logo

রবিবার ১২ নভেম্বর ২০১৭, ২৮ কার্তিক ১৪২৪, ২২ সফর ১৪৩৯

শিরোনাম

জাতীয় সংসদে বছরের শেষ অধিবেশন শুরু
১২ নভেম্বর, ২০১৭
নিজস্ব প্রতিবেদক
দশম জাতীয় সংসদের ১৮তম ও চলতি ২০১৭ সালের শেষ অধিবেশন শুরু হয়েছে। রোববার বিকাল ৪টা ১০ মিনিটে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অধিবেশন বসে।

শুরুতেই চলতি অধিবেশনের জন্য প্যানেল সভাপতি মনোনয়ন দেন স্পিকার। এরপর প্রয়াত সংসদ সদস্য ও বিশিষ্টজনদের নামে শোক প্রস্তাব আনা হয়।

অধিবেশন শুরুর আগে স্পিকারের সভাপতিত্বে কার্য উপদেষ্টা কমিটির বৈঠকে চলতি অধিবেশন ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত চালানোর সিদ্ধান্ত হয়। প্রতিদিন বিকাল ৪টা থেকে অধিবেশন শুরু হবে। প্রয়োজনে স্পিকার এ সময়সীমা বাড়াতে বা কমাতে পারবেন।

এই অধিবেশনে ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি, রোহিঙ্গা ইস্যু ও সিপিএ সম্মেলন নিয়ে আলাদাভাবে বিশেষ বিধিতে সাধারণ আলোচনার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এছাড়া তিনটি বিল পাস ও ৪টি বিল উত্থাপন করা হবে।

কার্য উপদেষ্টা কমিটির বৈঠকে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ, হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ, আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমদ, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, মো. ফজলে রাব্বী মিয়া, আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ, রাশেদ খান মেনন, আ স ম ফিরোজ, মঈন উদ্দীন খান বাদল বৈঠকে অংশ নেন।

এ ছাড়াও সংসদের সিনিয়র সচিব ড. মো. আবদুর রব হাওলাদারসহ সংসদ সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে অধিবেশনকে সামনে রেখে সংসদ ভবন এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা বেষ্টনী গড়ে তোলা হয়। সকাল থেকেই চারপাশে অবস্থান নেয় বিপুলসংখ্যক র‌্যাব ও পুলিশসহ আইন-শৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা। যে কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে জলকামান থেকে শুরু করে সব ধরনের ব্যবস্থা রাখে প্রশাসন।

এমনকি সংসদ ভবনে প্রবেশ নিয়েও ছিল কঠোর কড়াকড়ি। সাংবিধানিক বাধ্য-বাধকতার কারণে আহ্বান করা এই অধিবেশনে সরকার ও বিরোধীদলীয় সদস্যদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ দেখা গেছে।

প্যানেল সভাপতি ৫ জন : ১৮তম অধিবেশন পরিচালনার জন্য পাঁচজনকে প্যানেল সভাপতি মনোনীত করা হয়েছে। তারা হলেন- মেজর (অব.) রফিকুল ইসলাম (বীরবিক্রম), মো. তাজুল ইসলাম, আব্দুল মান্নান, জিয়াউল হক মৃধা ও জয়া সেনগুপ্তা। স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের অনুপস্থিতিতে তাদের মধ্য থেকে একজন সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

শোক প্রস্তাব গ্রহণ : অধিবেশনের শুরুতে শোক প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। উল্লেখযোগ্যদের মধ্যে ছিলেন সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুর রহমান বিশ্বাস, সাবেক মন্ত্রী ও সংসদ সদস্য এমকে আনোয়ার, সাবেক সংসদ সদস্য ও প্রাদেশিক পরিষদ সদস্য সরদার মোশাররফ হোসেন এবং সাবেক সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম, মোফাজ্জেল হোসেন ও মো. মর্তুজা হোসেন। এ ছাড়াও জনপ্রশাসনমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের স্ত্রী শিলা ইসলাম, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সচিব এএম নূরুল ইসলাম, প্রখ্যাত ক্রীড়াবিদ শামসুল আলম মোল্লা, মুক্তিযোদ্ধা নজিবুল হক সরদার, একাত্তরের গেরিলা যোদ্ধা আবুল মাসুদ সাদেক চুল্লু, প্রকৃতিপ্রেমিক লেখক দ্বিজেন শর্মা, ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের নেতা জসিম উদ্দিন মণ্ডল, স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের সদস্য অমলেশ সেন এবং বাংলাদেশের বন্ধু ফাদার মারিনো রিগনসহ আরও অনেকের নামে শোক প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়।

শোক প্রস্তাবে প্রয়াতদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদনের পাশাপাশি শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনাও জ্ঞাপন করা হয়।

সর্বশেষ খবর

আজকের পত্রিকা. কমের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ নিষেধ

Developed by