হোম > বিজ্ঞান

পৃথিবীতে আছড়ে পড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল নাসার স্পেস ক্যাপসুল

গত ১১ ডিসেম্বর নিরাপদে প্রশান্ত মহাসাগরে অবতরণ করে স্পেস ক্যাপসুল ওরিয়ন। মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার পরবর্তী প্রজন্মের এই ক্যাপসুলটি প্রায় ২৬ দিনের চন্দ্রাভিযান শেষে পৃথিবীতে অবতরণ করে। আর্টেমিস-১ এর এই অভিযান সফল বলে ঘোষণা করে নাসা। সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৪ সালের মধ্যেই এর মাধ্যমে মহাকাশচারীরা চাঁদকে প্রদক্ষিণ করে আসতে পারবে বলে প্রত্যাশাও রয়েছে। তবে এত দিন পর জানা গেল, এই মিশনে ওরিয়ন ক্যাপসুলটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

প্রযুক্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট ম্যাশেবলের প্রতিবেদন অনুযায়ী, নাসার প্রকৌশলীরা মহাকাশযান থেকে তথ্য উপাত্ত সংগ্রহের সময় কিছু যান্ত্রিক ত্রুটি লক্ষ্য করে। ফলে মানুষ নিয়ে উৎক্ষেপণের আগে আরও যাচাই-বাছাই করা হবে এই ক্যাপসুল। মূলত, মোবাইল লঞ্চার ও ওরিয়নের তাপ প্রতিরোধ ঢাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

নাসার এক্সপ্লোরেশন সিস্টেম ডেভেলপমেন্টের সহযোগী প্রশাসক জিম ফ্রি বলেন, ‘আমাদের নিশ্চিত করতে হবে যে আমরা যা কিছু করছি, যে ঝুঁকি গুলি নিচ্ছি তা আমরা বুঝতে পারছি কিনা। আমাদের এই ক্যাপসুলের পারফরমেন্স এখন পর্যন্ত বেশ ভালো।

‘আর্টেমিস-১’ প্রকল্পটি মানুষবিহীন মহাকাশযান নিয়ে চাঁদে পরীক্ষামূলক এক মিশন। ফ্লোরিডায় অবস্থিত নাসার মহাকাশযান উৎক্ষেপণ কেন্দ্র ‘কেনেডি স্পেস সেন্টার’ থেকে গত ১৬ নভেম্বর যাত্রা শুরু করে আর্টেমিস-১। এটি চাঁদের মার্কিন মহাকাশযানের চতুর্থ যাত্রা। ১৯৭২ সালের ডিসেম্বরে অ্যাপোলো ১৭ এর সফল চন্দ্রাভিযানের ৫০ বছর পর ফের কোনো চন্দ্রযান চাঁদের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৪ সালের মধ্যেই মহাকাশচারীরা চাঁদের মাটিতে দ্বিতীয়বারের মতো পা রাখবেন।

এপস্টেইনের নথিতে ‘বর্ণবাদী’ নোবেলজয়ী বিজ্ঞানী জেমস ওয়াটসন

বাংলাদেশে নিপাহর মতোই বাদুড়বাহিত আরেক প্রাণঘাতী ভাইরাসের সন্ধান

নিজের ডিএনএ দিয়ে ‘সুপার হিউম্যান’ বানাতে চেয়েছিলেন এপস্টেইন, বিজ্ঞানীদের সঙ্গে আলোচনাও করেছিলেন

১৪৬ আলোকবর্ষ দূরে বাসযোগ্য নতুন গ্রহের সন্ধান, পৃথিবীর চেয়ে শীত বেশি

প্রোটিন ভাঙনে যুগান্তকারী সাফল্য

ইন্দোনেশিয়ায় ৬৮ হাজার বছর আগের গুহাচিত্রের সন্ধান

উদ্ভিদের শ্বাস-প্রশ্বাস সরাসরি দেখা যাবে, নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন

ভুলে যাওয়া যে কারণে উপকারী, ব্যাখ্যা দিলেন স্নায়ুবিদেরা

ধানের ‘ক্লোনিং’ প্রযুক্তিতে অভূতপূর্ব সাফল্য, বীজ কোম্পানির একচেটিয়া আধিপত্যের দিন শেষ

এক ফোঁটা মদ না খেয়েও মাতাল, সেই রোগের কারণ খুঁজে পেলেন গবেষকেরা