logo

সোমবার ১১ সেপ্টম্বর ২০১৭, ২৭ ভাদ্র ১৪২৪, ১৯ জিলহজ ১৪৩৮

শিরোনাম

মিয়ানমারে রোহিঙ্গা মুসলমানদের গণহত্যা বন্ধের দাবিতে লন্ডনে বিক্ষোভ
১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৭
আর্ন্তজাতিক ডেস্ক
রোহিঙ্গা মুসলমানদের বিরুদ্ধে চলমান গণহত্যা বন্ধের দাবিতে লন্ডনে বিক্ষোভ করেছে মানবাধিকার কর্মীরা। নীরব গণহত্যা বন্ধে অবিলম্বে পদক্ষেপ নেয়ার জন্য ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মের কাছে আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন ১০ ডাউনিং স্ট্রিটের বাইরে রোববার এ বিক্ষোভ হয়েছে। বিক্ষোভকারীরা মিয়ানমার সরকারের বিরুদ্ধে এবং গণহত্যা বন্ধের দাবিতে নানা শ্লোগান দিয়েছে। এ সব দাবি সংবলিত ব্যানারও তাদের হাতে ছিল।

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য হিসেবে লন্ডনের দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান তারা। এ সময়ে তারা রোহিঙ্গা গণহত্যা বন্ধ করো বলেও শ্লোগান দেয়।

মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশে রোহিঙ্গাদের গ্রামগুলোতে আগুন দেয়ার পাশাপাশি তাদের বিরুদ্ধে অভিযান নেমেছে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী। গত বছরের অক্টোবর থেকে এ তৎপরতা শুরু করা হয়। গত মাসের ২৫ তারিখ থেকে এ তৎপরতা আরো প্রচণ্ড হয়ে ওঠে। এটি বন্ধের আন্তর্জাতিক দাবি উপেক্ষা করে অভিযানকে আরো জোরদার করেন মিয়ানমারের কার্যত সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী নেতা অং সাচ সুকি।

বিভিন্ন দেশে বিক্ষোভ
রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের ওপর মিয়ানমারের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নির্যাতনের প্রতিবাদ জানাচ্ছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মানুষ। দেশটির রাষ্ট্রীয় উপদেষ্টা অং সান সুচি’র প্রতিও ক্ষোভ প্রকাশ করছে তারা।

গতকাল রোববার কানাডার অটোয়ায় মিয়ানমার দূতাবাসের সামনে রোহিঙ্গা গণহত্যা বন্ধের দাবিতে বিক্ষোভ করে কয়েকশ মানুষ।

রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সহিংসতা বন্ধে হাজারো মানুষ বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নেয় যুক্তরাজ্যের লন্ডনে।

এদিকে, মিয়ানমার সীমান্তে দেশটির সেনাবাহিনীর পুঁতে রাখা স্থল মাইন বিস্ফোরণে আহত দুই যুবকসহ আরও পাঁচ রোহিঙ্গা চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে এসেছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও আক্রান্তদের বক্তব্য উদ্ধৃত করে মাইন পুঁতে রাখার প্রমাণ পাওয়ার কথা জানিয়েছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। তবে এ বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে মিয়ানমার সরকার ও সেনাবাহিনী।

বিভিন্ন সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবরে বলা হচ্ছে, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের তিনটি জেলা-- মংডু, বুচিডং ও রাচিডংয়ের সীমান্তবর্তী অন্তত দেড়শ গ্রাম রোহিঙ্গাশূন্য হয়ে পড়েছে। মিয়ানমার সেনাবাহিনীর অভিযানে গ্রামগুলো জ্বালিয়ে দেয়ায়, রোহিঙ্গারা পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে।

এদিকে, রোহিঙ্গা বিদ্রোহীদের সংগঠন আরাকান রোহিঙ্গা সালভ্যাশন আর্মি (আরসা) মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে অস্ত্রবিরতির যে প্রস্তাব দিয়েছিলো, তা প্রত্যাখ্যান করেছে মিয়ানমার সরকার।

সন্ত্রাসিদের সাথে কোনো মধ্যস্থতা করা হবে না বলে এক টুইটবার্তায় জানিয়েছেন মিয়ানমার সরকারের এক মুখপাত্র।

সর্বশেষ খবর

আজকের পত্রিকা. কমের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ নিষেধ

Developed by