পার্বত্য খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা পৌরসভায় সায়মন ইসলাম (৮) নামের তৃতীয় শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে বেদম প্রহারের অভিযোগ উঠেছে। গতকাল রোববার দুপুরে পলাশপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত হলেন একই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রহিমা আক্তার।
জানা গেছে, আহত শিক্ষার্থীর বাবা আব্দুল রাব্বি পেশায় দিনমজুর এবং তাঁর মস্তিষ্ক বিকারগ্রস্ত। শিক্ষার্থীর চাচা জাকির হোসেন আজকের পত্রিকাকে জানান, ঘটনার দিন বিদ্যালয়ে পড়া সম্পন্ন করতে না পারায় তাঁর ভাতিজাকে বেদম প্রহার করেছেন সহকারী শিক্ষক রহিমা। সায়মনের পিঠে ও কোমরে বেত্রাঘাতের জখম রয়েছে।
জানতে চাইলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শামীমা আক্তার বলেন, রোববার দুপুরে স্কুল ছুটির আধা ঘণ্টা আগে সহকারী শিক্ষক রহিমা আক্তার তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী সায়মন ইসলামকে শ্রেণিকক্ষে বেদম প্রহার করে আহত করেন। এ ঘটনা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ও সহকারী শিক্ষা অফিসার স্কুলে এসে সরেজমিনে তদন্ত করে গেছেন। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর চিকিৎসা এবং অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে মাটিরাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসিবুদ্দিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘শিক্ষিকা কর্তৃক বেদম প্রহার করে আহত করার সত্যতা পেয়েছি। এ ঘটনায় মামলা করা হবে। মামলা করার জন্য ছাত্রের অভিভাবকদের খবর দেওয়া হয়েছে।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনজুরুল আলম বলেন, শিক্ষার্থী সায়মন ইসলামকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। কিছু পরীক্ষা দেওয়া হয়েছে। তবে শিক্ষকের শাস্তি নিশ্চিতে বিভাগীয় মামলাসহ সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।