বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকা
চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলনে সকাল থেকে সড়ক অবরোধ করেছেন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এতে করে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অনেক যাত্রীই সময়মতো উপস্থিত হতে পারেননি। ফলে দেশের অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক রুটের বেশ কয়েকটি ফ্লাইট দেরিতে ছেড়ে গেছে।
হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক, গ্রুপ ক্যাপ্টেন মো. কামরুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে জানান, সকালে বেশ কয়েকটি সড়কে যানচলাচল বন্ধ ছিল। সেসব সড়কের বিদেশগামী যাত্রীদের বিমানবন্দরে আনতে এপিবিএন, ডিএমপির ট্রাফিক উত্তর বিভাগ, অ্যাভিয়েশন সিকিউরিটির (এভসেক) সহযোগিতা নেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে কাওলা সড়ক বর্তমানে খোলা রয়েছে। এই সড়ক দিয়ে বিমানবন্দরের যাত্রীরা আসা-যাওয়া করছেন।
বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকাল থেকে শিক্ষার্থীরা উত্তরা, কুড়িল বিশ্বরোড, নদ্দা, বাড্ডাসহ বেশ কয়েকটি সড়ক বন্ধ থাকায় সময়মতো বিমানবন্দরে যেতে পারেননি অনেক যাত্রী। যাত্রীদের কথা বিবেচনায় রেখে দুইটি ফ্লাইটের সময় পিছিয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। এ ছাড়াও ফ্লাইট মিস হওয়া যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছাতে বিশেষ ব্যবস্থা করেছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস ও এয়ার অ্যাস্ট্রা।
ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তাদের ফ্লাইট কিছুটা বিলম্বিত হচ্ছে। ১৫-২০ শতাংশ যাত্রী ফ্লাইট ধরতে পারেননি। ফ্লাইট বিলম্ব হলেও কোনো ফ্লাইট বাতিল হয়নি।
এয়ার অ্যাস্ট্রা জানিয়েছে, তাদের ১০-১৫ শতাংশ যাত্রী ফ্লাইটে আসতে পারেননি। সেসব যাত্রীদের জন্য কোনো চার্জ ছাড়াই অন্য ফ্লাইটের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) বোসরা ইসলাম জানান, সড়কের যানজটের কারণে অনেকেই বিমানবন্দরে পৌঁছাতে পারেননি। এ কারণে বিমানের ঢাকা-দাম্মাম রুটের ৩টার ফ্লাইট ৩০ মিনিট বিলম্বে ছেড়েছে। এ ছাড়াও দুপুর ২টা ৫ মিনিটের ঢাকা-জেদ্দা রুটের ফ্লাইটটি সর্বশেষ সাড়ে ৩টার দিকেও ছেড়ে যায়নি।