logo

বুধবার ১১ জানুয়ারী ২০১৭,২৮ পৌষ ১৪২৩,১২ রবিউস সানি ১৪৩৮

‘স্বৈরাচার’ ‘পুলিশের’ অনুমতির অপেক্ষা করা হবে না: বিএনপি
১১ জানুয়ারি, ২০১৭
পত্রিকা ডেস্ক:
বারবার চেয়েও অনুমতি না পাওয়ায় আগামীতে পুলিশের সায় না পেলেও সমাবেশের ঘোষণা দিয়েছে বিএনপি। দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, “এবার কোনো স্বৈরাচারের কাছে অনুমতি নয়, সোহরাওয়ার্দী উদ‌্যানে সমাবেশ হবে, কোনো পুলিশের অনুমতির জন্য আর অপেক্ষা করা হবে না।”

‘গণতন্ত্র হত‌্যা দিবস’ উপলক্ষে ৭ জানুয়ারি সোহরাওয়ার্দী উদ‌্যানে সমাবেশ করার অনুমতি চেয়েও পায়নি বিএনপি। দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গত তিন বছরে সাত বার তাদের সমাবেশ করার অনুমতি দেওয়া হয়নি।

বিএনপিকে অনুমতি না দেওয়ার কোনো কারণ পুলিশ দেখায়নি। তবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়কমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ইঙ্গিত দিয়েছেন, নাশকতার শঙ্কা থেকে হয়ত পুলিশ অনুমতি দেয়নি।

বিএনপি অনুমতি না পেলেও মঙ্গলবার সোহরাওয়ার্দী উদ‌্যানে সমাবেশ করেছে আওয়ামী লীগ। ১ জানুয়ারি জাতীয় পার্টিও সমাবেশ করেছে সেখানে।

মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এক মানববন্ধনে এই বিষয়টি তুলে ধরে রিজভী বলেন, “আজকে এরশাদের মতো রাজাকার সে যদি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুমতি পায়, সেক্টর কমান্ডারের দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল কেন অনুমতি পাবে না?”

সাবেক সেনাপ্রধান এইচ এম এরশাদ মুক্তিযুদ্ধের সময়ে পশ্চিম পাকিস্তানে আটক বাঙালি কর্মকর্তাদের বিচারের জন্য গঠিত সামরিক আদালতের বিচারক ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

রিজভী বলেন, “গতকাল আপনারা দেখেছেন, ঢাকা শহরের রাস্তা-ঘাট সব কিছু বন্ধ করে আওয়ামী লীগ সমাবেশ করেছে। কারণ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে প্রধানমন্ত্রী বক্তব্য রাখবেন।

“কেউ রাস্তার ভেতরে আটকে পড়ুক, যানজটে নিপীড়িত হোক, তাতে আওয়ামী লীগের যায় আসে না। তাদেরকে দেখাতে হবে- মানুষজন। নারায়ণগঞ্জ থেকে, গাজীপুর থেকে টোকাই নিয়ে এসে আপনারা ভর্তি করেছেন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে, আবার বড় বড় কথা বলেছেন।”

জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের উদ্যোগে ৫ জানুয়ারি বরিশালে সংগঠনের নেতা-কর্মীদের উপর সরকার সমর্থকদের হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধনে যোগ দেন রিজভী। এই কর্মসূচিতে মহিলা দলের নেত্রীরা মুখে কালো কাপড় বেঁধে অংশ নেন।

বরিশালের ঘটনার পর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বক্তব‌্য উদ্ধৃত করে রিজভী বলেন, “ঘটনার পর উনি বললেন আমরা তার বিচার করব। আজও হামলাকারীরা দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। ওরা বরিশাল শহরে বুক চিতিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে।

“আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদককে বলব, আপনি যেটা করতে চান, আপনার নেত্রী সেটা করতে চান না। কারণ বিএনপির শরীর থেকে যদি রক্ত বের হয়, বিএনপির নেতারা যদি রাজপথে লুটিয়ে পড়ে, তাহলে আপনার নেত্রী আনন্দিত হন, উল্লুসিত হন।”

মহিলা দলের জ‌্যেষ্ঠ সহসভাপতি নুর জাহান ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হেলেন জেরিন খানের পরিচালনায় মানববন্ধন কর্মসূচিতে মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদ, পেয়ারা মোস্তফাসহ কেন্দ্রীয় নেতারা বক্তব্য রাখেন।

সর্বশেষ খবর

আজকের পত্রিকা. কমের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ নিষেধ

Developed by