logo

মঙ্গলবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০৩ আশ্বিন ১৪২৫, ৭ মহররম ১৪৪০

ইভিএমের ভাগ্য জানা যাবে আজ
১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৮
নিউজ ডেস্ক
প্রকল্প প্রস্তাব একনেকে উঠছে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার নিয়ে চলছে বিতর্ক। ইভিএম নিয়ে সমালোচনায় মুখর সরকারবিরোধী দলগুলো। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও সময় নেয়ার পক্ষে মত দিয়েছেন। এর মধ্যেই তিন হাজার ৮২১ কোটি সাত লাখ টাকা ব্যয়ে প্রকল্প অনুমোদনের চেষ্টা করছে পরিকল্পনা কমিশন।


আজ মঙ্গলবার দুপুরের পর এ প্রকল্পের ভাগ্য জানা যাবে। কারণ আজ জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে। বৈঠক শেষে জানা যাবে এটি প্রধানমন্ত্রী অনুমোদন দেন কি না।

সূত্র জানিয়েছে, পরিকল্পনা মন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করবেন।

নির্বাচনী আইনের সংস্কার, রাজনৈতিক দলের মতামতসহ সবকিছু ঠিক থাকলে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এক-তৃতীয়াংশ আসনে ইভিএম ব্যবহার করতে চায় নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এজন্য প্রকল্প প্রস্তাব পরিকল্পনা কমিশনে পাঠায় তারা।

ইসির পাঠানো প্রকল্প প্রস্তাবনায় দেখা গেছে, নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের তিন হাজার ১১০ জন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নির্বাচন প্রক্রিয়ার বিষয়ে সামগ্রিক দক্ষতা বৃদ্ধি, নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ বিষয়ক জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রকল্পটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

প্রস্তাবনায় ইসি জানিয়েছে, বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠানের মূল দায়িত্ব হলো জাতীয় সংসদ ও স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পন্ন করা। প্রস্তাবনায় ইভিএমের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরেছে সংস্থাটি।

ইভিএম ব্যবহারের জন্য গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সংশোধনের সিদ্ধান্তের কথা গত ৩০ আগস্ট জানায় নির্বাচন কমিশন।

পরিকল্পনা কমিশনের একটি সূত্র জানায়, প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য অনেকটা তাড়াহুড়ো করা হচ্ছে। দেড় লাখ ইভিএম কেনার প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (পিইসি) সভার তারিখ ছিল গত ১৯ আগস্ট, যা স্থগিত হয়ে যায়।

জানা গেছে, নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে প্রকল্প অনুমোদনের আগেই ব্যাংকে এসব যন্ত্রপাতি আনতে এলসিও (ঋণপত্র) খোলা হয়েছে।

পরিকল্পনা কমিশন সূত্র আরও জানায়, মাত্র দেড় লাখ ইভিএম সিস্টেম এবং সংশ্লিষ্ট যন্ত্রপাতি কেনার জন্য প্রকল্পটির প্রস্তাবিত ব্যয় ধরা হয়েছে তিন হাজার ৮২১ কোটি সাত লাখ টাকা। এতে প্রতি ইউনিট ইভিএমের দাম পড়বে প্রায় দুই লাখ টাকা।

প্রকল্পটি বাস্তবায়নের মেয়াদ চলতি বছর থেকে ২০২৩ সালের জুন পর্যন্ত। যদিও বর্তমান সরকারের মেয়াদ ২০১৯ সালের জানুয়ারিতে শেষ হবে। তার আগে ডিসেম্বরে নতুন সরকার গঠনের জন্য জাতীয় সংসদ নির্বাচন হওয়ার কথা। সেক্ষেত্রে ভোটের বাকি মাত্র কয়েক মাস।

সর্বশেষ খবর

আজকের পত্রিকা. কমের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ নিষেধ

Developed by