হোম > জীবনধারা > ভ্রমণ

খাবারের জন্য এ বছরের সেরা শহরগুলো

ফিচার ডেস্ক

ছবি: সংগৃহীত

ভ্রমণে নতুন জায়গা ঘুরে দেখার পাশাপাশি অনেকের নতুন সব খাবার চেখে দেখার প্রতি ভীষণ আকর্ষণ থাকে। বিশ্বের বিভিন্ন শহর তার বৈচিত্র্যময় খাবারের কারণে পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। সম্প্রতি টাইম আউট ১৮ হাজার ৫০০ জনের বেশি ভোক্তার মতামত নিয়ে বিশ্বের সেরা ২০ শহর নির্বাচন করেছে। এই শহরগুলো খাবারের বৈচিত্র্য, ইতিহাস এবং উদ্ভাবনী স্বাদের জন্য জনপ্রিয়।

নিউ অরলিন্স, যুক্তরাষ্ট্র

বৈচিত্র্যময় খাবারের জন্য বিশ্বব্যাপী খ্যাতি লাভ করেছে নিউ অরলিন্স। শহরটির খাবারে ফরাসি, স্প্যানিশ, আফ্রিকান ও ভিয়েতনামের প্রভাব রয়েছে। এখানকার খাবারের মধ্যে গাম্বো, জাম্বালায়া ও বেইগনেট খুব জনপ্রিয়।

ব্যাংকক, থাইল্যান্ড

ব্যাংককের আকর্ষণীয় দিক হলো স্ট্রিট ফুড। মাত্র ৩ ডলারে রাস্তার ধারে মজাদার থাই খাবার উপভোগ করা যায় এখানে। প্যাড থাই, তোম ইয়াম কিংবা মু থঙের মতো বৈচিত্র্যময় খাবারে ভরপুর এ শহর। এখানকার স্থানীয় রেসিপি মিষ্টি, মসলা ও ঝালের এক অসাধারণ সমন্বয়।

মেডেলিন, কলম্বিয়া

সস্তা ও সুস্বাদু খাবারের জন্য জনপ্রিয় কলম্বিয়ার মেডেলিন শহর। বিশেষ করে এখনকার কফি বেশ সুস্বাদু এই শহরে।

কেপটাউন, দক্ষিণ আফ্রিকা

দক্ষিণ আফ্রিকার এই সমুদ্রতীরবর্তী শহরটি সি ফুডের জন্য বিখ্যাত। টেম্বি স্যুপ, গ্রিলড স্কুইড এবং প্যাস্ট্রামি স্যান্ডউইচ বেশ জনপ্রিয় খাবার এখানে। এখানকার খাবারে আফ্রিকান, ফরাসি ও ইংলিশ প্রভাব রয়েছে। সামুদ্রিক খাবারের সঙ্গে আফ্রিকান গ্রিলড মাংস অত্যন্ত জনপ্রিয়।

মাদ্রিদ, স্পেন

বৈচিত্র্যময় রন্ধনশৈলীর জন্য স্পেনের মাদ্রিদ শহরের খাবার বেশ জনপ্রিয়। নতুন এসব রেস্তোরাঁর মেন্যুতে প্রায়ই আন্তর্জাতিক ফিউশন খাবারের পরীক্ষামূলক সংস্করণ পাওয়া যায়।

মেক্সিকো সিটি, মেক্সিকো

মেক্সিকো সিটি বিশ্বখ্যাত টাকোস, এনচিলাদা ও গুইয়াকামোলের জন্য। তবে মেক্সিকোর খাবারের বৈচিত্র্য এখানেই শেষ নয়। এ শহরের রেস্টুরেন্টগুলোতে ঐতিহ্যবাহী খাবারের সঙ্গে আধুনিক রন্ধনশৈলী মিশিয়ে নতুন খাবারের প্রচলন দেখা যায়।

ছবি: সংগৃহীত

লেগোস, নাইজেরিয়া

নাইজেরিয়ার লেগোস শহরের জোলফ রাইস, সুয়া, পামবৃত এবং প্লেন্টেইন খাবারগুলো স্থানীয়দের মধ্যে খুব জনপ্রিয়। তবে এই শহর মাংস এবং মাছের বিভিন্ন খাবারের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।

সাংহাই, চীন

ঐতিহ্যবাহী এবং আধুনিক খাবারের জনপ্রিয় সাংহাই শহর। এখানে ডামপ্লিং, শুমাই এবং স্মোকড প্যাট্রাসের পাশাপাশি মসলাদার ও ঝাল খাবারও প্রচলিত। সাংহাইয়ের খাবারে প্রাচীন রেসিপি এবং আধুনিক সংস্করণের একটি দারুণ সমন্বয় রয়েছে।

প্যারিস, ফ্রান্স

আন্তর্জাতিক পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণ ফ্রান্সের প্যারিস। এখানকার ক্রোক মঁসিউ, কুইচ লরেন, ফ্রেঞ্চ পেস্ট্রি এবং বিভিন্ন রকমের রেড ওয়াইন পর্যটকদের বেশ পছন্দের।

জাকার্তা, ইন্দোনেশিয়া

জাকার্তা শহরের জনপ্রিয় খাবারগুলোর মধ্যে রয়েছে রেনডাং, গোর্গনান স্যুপ, নাসি গোরেং

ও মি গোরেং। ইন্দোনেশিয়ার রান্নায় প্রাকৃতিক উপাদান; যেমন নারকেল, পেঁয়াজ ও তাজা মসলার ব্যবহার এখানে বিশেষ গুরুত্ব পায়।

সূত্র: সিএনএন

রমজান মাসে ভ্রমণের পরিকল্পনায় যা রাখতে হবে

সিঙ্গাপুরের চাঙ্গি বিমানবন্দর এখন ‘লাভ কানেকশন’

খেলার শহর হতে চলেছে কিদ্দিয়া সিটি

কম খরচে বিমান ভ্রমণের কৌশল

চন্দ্রমল্লিকার বাগান থেকে ভাইরাল সড়কে

৮২ বছর বয়সে বিশ্বভ্রমণে দু লং

ভ্রমণপ্রেমী সাত বন্ধুর সংগঠন বেটুস

জনপ্রিয় ৫ ট্রাভেল ফিল্ম

চীন ভ্রমণে তালিকায় রাখুন ১০ গন্তব্য

শাকিলের এভারেস্ট জয়ের ছবি জিতল ইউএনডিপির অ্যাওয়ার্ড