logo

মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ১ ফাল্গুন ১৪২৪, ২৭ জমাদিউল-আউয়াল ১৪৩৯

শিরোনাম

ফেসবুক-গুগলে অনৈতিক পোস্ট থেকে বিজ্ঞাপন প্রত্যাহারের হুমকি ইউনিলিভারের
১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮
নিজস্ব প্রতিবেদক
ভুয়া খবর, বর্ণবাদ, যৌনতা ও চরমপন্থায় পরিপূর্ণ হওয়ায় ডিজিটাল প্ল্যাটফরম থেকে নিজেদের বিজ্ঞাপন তুলে নেয়ার হুমকি দিয়েছে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানি ইউনিলিভার।

সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় এক অ্যাডভারটাইজিং কনফারেন্সে ইউনিলিভারের মার্কেটিং বিভাগের প্রধান কেইথ উইড বলেন, আমরা এমন একটি ডিজিটাল সাপলাই চেইনকে ধারাবাহিকভাবে সমর্থন দিতে পারি না যেটি মাঝে মাঝে সচ্ছতার প্রশ্নে নিম্নমানের মিথ্যার চেয়ে একটু ভালো।

ডিজিটাল প্ল্যাটফরম হিসেবে বিশেষ করে গুগল ও ফেসবুককেই এই হুমকি দেয়া হয়।

ডাভ, লিপটন ও বেন এবং জেরি ব্র্যান্ডের মালিক ইউনিলিভার বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিজ্ঞাপনদাতাদের একটি। এর বার্ষিক মার্কেটিং বাজেট মোটামুটিভাবে ৮ বিলিয়ন যার ২৫ শতাংশ বিজ্ঞাপনই ডিজিটাল।

উইড বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আপত্তিকর বিষয়বস্তু সামাজিক বিশ্বাস কমিয়ে দিচ্ছে, ব্যবহারকারীদের ক্ষতি করছে এবং গণতন্ত্রকে ধ্বংসের মুখে নিয়ে যাচ্ছে। এগুলো এড়িয়ে যাওয়ার মতো বিষয় নয়।

সমাজে বিভাজন সৃষ্টিকারী এবং তরুণদের সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ কোনো প্ল্যাটফরমে আর বিজ্ঞাপন দেবে না ইউনিলিভার।

কয়েক বছর ধরেই অনলাইন বিজ্ঞাপন বাজারে আধিপত্য বিস্তার করে আসছে ফেসবুক ও গুগল। ২০১৭ সালে ডিজিটাল বিজ্ঞাপনের ৬০ শতাংশের বেশি পেয়েছে এই দুই কোম্পানি। বিজ্ঞাপনদাতারা যে এতে খুব বেশি সন্তুষ্ট তা নয়।

গুগলের ইউটিউব ভিডিও প্ল্যাটফরমে আপত্তিকর ভিডিওর পাশে নিজেদের বিজ্ঞাপন দেখে ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের এই মাল্টিন্যাশনাল টেকনোলজি কোম্পানির প্রতি বিরক্তি প্রকাশ করেছে বিজ্ঞাপনদাতারা।

এদিকে ভুয়া খবর, বিভিন্ন দেশের নির্বাচনে অনধিকারচর্চা ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আসক্তির জন্য সমালোচনার মুখোমুখি হয়েছে ফেসবুক।

জানুয়ারিতে ঘোষিত কোম্পানিটির আয়ের ৮৫ শতাংশরই উৎস ছিল করপোরেট পোস্ট ও ভিডিও। এটি বন্ধু ও পরিবারের সদস্যদের পোস্টের চেয়ে বেশি প্রাধান্য দেয় সংবাদ এবং ব্যবসায়িক বিষয়গুলোকে।

ফেসবুক জানিয়েছে, ভাইরাল হওয়া কিছু ভিডিও ছাড়া ব্যবহারকারীরা তাদের নেটওয়ার্কে কম সময়ই ব্যয় করে। তারা ইউনিলিভারের কমিটমেন্টকে সমর্থন করে এবং তাদের কাছাকাছি থেকেই কাজ করে যাচ্ছে।

উইড বলেন, ২০১৮ সালে আমরা সম্মিলিতভাবে আমাদের সিস্টেম ও সমাজে বিশ্বাস পুনর্নির্মাণ করতে পারব।

সর্বশেষ খবর

শেষ পাতা এর আরো খবর

আজকের পত্রিকা. কমের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ নিষেধ

Developed by