logo

রবিবার ২২ অক্টোবর ২০১৭, ৭ কার্তিক ১৪২৪, ১ সফর ১৪৩৯

শিরোনাম

জিয়া অরফানেজ মামলায় সাক্ষীদের পুনর্জেরা নামঞ্জুর
২২ অক্টোবর, ২০১৭
নিজস্ব প্রতিবেদক
জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় নয়জন সাক্ষীর পুনর্জেরা এবং দুজনকে নতুন করে জেরার আবেদন নামঞ্জুর করে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার করা আবেদনটি নিষ্পত্তি করে দিয়েছেন হাইকোর্ট।

আদেশে আদালত বলেছেন, এ মামলায় তারেক রহমানের পক্ষে এসব সাক্ষীর গ্রহণ করা জেরা খালেদা জিয়ার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা যাবে।

আজ রোববার বিচারপতি শওকত হোসেন ও বিচারপতি নজরুল ইসলাম তালুকদারের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

তবে এ আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হবে বলে জানিয়েছেন খালেদা জিয়ার আইনজীবী জাকির হোসেন। খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী, মাহবুবউদ্দিন খোকন ও জাকির হোসেন। অন্যদিকে দুদকের পক্ষে ছিলেন খুরশিদ আলম খান।

গত ১৭ অক্টোবর শুনানি শেষে আজ আদেশের জন্য দিন ধার্য করে দিয়েছিলেন আদালত।

গত ২৭ জুলাই এ মামলার নয় সাক্ষীকে জেরা ও দুই সাক্ষীকে পুনর্জেরার আবেদন নাকচ করে দিয়েছিলেন বিচারিক আদালত। পুরান ঢাকার বকশীবাজারে কারা অধিদপ্তরের প্যারেড মাঠে স্থাপিত পঞ্চম বিশেষ জজ ড. আখতারুজ্জামান এ আদেশ দেন। এর বিরুদ্ধে আবেদন করেন খালেদা জিয়া। শুনানি শেষে আগামী ২২ অক্টোবর আদেশের দিন ধার্য করা হয়।

খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলা থেকে জানা যায়, ২০০৫ সালে কাকরাইলে সুরাইয়া খানমের কাছ থেকে ‘শহীদ জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট’-এর নামে ৪২ কাঠা জমি কেনা হয়। কিন্তু জমির দামের চেয়ে অতিরিক্ত এক কোটি ২৪ লাখ ৯৩ হাজার টাকা জমির মালিককে দেওয়া হয়েছে বলে কাগজপত্রে দেখানো হয়, যার কোনো বৈধ উৎস ট্রাস্ট দেখাতে পারেনি। জমির মালিককে দেওয়া ওই অর্থ ছাড়াও ট্রাস্টের নামে মোট তিন কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা অবৈধ লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে।

২০১০ সালের ৮ আগস্ট জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়াসহ চারজনের নামে তেজগাঁও থানায় দুর্নীতির অভিযোগে এ মামলা করেছিলেন দুর্নীতি দমন কমিশনের সহকারী পরিচালক হারুন-অর-রশিদ।

এ মামলার অপর আসামিরা হলেন—খালেদা জিয়ার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছের তখনকার সহকারী একান্ত সচিব ও বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ চলাচল কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) নৌ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।

অন্যদিকে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট থেকে জানা যায়, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের দুই কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৩ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়া, তারেক রহমানসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় একটি মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

মামলায় খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন—মাগুরার সাবেক সংসদ সদস্য কাজী সালিমুল হক কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমান।

সর্বশেষ খবর

আজকের পত্রিকা. কমের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ নিষেধ

Developed by