logo

বৃহস্পতিবার, ৭ জানুয়ারি ২০১৬ . ২৪ পৌষ ১৪২২ . ২৫ রবিউল আউয়াল ১৪৩৭

দিনাজপুরে শিশু মিমি হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবি
০৭ জানুয়ারি, ২০১৬

দিনাজপুর : শহরের ডায়াবেটিক হাসপাতাল সম্মুখ সড়কে ১ম শ্রেণীর ছাত্রী মাহফুজা আক্তার মিমির হত্যাকারীদের গ্রেফতার দাবিতে বুধবার মানববন্ধন করে এলাকাবাসী

দিনাজপুর প্রতিনিধি
দিনাজপুরে অপহৃত স্কুলছাত্রী শিশু মাহফুজা আক্তার মিমির হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে ফুঁসে উঠেছে উপশহরবাসী। হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন করেছে। বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে দিনাজপুর-ঢাকা মহাসড়কের দিনাজপুর ডায়াবেটিক মোড় এলাকায় এ মানববন্ধন করা হয়। এ সময় ওই সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। বিকল্প পথে যান চলাচল করে।

‘ফাঁসি চাই, ফাঁসি চাই মিমি হত্যার বিচার চাই, দ্রুত বিচার আইনে বিচার চাই’ এ শ্লোগানে মুখরিত করে তোলে মানববন্ধনকারীরা। এলাকার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী ছাড়াও স্থানীয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মানুষ এ হত্যার বিচারের দাবীতে শত শত মানুষ মানববন্ধনে অংশ নেয়। মানববন্ধনে নিহতের পিতা মাহবুব আলম জানান, আমার কন্যার হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করছি। এ হত্যা মামলাটি দ্রুত বিচারে করারও দাবী জানানো হয়। মানববন্ধনে বক্তারা আরো ২ জন আসামী মজিবর রহমান ও কমলাকে অবিলম্বের গ্রেফতারের দাবী জানাই। এ মামলায় তাদের কিছু হবে না এবং হুমকি দিচ্ছে বলে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়।

ফাঁসির দাবি জানিয়ে মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন ৯নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আবু তৈয়ব আলী দুলাল, মহিলা কাউন্সিলর শাহীনা সুলতানা বিউটি, মিমির পিতা মাহবুব আলম, মা কামরুন নাহার শিউলি, এলাকাবাসী শহিদুল ইসলাম, মমিনুল ইসলাম, ইমি আমিন, মো: হাবিব, শেখ আজবির, বুলবুল, এডভোকেট আহমেদ মন্ডল প্রমুখ। মৃত মিমি আক্তার শহরের ৭নং উপশহরের ব্যবসায়ী মো: মাহাবুব আলমের কন্যা এবং উপশহরের ডায়াবেটিক মোড়ের পিচ স্কুলের প্রথম শ্রেণির ছাত্রী।

উল্লেখ্য নিহত মিমির পিতা মাহবুব আলম গত ২৭ ডিসেম্বর রবিবার সকাল ১১টার দিকে বাড়ির সামনে খেলতে গিয়ে নিখোঁজ হয় মিমি আক্তার। ওইদিন সন্ধ্যায় ফোন আসে আপনার মেয়ে আমার কাছে আছে। মেয়েকে ফেরত পাইতে চাইলে ৭ লাখ টাকা নিয়ে পার্বতীপুর রেলস্টেশনে দেখা করবেন। পরে আমিসহ লোকজন নিয়ে পার্বতীপুর গেলে ওই মোবাইল ফোন বন্ধ থাকে। এরপরে ২৮ ডিসেম্বর আবার ফোন করে টাকা দাবি করে। কিন্তু এর পর ফোন বন্ধ থাকে।

শুক্রবার ১ জানুয়ারি সকালে বাড়ির পার্শ্ববর্তী এলাকার একটি শুকনো পুকুরের ধারে বস্তাবন্দি অবস্থায় শিশু মিমির মৃতদেহ দেখতে পেয়ে এলাকাবাসী পরিবারের লোকজনকে সংবাদ দেয়। পরে বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করা হয়। কোতয়ালি থানার ওসি একেএম মো. খালেকুজ্জামান পিপিএম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এ ব্যাপারে ৫ জনকে আটক করা হয়েছে।

সর্বশেষ খবর

সারাবাংলা এর আরো খবর

আজকের পত্রিকা. কমের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ নিষেধ

Developed by