logo

রোববার, ২৪ জানুয়ারি ২০১৬ . ১১ মাঘ ১৪২২ . ১৩ রবিউস সানি ১৪৩৭

কুড়িগ্রামে ঘন কুয়াশা ও ঠাণ্ডায় বিপর্যস্ত জনজীবন
২৪ জানুয়ারি, ২০১৬

কুড়িগ্রাম : ঘন কুয়াশা ও কনকনে ঠান্ডায় মানুষের পাশাপাশি দুর্ভোগে পড়েছে গবাদি পশুও - আজকের পত্রিকা

শফিউল আলম শফি, কুড়িগ্রাম
গত ৩-৪ দিনের প্রচণ্ড ঘন কুয়াশা ও কনকনে ঠাণ্ডায় কুড়িগ্রামের জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। জেলায় সর্বনিম্ম তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত শুক্রবার রাত থেকে ঘন কুয়াশা ও উত্তরীয় হিমেল হওয়ায় কুড়িগ্রামে ঠাণ্ডার প্রকোপ অনেকগুণ বাড়িয়ে গেছে। পথ-ঘাট কুয়াশার চাদরে ঢেকে থাকায় দিনের বেলায়ও  হেড লাইট জ্বালিয়ে চলছে যানবাহন।

উত্তরাঞ্চলের সীমান্ত ঘেঁষা জেলা কুড়িগ্রামে হঠাৎ করে শীত জেঁকে বসেছে। ঘন কুয়াশার সাথে যোগ দিয়েছে উত্তরীয় হিমেল হাওয়া। শনিবার সকাল থেকে সূর্যের দেখা না মেলায় কাজে যেতে পারছে না নি¤œ আয়ের শ্রমজীবী মানুষেরা। বিশেষ করে বিপাকে পড়েছে ব্রহ্মপুত্র, ধরলা ও তিস্তাসহ নদ-নদীর অববাহিকার চর ও দ্বীপচরের মানুষজন। এ অবস্থায় গরম কাপড়ের অভাবে বিপাকে পড়েছে শিশু ও বৃদ্ধরা। রেহাই পাচ্ছেনা গবাদিপশুও। বোরো মৌসুম শুরু হলেও কনকনে ঠাণ্ডায় মাঠে কাজ করতে পারছে না কৃষকরা।

কুড়িগ্রাম শহরের ভ্যানচালক আফজাল হোসেন জানান, ঠাণ্ডার মধ্যে গাড়ি নিয়ে বের হলেও এখন পর্যন্ত কোনো কাজ জোটেনি। এমন ঠাণ্ডায় হাত-পা পর্যন্ত বের করা যায় না। এ অবস্থা কতদিন চলবে কে জানে।

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার ধরলা ব্রিজ এলাকার কৃষি শ্রমিক শফিকুল জানান, জমিতে বোরো চারা লাগানোর কাজ করছি কিন্তু ঠাণ্ডায় থাকা যাচ্ছে না। এ অবস্থায় কাজ করা সম্ভব না।

কনকনে ঠাণ্ডায় ঘর থেকে বের হয়ে কাজে যেতে পারছে না মানুষজন। গরম কাপড়ের অভাবে অনেকে ছোট ছোট ছেলেমেয়ে ও বৃদ্ধদের নিয়ে পড়েছেন বিপাকে।

অনেক হতদরিদ্র মানুষ ঠাণ্ডা উপেক্ষা করে কাজের সন্ধানে বের হলেও কাজ জুটছে না তাদের।

কুড়িগ্রাম শহরের সওদাগর পাড়া এলাকার ফজিলা বেগম জানান, ছেলেমেয়ে নিয়ে ঘরে বসে আছি। বাইরে বের হলে হাত-পাতে ঠাণ্ডা লাগে।

কুড়িগ্রাম আবহাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষক নজরুল ইসলাম জানান, আজ এ জেলার সর্বনি¤œ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১ দশমিক শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ অবস্থা চলতে থাকলে তাপমাত্রা আরো কমতে পারে বলে জানান তিনি।

সর্বশেষ খবর

সারাবাংলা এর আরো খবর

আজকের পত্রিকা. কমের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ নিষেধ

Developed by