logo

শনিবার, ১৭ মার্চ ২০১৮, ৩ চৈত্র ১৪২৪, ২৮ জমাদিউস সানি ১৪৩৯

নেপালে বিমান বিধ্বস্তে আহত দু’জনের অবস্থা গুরুতর
১৭ মার্চ, ২০১৮
নিউজ ডেস্ক
নেপালের ত্রিভুবন বিমানবন্দরে ইউএস-বাংলার বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় আহত দু’জনের অবস্থা গুরুতর। তাদের একজন ইমরানা কবীরকে আজ নেপাল থেকে চিকিৎসার জন্য সরাসরি সিঙ্গাপুরে নিয়ে যাওয়া হবে এবং কবীর হোসেনকে আগামীকাল ঢাকায় আনা হবে।

এছাড়াও আহত শাহীন বেপারিকে আগামীকাল ঢাকায় আনার সিদ্ধান্ত হয়েছে এবং ইয়াকুব নামে আরেকজন আহত ব্যক্তিকে নেপালে রেখেই চিকিৎসা দেওয়া হবে।

শনিবার বেলা ১২টায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল প্রশাসনিক ভবনের সেমিনার কক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানানো হয়। স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক এএইচএন এনায়েত হোসেন এসব তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘নেপালি ও বাংলাদেশি মিলিয়ে মোট ৪৯ জনের পোস্টমর্টেম হয়েছে নেপালে। বৃহস্পতিবার পোস্টমর্টেম হয়েছে ৩৫ জনের ও শুক্রবার হয়েছে ২৪ জনের। সেখানে এখনও আহত অবস্থায় থাকা পাঁচ জনের মধ্যে দু’জনের অবস্থা গুরুতর। তারা হলেন- ইয়াকুব আর ইমরানা।’ আহত রুবাইয়াতকে আজ দেশে আনা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘বাংলাদেশ থেকে নেপালে যাওয়া ফরেনসিক টিম দেশের পাসপোর্ট অফিসে থেকে বাংলাদেশি বিমানযাত্রীদের শনাক্তকরণ চিহ্ন ও ফিঙ্গারপ্রিন্ট সঙ্গে নিয়ে গেছেন। নিহতদের মধ্যে কারও কাপড়, ঘড়ি, গহনা দেখে শনাক্ত করার চেষ্টা করা হবে। যাদের সহজে চিহ্নিত করা যাবে না। তাদের ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে শনাক্তকরণ করা হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘যে সাত জন ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ টিম সেখানে গেছেন, তাদের প্রধান ড. সোহেল মাহমুদ সেখানে থাকবেন। বাকিরা দেশে ফিরবেন।’ প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সম্পূর্ণ সরকারি খরচে আহতদের চিকিৎসা চলছে বলেও জানান তিনি।

এসময় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের সমন্বয়ক ড. সামন্ত লাল সেন বলেন, ‘আগামী দুই সপ্তাহ এই রোগীদের যেন নেপাল ট্রাজেডি সম্পর্কে কোনও প্রশ্ন করা না হয়।’ এজন্য গণমাধ্যমের কাছে অনুরোধ জানান তিনি।

নেপাল থেকে এখন পর্যন্ত যে চার জন রোগীকে দেশে এনে ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে তাদের মানসিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা করার জন্য পরামর্শ দিয়েছেন ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব মেন্টাল হেলথ-এর পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. ফারুক আলম এবং ঢামেক-এর মানসিক স্বাস্থ্য বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন। তারা জানান, তাদের (আহতদের) ট্রমা তেমন গুরুতর নয়। তবে এই রোগীদের মানসিক স্বাস্থ্য সংক্রান্ত চিকিৎসা দেওয়া লাগবে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল একেএম নাসিরউদ্দিন।

উল্লেখ্য, এর আগে দুই দফায় চার জনকে নেপাল থেকে এনে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। তাদের অবস্থা গুরুতর নয় বলে জানিয়েছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

সর্বশেষ খবর

আজকের পত্রিকা. কমের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ নিষেধ

Developed by