চীনের বিভিন্ন অংশ বেশ কিছুদিন ধরেই চলছে তীব্র দাবদাহ। গরমে বাইরে বের হওয়া দায়। তবে ঘরে বসে থাকলে তো চলবে না। তাই বাইরে বের হওয়ার সময় উত্তাপ থেকে বাঁচতে নানা কৌশল অবলম্বন করছেন চীনারা। কেউ সঙ্গে রাখছেন পোর্টেবল পাখা, কেউ গা ঢেকে চলাচল করছেন। কারও কারও টুপিতেও দেখা যাচ্ছে পাখা লাগানো। তবে এসবের মধ্যে অনেকটাই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে ফেসকিনি।
ফেসকিনি মূলত পুরো মুখ ঢাকা এক ধরনের মাস্ক, যাতে কেবল নাক ও চোখের কাছে ছিদ্র থাকে। গরম থেকে বাঁচার জন্য ফেসকিনির পাশাপাশি দুই হাত ঢাকার আলাদা হাতা, চওড়া টুপি ও অতিবেগুনি রশ্মি নিরোধক কাপড়ে তৈরি জ্যাকেটও জনপ্রিয়তা পেয়েছে চীনে।
একটি টুপির দোকানের বিক্রয়কর্মী ওয়াং জানান, মহামারির আগের দুই-তিন বছরের তুলনায় এ বছর বেচাকেনা অনেক ভালো। এ বছর বিক্রির পরিমাণ অনেক বেড়েছে।
পূর্ব এশিয়ার অনেক নারী ফরসা ত্বক পছন্দ করেন। ফলে এ অঞ্চলে রোদ থেকে সুরক্ষা দেওয়া পণ্যগুলোর বেশ চাহিদা রয়েছে।
বেইজিংয়ের একটি জনপ্রিয় পর্যটন এলাকায় বেড়াতে গিয়েছিলেন ১৭ বছর বয়সী শিক্ষার্থী লি জুয়ান ও তার মা। তাদের দুজনেরই মাস্ক পরা, যা তাদের মুখমণ্ডলের বেশির ভাগ অংশ ঢেকে রেখেছিল। লি বলেন, আমার দুশ্চিন্তা সম্ভাব্য চর্মরোগ বা সান স্পট তৈরি হওয়া নিয়ে।
গত বুধবার চীনের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সম্প্রচার করা এক ভিডিওতে দেখা যায়, পর্যটকেরা একটি ১২ মিটার লম্বা থার্মোমিটারের পাশে দাঁড়িয়ে সেলফি তুলছেন। থার্মোমিটারটিতে জিনজিয়াংয়ের ফ্লেমিং পর্বতমালার পৃষ্ঠ ভাগের রিয়েল-টাইম তাপমাত্রা ৮০ ডিগ্রি সেলসিয়াস দেখাচ্ছিল।