logo

বৃহস্পতিবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০১৮, ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৫, ২৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪০

অরিত্রী আত্মহত্যার ঘটনায় এক শিক্ষিকা গ্রেফতার
০৬ ডিসেম্বর, ২০১৮
আজকের পত্রিকা ডেস্ক
ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী অরিত্রী অধিকারীর আত্মহত্যার ঘটনায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার হলেন স্কুলটির সহকারী শিক্ষিকা হাসনা হেনা। ৫ ডিসেম্বর রাত ১১টায় রাজধানীর উত্তরা থেকে তাকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের(পূর্ব) একটি দল।পল্টন থানায় অরিত্রীর বাবার দেওয়া আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় তিন নম্বর আসামি ছিলেন এ শিক্ষিকা।

এর আগে গতকাল সচিবালয়ে সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ জানিয়েছিলেন, শিক্ষার্থী অরিত্রী আত্মহত্যার ঘটনায় ‘আত্মহত্যায় প্ররোচনা’ দেওয়ার বিষয়টি তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে। তদন্তে দোষী সাব্যস্ত স্কুলের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নাজনীন ফেরদৌস, প্রভাতী শাখার প্রধান জিনাত আক্তার ও শ্রেণি শিক্ষক হাসনা হেনাকে শিক্ষামন্ত্রী নির্দেশে তাৎক্ষণিক বরখাস্ত করা হয়। এছাড়া তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ারও নির্দেশ দেন মন্ত্রী।

অভিযুক্ত তিন শিক্ষিকাই অরিত্রীর বাবার করা সংশ্লিষ্ট মামলার আসামি। অরিত্রীর আন্দোলনরত সহপাঠীদের ছয়দফা দাবির অন্যতম একটি দাবী হলো অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা। দাবি আদায়ে গত তিনদিন যাবত তারা স্কুলটির সামনে পরীক্ষা বর্জন করে বিক্ষোভ করছে।

উল্লেখ্য, শিক্ষার্থী অরিত্রীকে মোবাইল ফোনে নকলের অভিযোগ আনেন ভিকারুননিসা নূন স্কুল কর্তৃপক্ষ, পরে তারা অরিত্রীর বাবা-মাকে স্কুলে ডেকে পাঠান। স্কুলের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ, প্রভাতী শাখার প্রধান এবং শ্রেণি শিক্ষকের কাছে এ ঘটনার জন্য অরিত্রী পায়ে ধরে এবং তার বাবা-মা করজোড়ে ক্ষমা চাইলেও তারা তাতে নরম না হয়ে বারবার টিসি দেওয়ার হুমকি দিতেই থাকেন।

বাসায় ফেরার পর অরিত্রী নিজের ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দেয়। অনেকক্ষণ তার সাড়াশব্দ না পেয়ে ঘরের ভেতরে ঢোকেন স্বজনরা। সেখানে তাকে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় দেখা যায়। উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা সেখানে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

সর্বশেষ খবর

আজকের পত্রিকা. কমের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ নিষেধ

Developed by