্থন পেতে কী প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন জানতে চাইলে বিএনপির মেয়র প্রার্থী মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল বলেন, নগরীতে বিনোদন কেন্দ্রের অভাব। তিনি আবার মেয়র নির্বাচিত হলে তরুণ প্রজন্মের জন্য সাংস্কৃতিক কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে। ওয়ার্ডগুলোতেও কমিউনিটি হল করে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সূচনা করা হবে।

সদ্য সাবেক মেয়র বুলবুল বলেন, তরুণ প্রজন্মকে মাদকের গ্রাস থেকে রক্ষায় মহল্লায় মহল্লায় মাদক প্রতিরোধ কমিটি গঠন করা হবে। ৫ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী কামরুজ্জামান কামরু বলেন, তরুণ প্রজন্ম দেশের প্রাণশক্তি। তরুণদের শক্তিকে কাজে লাগাতে হবে।

সিলেট : সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের জয়-পরাজয়ে নতুন ভোটাররা বিশেষ প্রভাব রাখবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তরুণ ভোটাররা ‘মূল ফ্যাক্টর’ হতে পারে বলে মনে করছেন প্রার্থীরা। এ কারণে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে প্রার্থীরা তরুণ ও নবীন ভোটারদের টানতে নানা উদ্যোগ নেয়ার পাশাপাশি দিচ্ছেন রকমারি প্রতিশ্রুতি। তরুণদের বেকারত্বের অবসান ঘটাতে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে কর্মসংস্থান তৈরির প্রতিশ্রুতি দেয়া হচ্ছে। নির্বাচনী ইশতেহারেও তরুণ ভোটারদের বিষয়টি গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।

আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী বদর উদ্দিন আহমদ কামরান জানান, নির্বাচিত হলে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে শিক্ষিত বেকার তরুণ-তরুণীদের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করবেন। বেকারত্বে অভিশাপে কেউ যাতে বিপথগামী না হয় সেই চেষ্টা তিনি করবেন।

বিএনপির মেয়র প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরী জানান, নির্বাচিত হলেও সিলেটকে ওয়াইফাই নগরীতে পরিণত করবেন। এর সুফল পাবে যুবসমাজ। বেকার যুবসমাজের প্রয়োজনীয় কর্মসংস্থান তৈরি করে তাদের যুুব সম্পদে পরিণত করা হবে।

বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী বদরুজ্জামান সেলিম জানান, যুবসমাজকে বাদ দিয়ে তিলোত্তমা নগরী গড়ে তোলা সম্ভব নয়। একটি আধুনিক পরিচ্ছন্ন মডেল সিটি গঠনে যুবসমাজকে তাদের মেধা অনুযায়ী কাজে লাগাতে হবে।

মহানগর জামায়াতের আমীর এহসানুল মাহবুব জুবায়েরের প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট হাফিজ আবদুল হাই হারুন জানান, তাদের প্রার্থী বিজয়ী হলে নগরীর বেকার শিক্ষিত যুবসমাজকে যোগ্যতা অনুযায়ী কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে। তিনি মনে করেন বিশাল যুবসমাজকে বেকার রেখে নগরীর কাক্সিক্ষত উন্নয়ন সম্ভব নয়। নগরীতে যুবসমাজের বিদ্যমান সমস্যা সমাধানে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন অপর তিন মেয়র প্রার্থী ডা. মোয়াজ্জেম হোসেন, মো. আবু জাফর ও মো. এহসানুল হক তাহের।

সিলেট মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির ছাত্র সানজিন জানান, যুবসমাজের সমস্যা সমাধানে যিনি আন্তরিক হবেন তাকে আমরা ভোট দেব। তরুণ ও নতুন ভোটাররা জয়-পরাজয়ের নির্ধারক হিসেবে কাজ করবে। সিলেট সিটিতে ভোটার সংখ্যা তিন লাখ ২১ হাজার ৭৩২ জন। যা গত নির্বাচনের চেয়ে ৩০ হাজার ৬৮৬ জন বেশি।

সর্বশেষ খবর

প্রথম পাতা এর আরো খবর

আজকের পত্রিকা. কমের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ নিষেধ

Developed by