logo

বুধবার, ০৮ আগস্ট ২০১৮, ২৪ শ্রাবণ ১৪২৫, ২৫ জিলকদ ১৪৩৯

আবারও ডিবি হেফাজতে শহীদুল আলম
০৮ আগস্ট, ২০১৮
নিউজ ডেস্ক
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে ডিবি হেফাজতে নেয়া হয়েছে শহীদুল আলমকে। বুধবার সকালে উচ্চ আদালতের আদেশে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য তাকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে আনা হয়। তার স্বাস্থ্য পরীক্ষায় এ সময় ৩ সদস্যের একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তার শরীরে কোনো সমস্যা নেই বলে জানায় মেডিকেল বোর্ড।

পরে দুপুর ২টার দিকে তাকে পুনরায় ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। মেডিকেল বোর্ডের প্রধান ও বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহ যুগান্তরকে বলেন, আমিসহ অর্থপেডিক বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. আবু জাফর চৌধুরী বিরু এবং সার্জারি বিভাগের অধ্যাপক ডা. তৌহিদুল আলমকে নিয়ে মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়।

আমরা তার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে কোনো সমস্যা পাইনি। এমনকি তার শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্নও নেই। তার রক্তচাপও স্বাভাবিক ছিল। এসব বিবেচনায় তাকে হাসপাতালে রেখে চিকিৎসা করার প্রযোজন নেই বলে সিদ্ধান্ত নেয় বোর্ড।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, শহীদুল আলমের পরীক্ষ-নিরীক্ষা করার জন্য হাসপাতালের ৫১২ নম্বর কেবিনে ওঠানো হয়। পরে সেখান থেকেই দুপুর ২টায় তাকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে যাওয়া হয়।

এ সময় হাসপাতাল এলাকায় উপস্থিত হয়েছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনগুলোর নেতাকর্মীসহ আইনজীবীরা।

এ সময় ব্যারিস্টার সারা হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ওনার (ফটোগ্রাফার শহীদুল আলম) এখানে ভালো চিকিৎসা হচ্ছে তা আমরা নিশ্চিত হতে পেরেছি। মেডিকেল বোর্ডের মাধ্যমে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

কিন্তু এদিকে সরকারপক্ষ থেকে ওনার গতকালকের রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ থেকে আবেদন করা হয়েছে। যেখানে পরিস্থিতি ঠান্ডা করার চেষ্টা করা হচ্ছে সেখানে তারা আরও জটিল করার চেষ্টায় আছেন। এটার কারণটা আমরা বুঝতে পারছি না। ৫৭ ধারা তথ্যপ্রযুক্তি আইন থেকে বিলুপ্তির সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ক্যাবিনেট মিটিং-এ প্রধানমন্ত্রী নিজে এই আইনটি বাতিলের সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন। তারপরও কেন ৫৭ ধারা প্রয়োগ করে ভোগান্তিতে ফেলা হচ্ছে সেটাই আমাদের প্রশ্ন। এটি ত্রুটিপূর্ণ ধারা। এটা নির্যাতন করার জন্য একটি সুবিধাজনক আইন।

এ সময় তার স্ত্রী অধ্যাপক রেহনুমা আহমেদ বলেন, আজ তার সঙ্গে আমার তেমন কথা হয়নি। তিনি শুধু বলেছেন ‘এখন আমার হাতে ক্যামেরাটা থাকা দরকার ছিল।’

এছাড়া তিনি পরিবারের সদস্যদের খোঁজখবর নেন এবং সবাইকে ভেঙে না পড়তে পরামর্শ দেন।

সর্বশেষ খবর

আজকের পত্রিকা. কমের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ নিষেধ

Developed by