logo

বৃহস্পতিবার, ১৫ নভেম্বর ২০১৮, ১লা অগ্রহায়ণ ১৪২৫, ০৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪০

নয়াপল্টনে কি হয়েছে পুলিশের কাছে জানতে চাইবে ইসি
১৫ নভেম্বর, ২০১৮
নিউজ ডেস্ক
নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বলেছেন, পল্টনের বিষয়টা একটা অনাকাক্সিক্ষত ঘটনা। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দলীয় মনোনয়ন ফরম বিক্রির সময় নয়াপল্টনে বিএনপির কার্যালয়ের সামনে কী হয়েছে, তা পুলিশের কাছে জানতে চাইবে নির্বাচন কমিশন।

নির্বাচন ভবনে বুধবার জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট এবং আওয়ামী লীগের প্রতিনিধিরা নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে পৃথক বৈঠক করার পর ইসি সচিব সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

হেলালুদ্দীন আহমদের কাছে নির্বাচন পেছানোর বিষয়ে আওয়ামী লীগ ও ঐক্যফ্রন্টের পরস্পরবিরোধী অবস্থানের বিষয়ে ইসির সিদ্ধান্তের কথা জানতে চাওয়া হয়। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন বলেছে জানুয়ারিতে অনেক বিষয় আছ। রি-ইলেকশন করতে গেজেটের ব্যাপার আছে। বিশ্ব ইজতেমার ব্যাপার আছে। সব কিছু মিলিয়ে জানুয়ারিতে করা হলে নির্বাচনটা আমাদের জন্য অনেক কষ্টদায়ক হয়ে যাবে। কমিশন বসে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে জানাবে।

রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে দলটির নেতাকর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষের বিষয়ে ইসি সচিব বলেন, পল্টনের বিষয়টা একটা অনাকাক্সিক্ষত ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার জন্য নির্বাচন কমিশন দুঃখ পেয়েছে। বিষয়টি কমিশন খতিয়ে দেখবে। এরপর ব্যবস্থা নেয়া হবে। আসলে ওখানে বিষয়টা কি হয়েছে এটা পুলিশ বিভাগ থেকে জানতে চাওয়া হবে।

সচিব বলেন, যখন তফসিল ঘোষণা করা হয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ জনপ্রশাসন নির্বাচন কমিশনের অধীনে চলে আসে। সুতরাং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নির্বাচন কমিশনের ওপর ন্যস্ত। নির্বাচন কমিশন যেভাবে তাদের নির্দেশনা দেবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সেভাবে কাজ করবে। হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন- আমরা লক্ষ্য করেছি, জোটগুলো মনোনয়নপত্র গ্রহণ ও জমা দেয়ার সময় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। কোনো অনাকাক্সিক্ষত ঘটনা যেন না হয়, সে বিষয়ে নজর রাখবে কমিশন।

ইসি সচিব বলেন, নির্বাচন কমিশন সব দলকে আস্থায় রেখে নির্বাচন করতে চায়। আমরা এখনও বলি মনোনয়নপত্র জমা দেয়া ও বিতরণ একটা উৎসবের অংশ। আমাদের দেশের মানুষ ভোট বিষয়টা উৎসব হিসেবে নেন। পছন্দ করেন। খালেদা জিয়ার নির্বাচনে অংশ নেয়ার বিষয়ে হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, সংবিধানে যেটা বলা আছে ওইভাবেই অনুসরণ করতে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের বলা হয়েছে।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি আরও বলেন, আমরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে যে চিঠিটা দিয়েছি, এটা সবার জন্য প্রযোজ্য। যখন রিটানিং কর্মকর্তাদের কাছে মনোনয়নপত্র জমা দিতে তারা যাবেন, তখন যেন শোডাউন না হয়। সে ধরনের একটা সতর্কতা দিয়েছি।

পুলিশের মহাপুলিশ পরিদর্শককে (আইজিপি) বলেছি, তার পাশাপাশি রিটার্নিং কর্মকর্তাদের এ ব্যাপারে নির্দেশনা দিয়েছি। যাতে আচরণবিধি ভঙ্গ না হয়। মনোনয়ন ফরম বিক্রি নিয়ে দলগুলোর কার্যালয়ের সামনে যেহেতু জনদুর্ভোগ হচ্ছে বলে আমরা গণমাধ্যম থেকে জানতে পেরেছি, ওই হিসেবে যাতে কোনো দুর্ভোগ না হয় সে দিকে খেয়াল রাখতে বলেছি।

ইসি ঘোষিত পুনঃতফসিল অনুযায়ী ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ২৮ নভেম্বর। মনোনয়নপত্র বাছাই ২ ডিসেম্বর। আর প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ৯ ডিসেম্বর।

সর্বশেষ খবর

আজকের পত্রিকা. কমের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ নিষেধ

Developed by