হোম > সারা দেশ > রাজবাড়ী

স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া অনুষ্ঠানে ‘জয় বাংলা’ গানের সঙ্গে নৃত্য, প্রধান শিক্ষককে শোকজ

রাজবাড়ী প্রতিনিধি

দেওয়ালী বথুনদিয়া পাঁচুরিয়া উচ্চবিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া অনুষ্ঠান। ছবি: আজকের পত্রিকা

রাজবাড়ীর কালুখালি উপজেলার মৃগী ইউনিয়নের দেওয়ালী বথুনদিয়া পাঁচুরিয়া উচ্চবিদ্যালয়ের ১ মিনিট ২৩ সেকেন্ডের একটি ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে।

ভিডিওতে দেখা যায়, বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার অনুষ্ঠানে বাজছে দে তালি, বাঙালি, আজ নতুন করে স্বপ্ন দেখার দিন। দে তালি, বাঙালি, আজ মুছে গেছে মর্ম ব্যথার ঋণ। আরে বাজারে ঢোল বাজা, বিজয় মিছিল সাজা। খুশিতে নাচে হৃদয়, হেই জয় বাংলা বাংলার জয়, জয় বাঙালির জয়। আর এর সঙ্গে নৃত্য করছে বিদ্যালয়ের এক ছাত্রী।

গত মঙ্গলবার বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে এই ঘটনা ঘটে। গতকাল বুধবার ভাইরালের পর বিষয়টি নিয়ে চলেছে ব্যাপক সমালোচনা।

ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুহাম্মদ রেজাউল ইসলাম বলেন, ‘নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী জয় বাংলা গানের সঙ্গে নিত্য করছিল। জয় বাংলা বলার সঙ্গে সঙ্গে আমরা গান বন্ধ করে দিই। যে ভিডিওটি ভাইরাল হয়েছে সেটা এডিট করা।’

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার কাজী এজাজ কায়সার বলেন, ‘বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গে আমরা প্রধান শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছি। আগামী তিন দিনের মধ্যে তার জবাব দিতে বলা হয়েছে। জবাব যথাযথ না হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মহুয়া আফরোজ বলেন, বিষয়টি জানার পর মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছিল। পরে তিনি ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছেন। নোটিশের জবাব পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

‘ওইহানের ইফতারির টাহায় আমাগো ঈদের বাজার হইব’

রাজধানীতে দুজনের মরদেহ উদ্ধার

গৃহকর্মী নির্যাতন: রিমান্ডে ‘স্বীকারোক্তি’ দিলেও আদালতে জবানবন্দি দিলেন না বিমানের সাবেক এমডি

রাজধানীর আজিমপুরে ট্রাকচাপায় অটোচালকের মৃত্যু

৬০ লাখ দোকান কর্মচারীর ঈদ বোনাস ও ওভারটাইম ভাতার দাবি

দাবি আদায়ের নামে বিশৃঙ্খলা বরদাশত করা হবে না: র‍্যাব ডিজি

একুশে ফেব্রুয়ারি ঘিরে নিরাপত্তার শঙ্কা নেই, তবু থাকবে ১৫ হাজার পুলিশ: ডিএমপি কমিশনার

টিসিবির ট্রাকসেল: লাইনে বিশৃঙ্খলা, দাঁড়িয়েও পণ্য পাচ্ছেন না অনেকে

বাহারি ইফতারির পসরা দাম নিয়ে অসন্তোষ

নতুন সরকারের কাছে বকেয়া টাকা চাইছে বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো