logo

রোববার, ৩১ জানুয়ারি ২০১৬ . ১৮ মাঘ ১৪২২ . ২০ রবিউস সানি ১৪৩৭

সহযোগিতা পেলে অগ্নিকাণ্ড ও নৌনিরাপত্তায় টেকসই প্রযুক্তির উদ্ভাবন সম্ভব
৩১ জানুয়ারি, ২০১৬

খুদে উদ্ভাবক মিন্টু -আজকের পত্রিকা

জাহাঙ্গীর হোসেন, পটুয়াখালী
গার্মেন্টস শিল্পসহ ঝুঁকিপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে অগ্নিকাণ্ড মোকাবেলা, দুর্যোগ পূর্ণ আবহাওয়ায় নিরাপদে নৌ-যান চলাচল, কোন ধরনের বিদেশি কেমিকেল ছাড়া দেশীয় কাঁচামালে ইঞ্জিন ওয়েল হিসেবে ব্যবহৃত মবিল তৈরিসহ আরো বেশ কয়েকটি নুতন নতুন প্রযুক্তি অবিষ্কার করেছেন পটুয়াখালীর অর্ধশিক্ষিত যুবক বেল্লাল হোসেন মিন্টু। তার আবিষ্কারের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে পোশাক শিল্পসহ সকল ইন্ডাস্ট্রিজ শিল্প প্রতিষ্ঠান বাঁচাতে ডেঞ্জার ফ্রি সেইভ ইন্ডাস্ট্রিজ প্রযুক্তি, নৌ-যানে হঠাৎ ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়ের কবল থেকে বাঁচাতে বিশেষ প্রযুক্তি আবিষ্কার, বহির্বিশ্বের কোনো কেমিক্যাল (কাঁচামাল) ছাড়া ইঞ্জিনচালিত অয়েল (মবিল) আবিষ্কার, হাই ক্যাপাসিটি এসি প্রযুক্তির আবিষ্কার ও হাই ক্যাপাসিটি আইস ক্যান (ফর্মা) প্রযুক্তি, হাই ভাইব্রেশন জেনারেটর কম্পন প্রতিরোধ ক্যাপাসিটি ও বয়লার বিস্ফোরন প্রতিরোধ হাই প্রেসার সেফটি কন্ট্রোল সিস্টেম আবিষ্কার।ক্ষুদে আবিষ্কারক যুবক বেল্লাল তার নিজ জ্ঞানে উদ্ভাবিত এসব প্রযুক্তির ব্যবহার প্রদর্শন করা হয়। উদ্ভাবিত এসব প্রযুক্তি পরীক্ষা নিরীক্ষা করে এর সম্ভাব্যতা যাছাই ও বাস্তবে ব্যবহারের জন্য কারিগরি শিক্ষা বান্ধব বর্তমান সরকারের কাছে সহযোগীতা কামনা করছেন মিন্টু।

বিশেষ উপায়ে হাইড্রলিক শক্তি ব্যবহার করে দূর্যোগ পূর্ন আবহাওয়ার মধ্যেই চলাচল করতে পারবে নৌ যান। আর নৌযান কোন ডুবো চরে আটকে গেলে তাঁর নিজ শক্তিতেই সেখান থেকে মুক্ত হয়ে আবারো সচল হয়ে তার গন্তব্য স্থানে পৌছতে পারবে। এছাড়া কোন কারণে এসব নৌযান দুর্ঘটনায় পড়লে পুরোপুরি নদীতে না ডুবে পানির উপরে নৌযানের অনেকটা অংশ ভেসে থাকবে। এর ফলে নৌ যাত্রীদের রক্ষাসহ নৌ যান চলাচলে এক নব দিগন্তের সূচনা হবে বলে মনে করেন বেল্লাল হোসেন মিন্টু। আর অনেক কম খরচেই উক্তসব প্রযুক্তি তৈরী করে ব্যবহার করা সম্ভব হবে বলেও জানান তিনি।

মিন্টু তার উদ্ভাবিত প্রযুক্তির মধ্যে অন্যতম আবিষ্কার হচ্ছে ইলেকট্রিক সর্ট সার্কিট থেকে গার্মেন্টস শিল্পসহ ঝুঁকিপূর্ণ শিল্প প্রতিষ্ঠানকে রক্ষা করা এবং ক্ষয় ক্ষতি মোকাবেলা করা। অনেক সময়েই ইলেকট্রিক সর্ট সার্কিট থেকে পোশাক শিল্প সহ বড়ো বড়ো প্রতিষ্ঠানে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। তবে মিন্টুর উদ্ভাবিত প্রযুক্তি ব্যবহার করলে কারখানায় কর্মরত সবাই হবেন অগ্নি নির্বাপক কর্মী। সবার হাতের কাছেই থাকবে বিশেষ একটি সুইচের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক বন্ধ হবে ইলেকট্রিক লাইন, চালু হবে পানি সরবরাহের অটো পাম্প। কমবে জীবন ও সম্পদ হানির পরিমাণ।

এ ছাড়া মিন্টু কোন ধরনের বিদেশি কেমিক্যাল ছাড়াই দেশীয় কাঁচামাল দিয়ে তৈরি করেছেন ইঞ্জিন অয়েল (মবিল)। ইতিমধ্যে তার এই ইঞ্জিন অয়েল (মবিল) দিয়ে তিনি যানবাহন চালিয়ে সফলতার মুখ দেখেছেন। তবে মিন্টুর এসব প্রযুক্তি ব্যবহারে ও বাস্তবে প্রয়োগ করতে প্রয়োজন সরকারি সাহায্য সহযোগিতা।

নতুন এ প্রযুক্তির উদ্ভাবক মিন্টু জানান, সরকারিভাবে সহযোগিতা পেলে তাঁর উদ্ভাবিত এসব প্রযুক্তির ব্যবহার করে বাস্তবে কাজে লাগালে দেশ ও দেশের মানুষের উপকার করা সম্ভব। আর এ জন্য তিনি সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগের কাছে সহযোগিতা কামনা করেন

সর্বশেষ খবর

সারাবাংলা এর আরো খবর

আজকের পত্রিকা. কমের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ নিষেধ

Developed by