logo

বৃহস্পতিবার, ১২ জুলাই ২০১৮, ২৮ আষাঢ় ১৪২৫, ২৭ শাওয়াল ১৪৩৯

শিরোনাম

মিয়ানমারে পলাতক মাদক ব্যবসায়ীদের ফিরিয়ে আনতে তালিকা দিয়েছে বিজিবি
১২ জুলাই, ২০১৮
নিউজ ডেস্ক
বাংলাদেশে চলমান মাদকবিরোধী অভিযানের কারণে মিয়ানমারের পালিয়ে যাওয়া বাংলাদেশি মাদক ব্যবসায়ীদের ফিরিয়ে আনেতে মিয়ানমারকে একটি তালিকা দিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। পালিয়ে যাওয়া মাদক ব্যবসায়ীদের ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে আলোচনা হচ্ছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।

বৃহস্পতিবার (১২ জুলাই) বিজিবি ও মিয়ানমার বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) যৌথ প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান বিজিবির ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মজিবুর রহমান। গত ৯ জুলাই থেকে ১২ জুলাই ঢাকায় এ সীমান্ত সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে বিজিপির ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মায়ো থানের নেতৃত্বে ১১ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল ও বিজিবির অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আনিছুর রহমানের নেতৃত্বে ১৩ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল অংশগ্রহণ করে।

লিখিত যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, সীমান্ত সম্মেলনে উত্থাপিত বিষয়গুলোর মধ্যে মাদকদ্রব্য বিশেষ করে ইয়াবার ব্যাপকতার বিষয়ে উভয় পক্ষ থেকে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। যুব সমাজের ওপর মাদক বিশেষ করে ইয়াবার ক্ষতিকর প্রভাবের কথা উল্লেখ করে উভয় পক্ষ সব ধরনের মাদক চোরাচালান প্রতিরোধে পরস্পরকে সহযোগিতার বিষয়ে সম্মত হয়েছে। মিয়ানমারের পক্ষ থেকে বৈঠকে জানানো হয়েছে, তাদের দেশেও একই সমস্যা বিরাজ করছে এবং মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ সীমান্তে ইয়াবা পাচার প্রতিরোধে তৎপরতা অব্যাহত রেখেছে।

মাদক নিয়ন্ত্রণে মিয়ানমার সরকার কথা রাখছে না, বাংলাদেশ সরকারের দায়িত্বশীলদের পক্ষ থেকে এমন অভিযোগের বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে বিজিপির ঊর্ধ্বতনদের সঙ্গে আলোচনা করে বিজিবির ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মজিবুর রহমান বলেন, ‘আমরা মাদকের বিষয়ে জিরো টলারেন্স অবস্থানে রয়েছি। মিয়ানমারও এই মাদকের কারণে সাফার করছে। আমাদের যুব সমাজও মাদক দ্বারা এফেকটেড হচ্ছে।’

সম্প্রতি মিয়ানমার নাগরিকদের সীমান্ত অতিক্রমসহ সীমান্তে গুলিবর্ষণের ঘটনায় বিজিবির পক্ষ থেকে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। একই সঙ্গে শান্তি রক্ষায় ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় এ ধররনের কর্মকাণ্ডের পুনরাবৃত্তি বন্ধে মিয়ানমারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়। এসময় বিজিপির পক্ষ থেকে জানানো হয়, এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা বন্ধে ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

বিজিবি ও বিজিপির মধ্যে সম্পর্ক ভালো বলে সংবাদ সম্মেলনে দুই দেশের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়। বিজিবির পক্ষ থেকে বলা হয়, সম্পর্ক অনেক ভালো। ভাষাগত একটা সমস্যা রয়েছে। বিওপি লেভেলে ভাষাগত সমস্যাটা হয়। তবে অফিসার লেভেলে সেই সমস্যা থাকে না।

মিয়ানমারের পক্ষ থেকে বলা হয়, দুদেশের সম্পর্ক উন্নয়নে কোনও চ্যালেঞ্জ নেই। বর্ডারে দুই দেশের লিয়াজু অফিস স্থাপন করেছি। দিনে দিনে আমাদের সম্পর্ক আরও উন্নত হবে।

ল্যান্ড মাইন ও আইইডির ব্যাপারে সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করা হলে জানানো হয়, এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। বিজিপির পক্ষ থেকে বলা হয়, তারা কখনও ল্যান্ড মাইন ব্যবহার করে না। তারপরও কোথাও দেখা গেলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং বোম্ব ডিসপোজাল করার ব্যবস্থাও নেওয়া হবে।

সর্বশেষ খবর

শেষ পাতা এর আরো খবর

আজকের পত্রিকা. কমের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ নিষেধ

Developed by