logo

শনিবার ২০ মে ২০১৭, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৪, ২৩ শাবান ১৪৩৮

শিরোনাম

গ্রেফতার হওয়া জঙ্গিদের কি চোখে পড়ে না : আইজিপি
২০ মে, ২০১৭
পত্রিকা ডেস্ক
আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানে জঙ্গিদের জীবিত উদ্ধার করা যায় না বলে সমালোচনাকারীদের উদ্দেশ্যে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এ কে এম শহীদুল হক বলেছেন, ‘অনেক জঙ্গিদের যে গ্রেফতার করা হয়েছে এটা কি চোখে পড়ে না।’
পুরান ঢাকার গেন্ডারিয়ার ধূপখোলা মাঠে শুক্রবার (১৯ মে) সন্ধ্যায় মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী সমাবেশে আইজিপি এ কথা বলেছেন। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ওয়ারি বিভাগ এই সমাবেশের আয়োজন করে।
শহীদুল হক বলেছেন, ‘আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একের পর এক অভিযানে এতো পরিমাণ জঙ্গি ধরা পড়েছে যে তাদের জেলে জায়গা দিতে কারা কর্তৃপক্ষ হিমশিম খাচ্ছেন। আমাদের অভিযানে জঙ্গিরা শুধু মারাই যায়নি, অনেক জঙ্গিকে গ্রেফতারও করা হয়েছে। কিন্তু অনেকে না বুঝেই এ বিষয়ে বিরূপ মন্তব্য করেন।’

তিন আরো বলেছেন, ‘যারা এ ধরণের কথা বলেন তারা জঙ্গিদের উৎসাহিত করছেন। তারা না বুঝেই এগুলো বলছেন। কিন্তু এগুলো একটা সময় বুমেরাং হয়ে যাবে। তাই বুঝে শুনে কথা বলা উচিত। আমাদের লক্ষ্য দেশকে নিরাপদ রাখা।’
সমাবেশে মাদক সেবন ও বিক্রি থেকে ফিরে আসা ২৫ জনকে পুরস্কার এবং নতুন চাকরি দেওয়া হয়।
আইজিপি বলেছেন, ‘পুলিশ ও জনগণের মধ্যে দূরত্ব কমিয়ে আনতে হবে। আগে পুলিশকে ব্যবহার করার কারণে পুলিশের সঙ্গে জনগণের দূরত্ব সৃষ্টি হয়েছিল। কিন্তু জনগণের সঙ্গে আলোচনা পরামর্শ করেই বর্তমানে আমরা পুলিশি ব্যবস্থা পরিচালনা করছি। কারণ পুলিশের একার পক্ষে এ উন্নয়ন ঘটানো সম্ভব নয় জনগণকেও এগিয়ে আসতে হবে। এ জন্যই কমিউনিটি পুলিশিংয়ের সৃষ্টি।’
আগের যে কোনো সময়ের তুলনায় বর্তমানে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভাল দাবি করে শহীদুল হক বলেছেন, ‘এখনও কিছু ট্রেডিশনাল অপরাধ হচ্ছে, কিন্তু সেগুলো প্রতিরোধের চেষ্টা চলছে। তবে জঙ্গি ও মাদককে আমরা সবচেয়ে বড় অপরাধ বলে চিহ্নিত করেছি। তাই এগুলোকে প্রতিরোধে কাজ করা হচ্ছে, এজন্য জঙ্গিবাদ নির্মূলে জনগণের সহযোগিতা প্রয়োজন।’
সন্তানরা কি করে সেদিকে নজর রাখার জন্য অভিভাবকদের প্রতি অনুরোধ জানান আইজিপি।
বিএনপি জোটের ডাকা হরতাল অবরোধের সময় করা নাশকতার কথা উল্লেখ করে আইজিপি বলেছেন, ‘রাজনৈতিক আন্দোলনের নামে সে সময় যে নাশকতা চালানো হয়েছিল তাতে পুলিশের ১৬ সদস্য প্রাণ হারান। আহত হন তিন শতাধিক আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য। এরপরও আমরা মনোবল হারাই নি। যারা এ ধরণে কর্মকাণ্ডে লিপ্ত ছিলেন তাদের বলতে চাই দয়া করে সংশোধন হোন।’
তিনি আরও বলেছেন, ‘একটি রাজনৈতিক দল সভা সমাবেশ মিছিল করতে পারে, কিন্তু আন্দোলনের নামে পেট্রোল বোমা দিয়ে মানুষ পুড়িয়ে মারবেন সেটা হবে না।’
সমাবেশে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল, ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য কাজী ফিরোজ রশীদ, ঢাকা-৫ আসনের সংসদ সদস্য হাবিবুর রহমান মোল্লা, ঢাকা-৪ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, ডিএমপি কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাসনাত ও সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ বক্তব্য দেন।

সর্বশেষ খবর

আজকের পত্রিকা. কমের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ নিষেধ

Developed by