যশোরের বেনাপোলে ‘প্রেস’ লেখা মোটরসাইকেল থেকে ১০০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ সময় একজনকে আটক করা হয়েছে। আজ শনিবার বেনাপোল পোর্ট থানার বুজতলা ব্রিজ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আটক শেখ মফিজুর রহমান মফিজ বেনাপোল পোর্ট থানার গাজীপুর গ্রামের মৃত শওকত আলীর ছেলে। তিনি বেনাপোল পৌর ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক।
জানা যায়, আটক শেখ মফিজুর রহমান সাংবাদিকতার সাইন বোর্ড ব্যবহার করে দীর্ঘ দিন ধরে মাদক কারবার চালিয়ে আসছিল। গোপন সংবাদের মাধ্যমে বেনাপোল সীমান্ত থেকে ৪৯ ব্যাটালিয়নের বিজিবি সদস্যরা তাকে আটক করে।
এ বিষয়ে আমড়াখালী বিজিবি চেকপোস্টের কোম্পানি কমান্ডার মনিরুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারি, বেনাপোল সীমান্তে এক মাদক কারবারি বিপুল পরিমাণ মাদক নিয়ে যশোরের পথে রওনা দিয়েছে। পরে অভিযান চালিয়ে তাকে একটি মোটরসাইকেলসহ ধরা হয়। এ সময় তার কাছে থাকা ব্যাগ থেকে ১০০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত ফেনসিডিল ও বাইকের আনুমানিক বাজার মূল্য দুই লাখ ১১ হাজার পাঁচ শ টাকা।’
তিনি আরও বলেন, ‘আটক মাদক বিক্রেতা ছাত্রলীগের বেনাপোল পৌর শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক পরিচয় দেন। তার কাছ থেকে দৈনিক নাগরিক ভাবনা ও এবং জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার শার্শা শাখার দপ্তর সম্পাদকের পরিচয়পত্র পাওয়া গেছে।’
যশোর ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের কমান্ডিং অফিসার লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল্লাহ সিদ্দিকী বলেন, ‘মাদক নির্মূলে সীমান্তে বিজিবির কঠোর নজরদারি রাখা হয়েছে। আটক আসামি সীমান্তবর্তী এলাকায় বসবাস হওয়ার সুযোগে অবৈধ পন্থায় স্বল্প মূল্যে ফেনসিডিল ক্রয় করে যশোরসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় অধিক দামে সরবরাহ করেন।’
তিনি বলেন, ‘ফেনসিডিলসহ আটক মফিজ একটি পত্রিকার কার্ড বহন করে তার ব্যবহৃত মোটরসাইকেলে প্রেস স্টিকার লাগিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে।’ আটক মফিজের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দিয়ে বেনাপোল পোর্ট থানায় সোপর্দ করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।