logo

মঙ্গলবার ৫ ডিসেম্বর ২০১৭, ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৪, ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৩৯

শিরোনাম

বহুদলীয় রাজনীতি পুনঃপ্রবর্তন করেন জিয়াউর রহমান : খালেদা জিয়া
০৫ ডিসেম্বর, ২০১৭
নিজস্ব প্রতিবেদক
বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বলেছেন, বহুপক্ষীয় ও বহুদলীয় সাংবিধানিক রাজনীতির পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছিলেন স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। স্বৈরাচার পতন দিবস উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার দেওয়া বাণীতে তিনি এ কথা বলেন।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, ‘৬ ডিসেম্বর আমাদের জাতীয় ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় দিন। ১৯৯০ সালের এ দিনে দীর্ঘ ৯ বছরের অগ্নিঝরা আন্দোলনের পর পতন ঘটেছিল সামরিক স্বৈরশাসক এরশাদের। যে স্বৈরশাসক এরশাদ ৮২-র ২৪ মার্চ পেশাগত বিশ্বস্ততা ও শপথ ভেঙে বন্দুকের নলের মুখে নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি বিচারপতি সাত্তারকে ক্ষমতাচ্যুত করে সাংবিধানিক রাজনীতি স্তব্ধ করেছিল। যে সাংবিধানিক রাজনীতি ছিল বহুপাক্ষিক ও বহুদলীয়। যার পুনঃপ্রবর্তন করেছিলেন স্বাধীনতার মহান ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। স্বৈরাচারী এরশাদ একে একে সকল গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক বিকাশকে করেছিল বাধাগ্রস্ত। এই দিনে ছাত্র-জনতার মিলিত সংগ্রামে স্বৈরাচারকে পরাজিত করে মুক্ত হয়েছিল আমাদের গণতন্ত্র।’

বিএনপি নেত্রী বলেন, ‘আজকের এ দিনে আমি ’৮২ থেকে ’৯০ সাল পর্যন্ত রক্তস্নাত স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে আত্মদানকারী বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই এবং তাঁদের রুহের মাগফিরাত কামনা করি। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের এ স্মরণীয় দিনে আমি শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী গণতন্ত্রের হেফাজতকারী দেশবাসীকে।’

বাণীতে খালেদা জিয়া আরো বলেন, ‘আমাদের গণতন্ত্র বারবার হোঁচট খেয়েছে তার অগ্রযাত্রায়। কিন্তু এদেশের গণতন্ত্রপ্রিয় মানুষ সকল বাধাকে অতিক্রম করে গণতন্ত্রের পথচলাকে নির্বিঘ্ন করেছে। শত শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত গণতন্ত্র এখনো শঙ্কামুক্ত নয়। নিষ্ঠুর কর্তৃত্ববাদী একদলীয় শাসনের চরিত্রগুলো ক্রমশ ফুটে উঠছে বর্তমান শাসক গোষ্ঠীর আচরণে। ৫ জানুয়ারি একতরফা নির্বাচন করে আবারও সারা জাতিকে একদলীয় নিষ্ঠুর শাসনের শৃঙ্খলে বন্দি করে মানুষের নাগরিক স্বাধীনতাকে করা হয়েছে বিপন্ন। একদলীয় বাকশালী চেতনার দল ও আশির দশকের গণতন্ত্র হত্যাকারী স্বৈরাচার একত্রিত হয়ে দেশের সকল গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ক্রমান্বয়ে ধংসস্তূপে পরিণত করছে। সকল দলের মিলিত ইচ্ছায় নিরপেক্ষ, নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা এরা সংবিধান থেকে মুছে দিয়েছে। এই অগণতান্ত্রিক অপশক্তি সংবিধান বর্ণিত জনগণের মৌলিক অধিকার ক্রমাগতভাবে হরণ করে যাচ্ছে। এই অপশক্তিকে প্রতিহত করে গণতন্ত্রকে স্থায়ী রূপ দিতে দেশবাসীকে আজকের এই দিনে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার জন্য আহ্বান জানাই।’

সর্বশেষ খবর

আজকের পত্রিকা. কমের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ নিষেধ

Developed by