ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেছেন, এ পর্যন্ত নির্মিত ৩৫০টি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের অধিকাংশ কাঙ্ক্ষিত মানোত্তীর্ণ। তবে কিছু মসজিদের বিষয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। মডেল মসজিদ নির্মাণে দুর্নীতি খতিয়ে দেখতে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি করা হবে।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলা মডেল মসজিদের নির্মাণকাজ পরিদর্শন শেষে স্থানীয় জনসাধারণের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন এসব কথা বলেন।
ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, মডেল মসজিদ নির্মাণে অনিয়ম-দুর্নীতির বিষয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে এবং এগুলো তদন্ত করা হবে। তদন্ত কমিটির কাছ থেকে প্রতিবেদন পাওয়ার পর দোষীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ড. খালিদ জানান, প্রায় তিন মাস আগে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের একজন অতিরিক্ত সচিবের নেতৃত্বে গঠিত কমিটি মডেল মসজিদের অনিয়ম-অব্যবস্থাপনা খতিয়ে দেখছে।
ধর্ম উপদেষ্টা জানান, ২০২৬ সালের মধ্যে এ প্রকল্পের বাকি ২১৪টি মসজিদ নির্মাণ করা হবে। এসব মসজিদের নির্মাণকাজ নিবিড়ভাবে তত্ত্বাবধান করা হবে।
উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে দেশের সব জেলা ও উপজেলায় সাড়ে ৯ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে মডেল মসজিদ নির্মাণের প্রকল্প নেওয়া হয়। সরকারি অর্থায়নে এ মসজিদ নির্মাণ করছে গণপূর্ত অধিদপ্তর এবং মনিটরিংয়ের দায়িত্বে রয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। এ মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে নারী-পুরুষের পৃথক অজু ও নামাজ আদায়ের সুবিধা, লাইব্রেরি, গবেষণা ও দ্বীনের দাওয়াত কার্যক্রম, হেফজ, শিশুশিক্ষা, অতিথিশালা, মরদেহ গোসলের ব্যবস্থা, হজযাত্রীদের নিবন্ধন ও প্রশিক্ষণ, ইমামদের প্রশিক্ষণ প্রভৃতির ব্যবস্থা রয়েছে।
সভায় উপদেষ্টার একান্ত সচিব ছাদেক আহমদসহ স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ছিলেন।