হোম > জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টা চীনে, সি চিনের সঙ্গে বৈঠক কাল

কূটনৈতিক প্রতিবেদক, ঢাকা  

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস চীনে পৌঁছালে তাঁকে স্বাগত জানান বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. নাজমুল ইসলাম এবং হাইনান প্রদেশের ভাইস গভর্নর। গতকাল চীনের হাইনানের কিউনহায় বাও আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে।ছবি: পিআইডি

চার দিনের সরকারি সফরে গতকাল বুধবার চীনে পৌঁছেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তাঁকে নিতে চীন সরকারের পাঠানো চায়না সাউদার্ন এয়ারলাইনসের একটি বিশেষ ফ্লাইট বাংলাদেশ সময় বিকেল সোয়া ৪টায় হাইনানের কিউনহায় বোয়াও আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

হাইনান প্রদেশের ভাইস গভর্নর লিউ দেং শেন এবং চীনে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. নাজমুল ইসলাম বিমানবন্দরে প্রধান উপদেষ্টাকে অভ্যর্থনা জানান। প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের প্রেস উইং তাঁর চীনে পৌঁছানোর বিষয়টি জানিয়েছেন। গত বছরের ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকারপ্রধানের দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি অধ্যাপক ইউনূসের প্রথম দ্বিপক্ষীয় সফর।

ড. ইউনূস আজ বৃহস্পতিবার হাইনানে বোয়াও ফোরাম ফর এশিয়ার সম্মেলনে ভাষণ দেবেন এবং বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। তিনি আগামীকাল শুক্রবার বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলসে চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন।

গত ১০ মাসে এটি হবে দুই দেশের শীর্ষ পর্যায়ের দ্বিতীয় বৈঠক। গত জুলাইয়ে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত) একই স্থানে চীনা নেতার সঙ্গে বৈঠক করেন। ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে ভারতে চলে যান। ৮ আগস্ট ড. ইউনূস অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব নেন।

বিশ্লেষকেরা বলছেন, বাংলাদেশে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে চীনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ইউনূসের বৈঠকের ওপর বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক ক্ষেত্রে দেশটির প্রতিদ্বন্দ্বী যুক্তরাষ্ট্র, ভারতসহ বিভিন্ন দেশের নজর থাকবে।

চীনে শীর্ষ পর্যায়ের এই বৈঠকের বিষয়ে পররাষ্ট্রসচিব মো. জসীম উদ্দিন গত মঙ্গলবার ঢাকায় এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেন, দুই পক্ষ থেকেই পানি ব্যবস্থাপনা বিষয়ে আলোচনায় আগ্রহ আছে। সেখানে তিস্তা নদীর পানি ব্যবস্থাপনা নিয়ে কথা বলারও সুযোগ আছে।

ভারতের সঙ্গে অভিন্ন নদী তিস্তার পানি ভাগাভাগির বিষয়টি অমীমাংসিত থাকার প্রেক্ষাপটে এ নদীর বাংলাদেশ অংশের পানি ব্যবস্থাপনায় চীনের যুক্ত হওয়ার আগ্রহের বিষয়েও প্রশ্ন আছে বিভিন্ন মহলে।

এর বাইরে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া মিয়ানমারের রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের প্রায় ১১ লাখ নাগরিককে রাখাইনে ফেরত পাঠানো, বাংলাদেশে চীনের বিশেষায়িত হাসপাতাল প্রতিষ্ঠাসহ স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়ানো, মানবসম্পদ উন্নয়ন, অর্থনৈতিক ও কারিগরি সহযোগিতা, সংস্কৃতি, ক্রীড়া ও গণমাধ্যমের ক্ষেত্রে সহায়তা দেওয়ার বিষয়ে দুই নেতার মধ্যে আলোচনা হবে।

পররাষ্ট্রসচিবের তথ্য অনুযায়ী, এসব বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে কয়েকটি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই হবে। বাংলাদেশকে ঋণ ও অনুদান সহায়তা, বিনিয়োগ চুক্তি নিয়ে আলোচনা শুরু করা, অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা ও স্বাস্থ্য খাতে সহায়তার বিষয়ে একাধিক বড় ঘোষণা আসতে পারে।

প্রধান উপদেষ্টার ২৯ মার্চ দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রাকে সুসংহত করতে বর্তমান সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী

এলডিসি থেকে উত্তরণ তিন বছর পেছানোর আবেদন করেছে সরকার

সমঝোতার চাঁদা: একই যুক্তি অন্য খাতেও প্রয়োগের আশঙ্কা টিআইবির

এই সরকারের ওপর বিগত আমলের বিশাল ঋণের বোঝা: অর্থমন্ত্রী

তারেক রহমানকে টেলিফোনে শুভেচ্ছা জানালেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী

একুশের প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাবেন প্রধানমন্ত্রী

রান্নায় গ্যাস সংকট: রমজানে ৬ ঘণ্টা বন্ধ থাকবে সিএনজি স্টেশন

দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন গড়ে তোলা সরকারের মূল লক্ষ্য: ভূমিমন্ত্রী

রমজানে নিত্যপণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখতে পর্যাপ্ত মজুত আছে: বাণিজ্যমন্ত্রী

বাংলাদেশের সঙ্গে ভিসা পরিষেবা স্বাভাবিক করার পথে ভারত