ক্রীড়া ডেস্ক
পিতৃত্বকালীন ছুটি মঞ্জুর হওয়ায় ভারতের বিপক্ষে দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট এমনিতেই খেলার কথা ছিল না কুইন্টন ডি ককের। তবে সেঞ্চুরিয়নে প্রথম টেস্ট হারের পর আচমকা এই সংস্করণকে বিদায় বলে দেন দক্ষিণ আফ্রিকার তারকা উইকেটরক্ষক-ব্যাটার। অথচ মাত্র ২৯ বছর বয়সেই টেস্ট থেকে অবসর নেবেন—এমন কোনো আভাস ছিল না।
অবসরের কারণ জানাতে গিয়ে ডি কক পরিবারকে বেশি সময় দেওয়ার কথা বলেছেন। প্রোটিয়া ক্রিকেটারের এমন ব্যাখ্যা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সালমান বাট। পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক ডি ককের অবসরকে নাটক হিসেবে দেখছেন।
নিজের ইউটিউব চ্যানেলে বাট বলেছেন, ‘দেড় বছর ধরে লক্ষ্য করছি ডি কক অদ্ভুত ক্রিকেট খেলছে। সে পাকিস্তান সফরে অধিনায়ক হিসেবে এল। এরপরেই নেতৃত্ব ছেড়ে দিল। এবার (ভারতের বিপক্ষে) একটা টেস্ট খেলেই অবসর নিল। এতে দলের ভারসাম্য ও বাছাই নীতি নষ্ট হতে পারে। অধিনায়কের মানসিকতায় প্রভাব পড়তে পারে।’
সালমান আরও বলেছেন, ‘আচমকা অবসরকে খেলোয়াড়েরা নাটক বানিয়ে ফেলেছে। দুই মাসের জন্য অন্য দেশে টি-২০ লিগ খেলতে গেলে পরিবারের কথা মনে পড়ে না? শুধু মাত্র টেস্ট ক্রিকেটের সময়ই এমন হয় কেন? তুমি নিজ দেশ দক্ষিণ আফ্রিকায় খেলছ। তবু টেস্টের প্রতি এমন অনীহা বাইরের দেশে লিগ খেলার জন্যই।’
ডি কক টেস্ট ক্যারিয়ার থামিয়েছেন ৫৪ ম্যাচে। ৬ সেঞ্চুরি ও ৩৮.৮২ গড়ে করেছেন ৩৩০০ রান। উইকেটের পেছনে ডিসমিসাল ২৩২ টি।