logo

শুক্রবার, ৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ . ২৩ মাঘ ১৪২২ . ২৫ রবিউস সানি ১৪৩৭

বিপদে কুষ্টিয়ার কয়া ইউনিয়নের ৪ গ্রামের সহস্রাধিক মানুষ
০৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬

কুষ্টিয়া : পদ্মা নদীর ভয়াবহ ভাঙনের কবলে কুষ্টিয়ার কয়া ইউনিয়নের সুলতানপুর গ্রাম আজকের পত্রিকা

আরিফ মেহমুদ, কুষ্টিয়া
পদ্মার করালগ্রাসে ছোট হয়ে আসছে কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার কয়া ইউনিয়নের মানচিত্র। বর্ষার ভাঙনের পর শুষ্ক মৌসুমেও ভাঙন থামছে না। ফলে আবাদী জমি বসতভিটা হারিয়ে এলাকার হাজারও মানুষ এখন আশ্রয়হীন হয়ে পড়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড বলছে শিলাইদহ কুঠিবাড়ি রক্ষাবাঁধ নামে একটি প্রকল্প একনেকে পাস হয়েছে। দ্রুতই ভাঙন রোধে বাঁধ নির্মাণ করা হবে। নদীতীরবর্তী ইউনিয়ন কয়া, এই ইউনিয়নের সুলতানপুর, বাড়াদী, কালোয়া এবং বেড়কালোয়া গ্রাম পদ্মার তীরে। বর্ষা মৌসুম আসলেই এই ক’টি গ্রামের মানুষের দুশ্চিন্তার যেন শেষ থাকে না। বসতভিটা, আবাদীজমি, খেলার মাঠ, বৃক্ষরাজি উজাড় হয়ে যায় পদ্মার করাল গ্রাসে। বর্ষা শেষে শুষ্ক মৌসুমেও চলছে তা-ব। একে একে নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে অসংখ্য বসতভিটা আবাদী জমি। এতে ওই এলাকার মানুষের যেন দুশ্চিন্তার শেষ নেই।  ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাবাসী মোতালেব হোসেন জানান, বছরের পর বছর পদ্মার এমন শাসন হাজারো মানুষকে আশ্রয় ও সহায় সম্বলহীন করলেও এখন পর্যন্ত সরকারী কোন সহায়তা আসেনি।  স্থানীয় উজ্জল হোসেন জানান, ভাঙনরোধে চাঁদে চাঁদে পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে মাপযোক করা হলেও কার্যত কোন ফলাফল দেখতে পায় না ভুক্তভোগীরা। এদিকে এলাকাবাসী মনে করছে অচিরেই ভাঙন রোধে কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে এই শুস্ক মৌসুমেই হাজারো বসতভিটা বিলীন হবে পদ্মার করালগ্রাসে। কয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জিয়াউল ইসলাম স্বপন জানান ভাঙনরোধে সরকারের পদক্ষেপ লোক দেখানো। প্রকল্প কাগজে বাস্তবায়নে নেই। কবে নাগাদ কাজ শুরু হবে তা কেউ জানে না। কুষ্টিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ড’র নির্বাহী প্রকৌশলী নৈমূল হক জানান, শিলাইদহ কুঠিবাড়ি রক্ষাবাঁধ নামে ১৮৭ কোটি টাকার একটি প্রকল্পের কাজ চলতি অর্থবছরের শুরু হবে। এতে ভাঙনকবলিত এলাকার মানুষ রক্ষা পাবে। রক্ষা পাবে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতি বিজড়িত শিলাইদহের কঠিবাড়ি।  

সর্বশেষ খবর

সারাবাংলা এর আরো খবর

আজকের পত্রিকা. কমের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ নিষেধ

Developed by