হোম > বিশ্ব > আফ্রিকা

নাইজেরিয়ায় প্রাসাদে ঢুকে রাজাকে গুলি করে হত্যা, রানিকে অপহরণ

নাইজেরিয়ার ঐতিহ্যবাহী শাসক সেগুন আরেমুকে তার প্রাসাদে ঢুকে গুলি করে হত্যা করেছে বন্দুকধারীরা। এ সময় তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে আরেকজনকেও অপহরণ করে নিয়ে গেছে তাঁরা। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কোয়ারা রাজ্যে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, সেগুন আরেমু একজন অবসরপ্রাপ্ত জেনারেল ও রাজা। তাঁর আনুষ্ঠানিক উপাধি কোরোর ওলুকোরো। তাঁর ওপর হামলাকারী কারা বা তাঁরা কোনো মুক্তিপণ দাবি করছে কি না— তা স্পষ্ট নয়।

নাইজেরিয়ায় অপহরণের ঘটনা মোকাবিলায় জরুরি অবস্থা জারির দাবি ওঠার দিন কয়েকের মধ্যেই এই হত্যা ও অপহরণের ঘটনা ঘটল।

দেশটির সুশীল সমাজের ৫০টি সংগঠন প্রেসিডেন্ট বোলা টিনুবুর কাছে জরুরি অবস্থা জারির দাবি জানাচ্ছে। তাঁরা বলছে, গত বছর মে মাসে তিনি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে এক হাজার ৮০০’র বেশি মানুষ অপহৃত হয়েছে।

রাজা আরেমু হত্যাকাণ্ডকে বেপরোয়া, মর্মান্তিক ও জঘন্য আখ্যা দিয়েছেন গভর্নর আব্দুল রহমান আব্দুল রাজ্জাক। তিনি বলেছেন, এ ঘটনায় দায়ীদের আটক করবে কর্তৃপক্ষ।

তাদের ধরতে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এ সপ্তাহের শুরুর দিকে অপহরণকারীরা কাছের একিতি রাজ্যে পাঁচ স্কুলশিশু এবং চার শিক্ষককে জিম্মি করে তাদের মুক্তির জন্য বড় অঙ্কের মুক্তিপণ দাবি করেছে।

গত বুধবার রাতে রাজধানী আবুজার বোয়ারি শহরতলীতে অপহৃত হয়েছে এক ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা। এই এলাকার কাছেই আরেকটি বাড়ি থেকে গতমাসে ছয় বোনকে তাদের বাবাসহ অপহারণ করা হয়েছিল।

মুক্তিপণ দিতে দেরির কারণে ওই ছয় বোনের একজনকে মেরে ফেলা হয়।

নাইজেরিয়ায় ৪১টি মোটরসাইকেলে করে তিন গ্রামে হামলা, ৪৬ জন নিহত

সুদানের বিদ্রোহী বাহিনীকে গোপনে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে ইথিওপিয়া—খবর ফাঁস

হাতির হাত থেকে বাঁচতে চাওয়া জেলের প্রাণ কেড়ে নিল কুমির

নাইজেরিয়ায় প্রায় ২০০ জনকে হত্যা করল বন্দুকধারীরা

যেভাবে হত্যা করা হয় মুয়াম্মার গাদ্দাফির পুত্র সাইফকে

লিবিয়ায় ‘গুপ্তহত্যার’ শিকার মুয়াম্মার গাদ্দাফির পুত্র সাইফ

এপস্টেইন নথিতে লিবিয়ার সম্পদ হাতানোর ছক, যুক্তরাজ্য ও ইসরায়েলের যোগ

দক্ষিণ আফ্রিকায় ইসরায়েলি দূতকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা

কঙ্গোতে খনিতে ভূমিধস, দুই শতাধিক প্রাণহানি

ট্রাম্পের আদেশে বন্ধ ইউএসএআইডি: দারিদ্র্য–ক্ষুধায় মৃত্যুর প্রহর গুনছে ইথিওপিয়ার মানুষ