logo

শনিবার ১৮ নভেম্বর ২০১৭, ৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৪, ২৮ সফর ১৪৩৯

শিরোনাম

মেজর জলিলকে ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ খেতাবে ভূষিত করার দাবি
১৮ নভেম্বর, ২০১৭
নিজস্ব প্রতিবেদক
মহান মুক্তিযুদ্ধের ৯ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার মেজর এম এ জলিলকে ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ খেতাবে ভূষিত করার দাবি জানিয়েছেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সভাপতি আ স ম আব্দুর রব।

তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধে অবদান রাখার জন্য অন্যান্য কমান্ডারা বিভিন্ন খেতাব পেলেও মেজর এম এ জলিল কোনো সম্মানজনক খেতাব পাননি।

শনিবার রাজধানীর মতিঝিলে পাঁচ ফোড়ন রেস্টুরেন্টে মেজর এম এ জলিলের ২৮তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ সব কথা বলেন।

বরিশাল বিভাগ সমিতি এ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

আ স ম আব্দুর রব বলেন, শুধুমাত্র অন্যায়ের প্রতিবাদ করায় তাকে কোনো খেতাব দেওয়া হয়নি। পরাজিত পাকিস্তানিদের ফেলে যাওয়া অস্ত্র লুট করার প্রতিবাদ করেছিলেন তিনি। এটাই ছিল তার অন্যায়। যিনি লোভ, লালসা বাদ দিয়ে মুক্তিযুদ্ধ করলেন, জাতি তাকে স্বীকৃতিটুকুও দিলো না।

তিনি আরো বলেন, কেউ স্বীকৃতি না দিলেও যতদিন বাংলাদেশ থাকবে, ততদিন মেজর জলিলও থাকবেন।

এসময় তিনি বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ সম্পর্কে বলেন, ৭ মার্চের ভাষণে আমার ও সিরাজুল আলম খানের অবদান রয়েছে। বঙ্গবন্ধুর ভাষণে ‘এবারের সংগ্রাম, মুক্তির সংগ্রাম’ এটা সিরাজুল আলম খান অন্তর্ভুক্ত করেছিলেন।

আ স ম আব্দুর রব বলেন, শেখ মুজিবুরের জন্য রাজনীতি করেছি। তার জন্য জীবন দিতে গিয়েছিলাম। তার জন্য রাজনীতিও ছেড়েছি। তিনি চাইলে আমায় একাধিকবার হত্যা করতে পারতেন। তার দল ত্যাগের পরেও তিনি আমার খোঁজখবর রাখতেন। আসলে বঙ্গবন্ধু মহান নেতা। তাকে একটি পরিবার ও দলে সীমাবদ্ধ রাখলে তাকে ছোট করা হয়।

আয়োজক সংগঠনের উপদেষ্টা ও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আপিল বিভাগের সদ্য অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি নিজামুল হক নাসিমের সভাপতিত্বে এ সময় আরো বক্তৃতা করেন, মেজর এম এ জলিলের বড় মেয়ে ব্যারিস্টার সারাহ জলিল, বরিশাল বিভাগ সমিতির সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল কবির দুলু প্রমুখ।

অনুষ্ঠান থেকে বরিশাল বিভাগ সমিতির ওয়েবসাইট উদ্বোধন করা হয়।

সর্বশেষ খবর

আজকের পত্রিকা. কমের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ নিষেধ

Developed by