রোববার থেকে আবারও চালু হচ্ছে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার মৈত্রী ও বন্ধন এক্সপ্রেস। তাই আন্তর্জাতিক যাত্রীদের স্বাগত জানাতে নতুন করে সেজে উঠেছে চিতপুরের কলকাতা স্টেশন। দীর্ঘ দুই বছর বন্ধ থাকার পর আবারও প্রস্তুত হয়ে উঠেছে আন্তর্জাতিক যাত্রী পারাপারে।
যাত্রীদের সেবা দিতে স্টেশনেই রাখা হয়েছে বিমানবন্দরের মতো অত্যাধুনিক সুবিধা। ইমিগ্রেশনের ব্যবস্থাও থাকছে স্টেশনেই। যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে এরই মধ্যে গড়ে উঠেছে বিএসএফের ব্যারাক।
কলকাতা রেলস্টেশনে গড়ে তোলা হয়েছে বিমানবন্দরের সুবিধা সংবলিত অত্যাধুনিক যাত্রী লাউঞ্জ। রয়েছে তুলনামূলক কম খরচের বিলাসবহুল ওয়েটিং রুম। থাকছে খাবার ব্যবস্থাও। যাত্রীদের সমস্ত সুবিধা-অসুবিধার দিকে নজর রেখেই গড়ে তোলা হয়েছে এসব অবকাঠামো। রয়েছে ফ্রি ওয়াইফাই সংযোগ।
ভারতীয় রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের প্রধান জনসংযোগ কর্মকর্তা একলব্য চক্রবর্তী জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক মানের ওয়েটিংরুমের পাশাপাশি যাত্রীদের স্বাচ্ছন্দ্যের দিকটিতে নজর দেওয়া হচ্ছে।
শিয়ালদহ রেলওয়ে ডিভিশনের এসিএম সিপি গঙ্গোপাধ্যায় জানান, আন্তর্জাতিক যাত্রীদের কলকাতা স্টেশনে নামার পর দূরপাল্লার ট্রেন ধরতে যাতে অসুবিধা না হয় সেদিকেও লক্ষ্য রাখা হয়েছে। ইমিগ্রেশন, কাস্টমস চেকিং সবই স্টেশনের মধ্যে হবে। ভারতীয় সময় সকাল ৭টা ১০ মিনিটে ট্রেন ছাড়বে। তাই কেউ যদি আগের দিন রাতে কলকাতা স্টেশনে থাকতে চান তার বন্দোবস্তও রয়েছে।
উল্লেখ্য, আগামী রোববার সকাল ৭টা ১০ মিনিটে কলকাতা থেকে ছেড়ে বাংলাদেশ সময় বিকেল ৪টা ৪০ মিনিটে ১৭২ কিলোমিটার পথ পারি দিয়ে খুলনায় পৌঁছাবে বন্ধন এক্সপ্রেস। আর ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট থেকে রোববার সকালে রওনা দিয়ে ৩৯৩ কিলোমিটার পথ ৮ ঘণ্টা ৫৫ মিনিটে পারি দিয়ে কলকাতায় পৌঁছাবে মৈত্রী এক্সপ্রেস। আর ১ জুন থেকে চলবে নিউ জলপাইগুড়ি-ঢাকার মধ্যকার ট্রেন মিতালি এক্সপ্রেস।