logo

শনিবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৮, ০৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৫,০৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪০

সময় খুব কম, দেরি করা যাবে না: ড. কামাল
১৭ নভেম্বর, ২০১৮
নিউজ ডেস্ক
জাতীয় আইনজীবী ঐক্যফ্রন্টের মহাসমাবেশে বক্তব্য দেন ড. কামাল হোসেন। জাতীয় আইনজীবী ঐক্যফ্রন্ট আয়োজিত আইনজীবীদের মহাসমাবেশে যোগ দিয়ে আওয়ামী লীগ সরকারের তীব্র সমালোচনা করেছেন গণফোরামের সভাপতি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক বিশিষ্ট আইনজীবী ড. কামাল হোসেন।

২০১৪ সালের নির্বাচনের উদাহরণ দিয়ে ড. কামাল বলেন, ‘নির্বাচন হয়েছিল। হাইকোর্ট আমাকে অ্যামিকাস কিউরি নিয়োগ দিয়েছিল। তারা নির্বাচন বিষয়ে আমার মতামত জানতে চেয়েছিল। আমি বলেছিলাম, বলতে গেলে দুই মিনিটেই বলা যায় কোনো নির্বাচনই হয়নি। সে সময় সরকার বলেছিল, দ্রুত তারা আরেকটি নির্বাচন দেবে?’

শনিবার সুপ্রিমকোর্ট চত্বরে ওই মহাসমাবেশে তিনি আরও বলেন, ‘আমি আন্দাজে বলছি না। রেকর্ড আছে। দ্রুত নির্বাচন মানে কি পাঁচ বছর? আমি এটা জানতে চাই।’

ড. কামাল বলেন, ‘সরকার ভাঁওতাবাজি করেছে। ভাঁওতাবাজির জন্য তাদের গোল্ড মেডেল দেয়া উচিত।’

সরকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘২০১৪ সালে কোর্টে দাঁড়িয়ে আপনারা কী বলেছিলেন, কথাগুলো কি মনে নাই? দ্রুত নির্বাচনের কথা বলে পাঁচ বছর চলে গেল।’

ড. কামাল বলেন, ‘পাঁচ বছরে আমরা কোনো গণতন্ত্র দেখতে পাইনি। জনগণের শাসন থেকে আমাদের বঞ্চিত করা হয়েছে, গণতন্ত্র থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে, সংসদীয় শাসন থেকে জনগণকে বঞ্চিত করা হয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা বাংলাদেশের মানুষ দেশকে পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে মুক্ত করেছিলাম। আমরা দেশকে আবার পরাধীন বানাতে দিতে পারি না।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের এ শীর্ষ নেতা বলেন, এই দেশের মালিক জনগণ। তারা ভোটের মাধ্যমে দেশের শাসনক্ষমতা নির্ধারণ করবে। কিন্তু দেশের মানুষকে এই অধিকার থেকে বঞ্চিত করে ২০১৪ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসে।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সিদ্ধান্তকে জনমত গঠনের কাজে সারাদেশে পৌঁছে দেয়ার তাগিদ দিয়ে তিনি বলেন, ‘সময় খুব কম, দেরি করা যাবে না।’

এ সময় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবি জানিয়ে ড. কামাল হেসেন বলেন, খালেদা জিয়ার মুক্তি ন্যায়সঙ্গত।

সংলাপে নেতাকর্মীদের গ্রেফতার বন্ধের প্রতিশ্রুতি দিলেও তা বন্ধ করা হয়নি বলেও অভিযোগ করেন সংবিধানের অন্যতম এ প্রণেতা।

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বয়কট প্রসঙ্গে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেন বলেন, সবাইকে হাতজোড় করে বলব বয়কট আমরা করব না। একবার করে আমাদের যে খেসারত দিতে হয়েছে। এটা যাতে আর না হয়।

তিনি বলেন, যত রকমের ১০ নম্বরি তারা করে, আমরা ভোট দেব। আপনারা তৈরি হন। আমরা হাজারে হাজারে মানুষ গিয়ে ভোট দেব।

সর্বশেষ খবর

আজকের পত্রিকা. কমের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ নিষেধ

Developed by