logo

বৃহস্পতিবার, ৭ জানুয়ারি ২০১৬ . ২৪ পৌষ ১৪২২ . ২৫ রবিউল আউয়াল ১৪৩৭

স্যার আমাগো স্কুলডা কি ঠিক কইর‌্যা দেবেন?
০৭ জানুয়ারি, ২০১৬

পটুয়াখালী : বাউফল পূর্ব কর্পূরকাঠি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভাঙাচোরা শ্রেণি কক্ষে ক্লাস করছে শিক্ষার্থীরা - আজকের পত্রিকা

রহমান সিদ্দিক, বাউফল (পটুয়াখালী) সংবাদদাতা
পটুয়াখালীর বাউফলের পূর্ব কপুরকাঠি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এখানে শিক্ষক আছে, শিক্ষার্থীও আছে। কেবল নেই স্কুল ভবন। একটি  জরাজীর্ণ ঝুপড়ি ঘরের মধ্যে চলছে ক্লাস।

১৯৮৩ সালে স্থানীয় বিদ্যানুরাগী মো: আব্দুল মজিদ সিকদার এই স্কুলটি প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই একটি দোচালা টিনের ঝুপড়ি ঘরের মধ্যে চলছে ক্লাস। পাঠদানের জন্য পর্যাপ্ত বেঞ্চ না থাকায় একই বেঞ্চে চার-পাঁচজন শিক্ষার্থীদের ঠাসাঠাসি করে বসতে হয়। শিক্ষকদের বসার জন্য নেই কোন লাইব্রেরী রুম। শিক্ষার্থীদের মত তারাও বেঞ্চে বসে ক্লাস নেন। বর্তমানে স্কুলটিতে প্রায় দেড় শতাধিক শিক্ষার্থী এবং ৪ জন শিক্ষক রয়েছে। বরং বিভিন্ন সময় প্রাকৃতিক দুর্যোগে স্কুলটি ক্ষতিগ্রস্থ হলে স্থানীয়রা তাদের ছেলেদের শিক্ষাদানের স্বার্থে স্কুলটি নিজেদের উদ্যোগে মেরামত করতেন। ২০১৫ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারী স্কুলটি সরকারি গেজেটভুক্ত হলেও অবকাঠামোগত কোন উন্নতি হয়নি।

ওই স্কুলের শিক্ষক ইসরাত জাহান জানান, স্কুলের কাগজপত্র প্রধান শিক্ষক বাড়ি নিয়ে যান। আবার বাড়ি থেকে স্কুলে আসার সময় সাথে করে নিয়ে আসেন। সরেজমিনে গিয়ে স্কুলটির ছবি তোলার সময় ৪র্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী মাসুমা বেগম বলেন, ‘স্যার আমাগো স্কুলডা কি আপনেরা ঠিক কইর‌্যা দেবেন। টিন লাগাইয়া দেবেন। বৃষ্টি আইলে আমাগো বইখাতা ভিজ্জা যায়।’ এসময় অন্যান্য শিক্ষার্থীরা একই কথা বলেন। এখানে একটি পাকা স্কুল ভবন নির্মাণের জন্য অভিভাবকসহ স্থানীয়রা সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছেন।

এ ব্যাপারে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে আমরা অবগত আছি। যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আমরা স্কুলটির উন্নয়নের ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

সর্বশেষ খবর

সারাবাংলা এর আরো খবর

আজকের পত্রিকা. কমের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ নিষেধ

Developed by