logo

শুক্রবার ১৯ মে ২০১৭, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৪, ২২ শাবান ১৪৩৮

শিরোনাম

বনানীতে দুই ছাত্রী ধর্ষণ: এবার আপত্তিকর ছবি নিয়ে মামলা হচ্ছে
১৯ মে, ২০১৭
নিজস্ব প্রতিবেদক
বনানীতে হোটেলে ধর্ষণের শিকার দুই ছাত্রীর মধ্যে একজনের সঙ্গে তিন আসামির ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফাঁস হওয়ায় আইসিটি আইনে মামলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভুক্তভোগী পরিবার।

ওই ছাত্রীর সঙ্গে মামলার প্রধান আসামি সাফাতের আপত্তিকর ছবি এরই মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে গেছে।

শুক্রবার ধর্ষণের শিকার এক ছাত্রী সাংবাদিকদের বলেন, ‘এ ঘটনায় আইসিটি আইনে মামলার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। যারা অনুমতি না নিয়ে এ ছবি প্রকাশ করেছে তাদের বিরুদ্ধে এ মামলা করা হবে। ছবিগুলোর মধ্যে একটি ছবি জোরপূর্বক তোলা হয়েছিল। পরে ফোন করে হুমকি দিয়ে বলা হয় যে তারা সেসব ছবি ফেসবুকে ছেড়ে দেবে।’

এর আগে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি সাফাতের বাবা আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদার হোসেন সাংবাদিকদের বলেছিলেন, “সেই দিন রাতে ও এর আগে এবং পরে কী করেছে তার ছবি আপনারা পাবেন।”

ভুক্তভোগী ছাত্রী জানায়, “আমরা জানি না কারা এ ছবিগুলো পোস্ট করেছে। তবে এতটুকু বলবো আমাদের সামাজিকভাবে হেয় করার জন্য এ ছবি আপলোড করা হয়েছে।” তবে মামলার পর তদন্তে এ বিষয়ে সব বেরিয়ে আসবে বলে জানান তিনি।

গত ২৮ মার্চ রাজধানীর বনানীর ‘দ্য রেইন ট্রি’হোটেলে আপন জুয়েলার্সের মালিকের ছেলে সাফাত আহমেদের জন্মদিনে যোগ দিয়ে ধর্ষণের শিকার হন বলে অভিযোগ করেন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রী। ওই ঘটনার ৪০ দিন পর চলতি ৬ মে সন্ধ্যায় বনানী থানায় পাঁচজনকে আসামি করে মামলা করেন তারা।

এজাহারভুক্ত পাঁচ আসামি হলেন, সাফাত আহমেদ, সাদমান সাকিফ, নাঈম আশরাফ, সাফাতের গাড়িচালক বিল্লাল ও তার দেহরক্ষী আবুল কালাম আজাদ। আসামিদের মধ্যে সাফাত ও সাদমান সিলেট থেকে ও গাড়িচালক বিল্লাল ও তার দেহরক্ষী আবুল কালাম আজাদ গ্রেফতার হয় ঢাকায়। গত ১৮ মার্চ রাতে ঢাকার মুন্সিগঞ্জের লৌহজংয়ে অভিযান চালিয়ে নাঈম আশরাফ ওরফে নাঈম ওরফে এইচএম হালিমকে গ্রেফতার করে পুলিশের বিশেষ টিম ও ডিবি পুলিশের একটি দল। গ্রেফতারের পর তাকে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন ওমেন সাপোর্ট অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন্সের তদন্ত কর্মকর্তারা। জিজ্ঞাসাবাদে নাঈম ধর্ষণের বিষয়টি স্বীকার করেছেন।

সর্বশেষ খবর

আজকের পত্রিকা. কমের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ নিষেধ

Developed by