logo

রবিবার ১৫ অক্টোবর ২০১৭, ৩০ আশ্বিন ১৪২৪, ২৪ মহররম ১৪৩৮

শিরোনাম

জিয়াউর রহমান ও বিএনপির প্রশংসা ইসির মুখে
১৫ অক্টোবর, ২০১৭
নিজস্ব প্রতিবেদক
জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি প্রতিষ্ঠিত হয়। তাতে অনেক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব যুক্ত হন। এর মধ্য দিয়ে দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা লাভ করে। ১৯৭৯ সালের নির্বাচনে সব দল অংশগ্রহণ করে। তাতে বিএনপি ক্ষমতা গ্রহণ করে।

রোববার বিএনপির সঙ্গে সংলাপের সূচনা বক্তব্যে এসব কথা বলছিলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নুরুল হুদা। এসময় জিয়াউর রহমানসহ বিএনপি সরকারের নানা ইতিবাচক কর্মকাণ্ড তিনি তুলে ধরেন।

সকাল ১১টায় সিইসির সভাপতিত্বে নির্বাচন ভবনে বিএনপির সঙ্গে সংলাপ শুরু হয়। বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে ১৬ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল এ সংলাপে অংশ নেন।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘জিয়াউর রহমান প্রেসিডেন্ট ও দলনেতা হিসেবে ছয় বছর রাষ্ট্র পরিচালনা করেছেন। ১৯৮১ সালের ৩০ মে জিয়ার মৃত্যুর পর বিএনপি প্রায় নয় বছর আন্দোলন সংগ্রাম চালিয়েছে। পরে ১৯৯১ সালে সংসদ নির্বাচনে বিএনপি জয়লাভ করে সরকার গঠন করে। বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০১ সালের সংসদ নির্বাচনে ২১০ আসনে জয়ী হয়ে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি দ্বিতীয়বারের মতো সরকার গঠন করে।’

সংলাপে অংশ নেয়া বিএনপি নেতাদের সম্পর্কে সিইসি বলেন, ‘আজকের সংলাপে যারা অংশগ্রহণ করেছেন তাদের অনেকেই সরকারের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে সংসদ পরিচালনা করেছেন। অনেকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একাধিকবার নির্বাচিত হয়ে দেশ পরিচালনার ভূমিকা রেখেছেন।’

বিএনপি সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড তুলে ধরে নূরুল হুদা বলেন, ‘দেশ পরিচালনাকালে বিএনপি সরকার দেশে বহুবিদ নতুন ধারার প্রবর্তন করেছে। এর মধ্যে রয়েছে প্রাথমিক শিক্ষাকে বাধ্যতামূলককরণ, পৃথক প্রাথমিক গণশিক্ষা বিভাগ প্রতিষ্ঠা, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা, দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত মেয়েদের শিক্ষা অবৈতনিক, র্যা পিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন গঠন, দুর্নীতি দমন কমিশন প্রতিষ্ঠা, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা, আইন কমিশন গঠন, সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩০ বছরে উন্নীতকরণসহ অনেক উন্নয়ন সংস্কারমূলক কার্যক্রম বিএনপি সরকার করেছে।

‘বিএনপি একটি বড় রাজনৈতিক দল। সফল রাষ্ট্র পরিচালনার তাদের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে। এছাড়া বড় রাজনৈতিক দল পরিচালনায়ও তাদের অভিজ্ঞতা রয়েছে।’

তিনি বলেন, বিএনপির সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের আজকের সংলাপের দিকে জাতি তাকিয়ে রয়েছে। নির্বাচন কমিশন অধীর আগ্রহ, গভীর আন্তরিকতা ও খুব ধৈর্য সহকারে অপেক্ষা করছে।’

কমিশন বিএনপির সঙ্গে সফল সংলাপ প্রত্যাশা করে বলেও প্রধান নির্বাচন কমিশনার মন্তব্য করেন।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে বিএনপি প্রতিনিধি দলে রয়েছেন, দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, তরিকুল ইসলাম, লে. জে. (অব.) মাহবুবুর রহমান, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, মির্জা আব্বাস, ড. আবদুল মঈন, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ, আব্দুর রশিদ সরকার, আব্দুল হালিম, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী প্রমুখ। তবে অসুস্থতার কারণে অংশ নিতে পারেননি এমকে আনোয়ার।

বিএনপির পক্ষ থেকে ২০টি প্রস্তাবনা লিখিত আকারে ইসিকে প্রদান করা হয়।

সর্বশেষ খবর

আজকের পত্রিকা. কমের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ নিষেধ

Developed by