কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে হত্যার চেষ্টা, চাঁদাবাজি ও লুটের অভিযোগে মামলা হয়েছে। এ মামলায় তাঁর আরও তিন ভাইসহ ১২ জনকে আসামি করা হয়েছে। উপজেলার সদর ইউনিয়নের বাইম্যাখালীগ্রামের আবুল কাশেম নামের এক ব্যক্তি বাদী হয়ে থানায় গতকাল সোমবার রাতে এ মামলা করেন। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন উপজেলা চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম।
পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফরহাদ আলী বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘গত ২৪ অক্টোবর পেকুয়া বাজারে জমি দখলের উদ্দেশ্যে হামলা চালিয়ে দোকান ভাঙচুর ও লুটপাট চালানোর অভিযোগে আবুল কাসেম এজাহার জমা দেন। এ ঘটনায় কয়েকজন আহতও হন। প্রাথমিকভাবে তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় গতকাল সোমবার রাতে মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়। এতে প্রধান আসামি করা হয়েছে পেকুয়া উপজেলা চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম, তাঁর ভাই মো. আজম, মো. কাইয়ুম, মো. ওসমান সরওয়ার বাপ্পীকে আসামি করা হয়েছে।’
এ নিয়ে জানতে চাইলে মামলার বাদী আবুল কাশেম জানান, ‘পেকুয়া বাজারে আমাদের নিজেদের জমিতে ১০টি দোকান রয়েছে। সম্প্রতি উপজেলা চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলমের নেতৃত্বে আমাদের কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। সেই চাঁদা না দেওয়ায় গত ২৪ অক্টোবর ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের সময় তাঁর নেতৃত্বেই হামলা চালানো হয়। এতে ১০টি দোকান ভাঙচুর করে অনন্ত ৫০ লাখ টাকার মালামাল লুট করা হয়। এতে আহত হন ৮ জন। এখন মামলা করায় উপজেলা চেয়ারম্যান আমাদের প্রাণ নাশের হুমকি দিচ্ছেন।’
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে চাঁদা দাবি ও দোকান লুটের অভিযোগ অস্বীকার করে পেকুয়া উপজেলা চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘জমির বিরোধকে কেন্দ্র করে আমার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ এ মামলা করিয়েছে। এ জমির আমরা ক্রয়সূত্রে মালিক। যাঁরা জমি দখলের অভিযোগ করছেন, তাঁরা জমিটি অন্যায়ভাবে দখলে রেখে উল্টো মিথ্যা মামলা দিয়েছেন।’