বাংলাদেশসহ বিশ্বের অনেক দেশে ডায়াবেটিস একটি বড় স্বাস্থ্য সমস্যা; বিশেষ করে, আমাদের দেশে খাদ্যাভ্যাস, শারীরিক পরিশ্রমের অভাব এবং জীবনযাত্রার অস্বাস্থ্যকর রীতির কারণে ডায়াবেটিস বাড়ছে। এমন অবস্থায় রোজার সঙ্গে সম্পর্কিত কিছু ভুল ধারণা সমাজে ছড়িয়ে পড়ছে। এগুলো ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য বিপজ্জনক হতে পারে। তাই ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য রমজানে নিরাপদভাবে রোজা রাখার জরুরি পরামর্শ জানা প্রয়োজন।
চিকিৎসকের পরামর্শ নিন
রোজা রাখতে পারবেন কি না অথবা কোনো বিকল্প ব্যবস্থা নিতে চাইলে সে বিষয়ে চিকিৎসকের মতামত নিন।
রক্তের শর্করা নিয়মিত পরীক্ষা: রোজার সময় রক্তে শর্করা পরীক্ষা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শর্করা খুব কম বা বেশি হয়ে গেলে তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নিতে হবে।
স্বাস্থ্যকর খাবার বাছাই: রোজা ভাঙার পর মিষ্টি এবং তৈলাক্ত খাবারের পরিবর্তে স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার চেষ্টা করতে হবে। বেশি চর্বি, চিনি এবং মসলাযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলা জরুরি।
পর্যাপ্ত পানি পান করুন: পরিমাণমতো পানি পান করতে হবে। পানির পরিমাণ বেশি আছে, তেমন ফলও খেতে পারেন ইফতারে। তবে মিষ্টি বা চিনিযুক্ত পানীয় থেকে বিরত থাকুন।
হালকা ব্যায়াম করুন: ইফতারের পর হালকা হাঁটাহাঁটি বা ব্যায়াম করতে পারেন। তবে ভারী শারীরিক পরিশ্রম এড়িয়ে চলুন। তাতে আপনার শর্করার পরিমাণ দ্রুত পরিবর্তিত হতে পারে।
সূত্র: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা