logo

সোমবার, ১৮ জুন ২০১৮, ৪ আষাঢ় ১৪২৫, ৩ শাওয়াল ১৪৩৯

শিরোনাম

ঈদে আ. লীগ ছাড়া অন্য কোনও দলের তৎপরতা চোখে পড়েনি: তোফায়েল
১৮ জুন, ২০১৮
নিউজ ডেস্ক
বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, ‘এবারের ঈদ ভালো হয়েছে। হাজার হাজার মানুষ গ্রামে গেছেন। সরকারের সামর্থ্য অনুযায়ী আমরা সাহায্য করেছি। অনেকে মনে করেন, সামনে নির্বাচন তাই সাহায্য-সহযোগিতা করেছি। এটা ঠিক না। আমি প্রতি বছরই সামর্থ্য অনুযায়ী সাহায্য-সহযোগিতা করি। আমি অবাক ও বিস্ময়ের সঙ্গে এবার লক্ষ করেছি, আগামী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের যে তৎপরতা ছিল অন্য কোনও দলের সে তৎপরতা চোখে পড়ে নাই। যারা আগামী নির্বাচনে প্রার্থী হবেন তারাও এলাকায় যাননি। কেন এটি হলো তা আমি জানি না।’

সোমবার (১৮ জুন) সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়কালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘গ্রামের মানুষ আমাকে বলেছেন, এবার নিত্যপণ্যের দাম সহনীয় ছিল। রোজার সময় এত পণ্যের মজুত রেখেছি যাতে দাম বাড়েনি। তাই বাজার এবার স্বাভাবিক ছিল বলে গ্রামবাসী আমাকে জানিয়েছেন। সাংবাদিকরাও ভালো সংবাদ পরিবেশ করেছেন। এজন্য আমি তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ।’

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়া জেলে আছেন। দুর্নীতির অভিযোগে আদালত তাকে সাজা দিয়েছেন। এখানে আমাদের কিছু করার নেই। দলের নেতারা তার মুক্তির জন্য কাজ করছেন। তারা এ মুক্তির জন্য আন্দোলনও করতে পারে। কিন্তু সেই আন্দোলন যদি ২০১৩, ২০১৪ সালের মতো করার কথা ভাবে তার সুযোগও নেই, সামর্থ্যও নেই। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কাউকে আইন নিজের হাতে তুলে নিতে দেবে না। কাজেই আগের মতো আন্দোলনের চিন্তা করা হবে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার মতো আরেকটি ভুল। ওই নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার কারণে বিএনপির এই নাজুক অবস্থা।’

তিনি বলেন, ‘আমরা নির্বাচন করেছি। আমাদের দলের সংসদ সদস্যরা আইপিও, সিপিও সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। বিশ্ববাসী এই নির্বাচনের স্বীকৃতি দিয়েছেন আমাদের দলের নির্বাচিত সদস্যদের এসব সংস্থার সদস্য করে।’

আরেক প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আদালতে গিয়ে আত্মসমর্পণ করে ঘরে ফিরেছিলেন খালেদা জিয়া। তিনি বলেছিলেন, শেখ হাসিনার পতন না ঘটিয়ে তিনি ঘরে ফিরবেন না। তিনি ঘরে ফিরেছেন আর শেখ হাসিনা বিশ্বদরবারের সম্মান নিয়ে এখন বাংলাদেশ পরিচালনা করছেন। আন্দোলন করে ২০১৩, ২০১৪ সালে যেমন ব্যর্থ হয়েছেন, ’১৮ সালেও ব্যর্থ হবেন। ২০১৯ সালের ২৯ জানুয়ারি পর্যন্ত বর্তমান সংসদের মেয়াদ আছে। এর ৯০ দিন আগে যেকোনও দিন নির্বাচন হবে। ক্ষমতাসীন দল রাষ্ট্র পরিচালনা করবে সেই সময়, ক্ষমতায় থাকবেন। আর বর্তমান নির্বাচন কমিশন নির্বাচন পরিচালনা করবে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাংলাদেশে আর হবে না। সহায়ক সরকার বলতে কিছু আছে বলে আমি জানি না।’

খালেদা জিয়ার চিকিৎসা ইস্যুতে তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু হাসপাতাল এবং সিএমএইচ সেনাবাহিনী দ্বারা পরিচালিত। বিএনপি সবসময় নির্বাচনে সেনাবাহিনী চায়, কিন্তু সেনাবাহিনী দ্বারা পরিচালিত হাসপাতালে তাদের ভরসা নেই। আমি বুঝি না একজন অসুস্থ মানুষ তার পছন্দের হাসপাতাল না হওয়ায় সময়ক্ষেপণ করেন কীভাবে। অসুস্থ রোগীকে যে হাসপাতালে নেবেন সেখানেই যাবেন।’

কারাবন্দি থাকা অবস্থায় মোহাম্মদ নাসিম ল্যাব এইডে আর শেখ হাসিনা স্কায়ারে যেতে পারলে খালেদা জিয়া কেন ইউনাইটেডে যেতে পারবেন না—এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমাদের নেত্রীকে সংসদের যে বাড়িতে জেলখানা বানিয়ে রাখা হয়েছিল তার কাছাকাছি হাসপাতাল স্কয়ারই ছিল। তাই তৎকালীন কর্তৃপক্ষ সেখানে তাকে নিয়েছেন। স্কয়ার আমাদের নেত্রীর পছন্দের হাসপাতাল ছিল না। কর্তৃপক্ষ যেখানে নিয়েছেন সেখানে গেছেন। আর নাসিমকেও তৎকালীন কর্তৃপক্ষ ল্যাবএইডে চিকিৎসা করিয়েছেন। কা

সর্বশেষ খবর

আজকের পত্রিকা. কমের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ নিষেধ

Developed by