পরিবারের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে বাস, মাইক্রোবাস, প্রাইভেট কার, ট্রাক, মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহনে বাড়ি ফিরছে মানুষ। ফলে অন্যান্য সড়কের মতো উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার যমুনা সেতুর পশ্চিম সংযোগ মহাসড়কেও বেড়েছে যানবাহনের চাপ। ঘরমুখী মানুষের ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে নানা পদক্ষেপ। যমুনা সেতু পশ্চিম গোলচত্বর থেকে হাটিকুমরুল গোলচত্বর পর্যন্ত ২২ কিলোমিটার এই মহাসড়ক চার লেনে উন্নীত হওয়ায় স্বস্তি নিয়ে বাড়ি ফিরছেন যাত্রীরা। এখন পর্যন্ত কোথাও যানজটের খবর পাওয়া যায়নি।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকে যমুনা সেতু পশ্চিম সংযোগ মহাসড়কের যানবাহনের চাপ বেড়েছে। তবে যাত্রীবাহী বাসের চেয়ে ব্যক্তিগত গাড়ির চাপ বেশি বলে জানা গেছে। আজ অফিস আদালত ছুটি হলেই পুরোদমে শুরু হবে ঈদযাত্রা। এই মহাসড়ক দিয়ে সাধারণ দিনে ১৭-১৮ হাজার যানবাহন চলাচল করে। তবে গত ২৪ ঘণ্টায় (মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২টা থেকে বুধবার দিবাগত রাত ১২টা) এই মহাসড়ক দিয়ে ৩৩ হাজার ৭৬৬টি যানবাহন চলাচল করেছে।
যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী আহসানুল হক খান পাভেল বলেন, ঈদে ঘরমুখী মানুষ বাড়ি ফিরতে শুরু করেছে। এ কারণে সেতু দিয়ে যানবাহনের চাপ বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা সেতু দিয়ে ৩৩ হাজার ৭৬৬টি যান বাহন চলাচল করেছে। এর মধ্যে উত্তরাঞ্চলমুখী লেন দিয়ে ১৮ হাজার ২৩৯টি এবং ঢাকামুখী লেন দিয়ে ১৪ হাজার ৫১টি যান বাহন চলাচল করেছে। এতে ২ কোটি ৭৮ লাখ ৯৯ হাজার ৯০০ টাকা টোল আদায় হয়েছে।
হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রউফ বলেন, আজ সকাল থেকে মহাসড়কে কিছুটা যানবাহনের চাপ বাড়তে শুরু করেছে। তবে বাস-ট্রাকের চেয়ে প্রাইভেট কার ও মোটরসাইকেল চলাচল করছে বেশি। ঈদের সময় যত এগিয়ে আসবে মহাসড়কে যানবাহনের চাপও বাড়ছে।
ওসি বলেন, ‘এবারের ঈদযাত্রায় পুলিশ-আনসারের পাশাপাশি হাইওয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে সিরাজগঞ্জের মহাসড়কে ১৫০ জন পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। আশা করছি কোনো দুর্ভোগ ছাড়াই ঘরে ফিরবে মানুষ।’