ইতিহাস গড়ার হাতছানি ছিল বাংলাদেশি বক্সার সেলিম হোসেনের সামনে। হ্যাংঝু জিমনেসিয়ামে ৫৭ কেজি ওজন শ্রেণির বক্সিংয়ে হোসেনের প্রতিপক্ষ ছিলেন জাপানের শুদাই হারাদা। তবে শেষ পর্যন্ত হারাদাকে হারাতে পারেননি সেলিম।
১৯৮৬ সিউল আসরে বক্সিংয়ে ব্রোঞ্জ জিতে দেশকে এশিয়াড থেকে প্রথম পদক উপহার দিয়েছিলেন মোশাররফ হোসেন। সেলিমের সামনে সুযোগ ছিল ৩৭ বছর পর আবারও বক্সিংয়ে পদক জেতার। তবে কিংবদন্তি মোশাররফকে আর ছোঁয়া হয়নি। হারাদার সঙ্গে শেষ রাউন্ডে পেরে ওঠেননি সেলিম।
হারাদাকে হারাতে পারলেই হ্যাংঝু এশিয়ান গেমসের সেমিফাইনালে খেলতেন সেলিম। শেষ চারে উঠতে পারলেই পদকও পেতেন ৩১ বছর বয়সী বক্সার। দর্শকদের পুরো সমর্থনও ছিল তাঁর পক্ষে। কিন্তু তিন রাউন্ডের প্রতিটিতেই পাঁচ বিচারকের রায় গেছে জাপানি হারাদার পক্ষে। সেলিম হেরেছেন ৫-০ ব্যবধানে। হারলেও নিজের ফল নিয়ে সন্তুষ্ট বলেই জানালেন তিনি। বলেছেন, ‘অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন যদি বড় টুর্নামেন্টের আগে আমাদের দেশের বাইরে অনুশীলনের সুযোগ করে দেয় তাহলে শুধু আমি না, পরবর্তী প্রজন্মও পদক এনে দিতে পারবে। বক্সিং আমাদের ভালো কিছু করার সুযোগ আছে বলে আমি মনে করি। বক্সারদের যেন ভালো যত্ন নেওয়া হয়।’
বক্সিং ছাড়াও কাবাডিতে বাংলাদেশ পুরুষ দল বড় ব্যবধানে হেরেছে ভারতের কাছে। তুহিন তরফদাররা হেরেছেন ৫৫-১৮ পয়েন্টে। ভারতের কাছে হারলেও সেমিফাইনালে খেলার সুযোগ থাকছে বাংলাদেশের। তৃতীয় ম্যাচে আজ প্রতিপক্ষ চাইনিজ তাইপে। ভারোত্তোলনে ৭৩ কেজি ওজন শ্রেণিতে বি গ্রুপে তৃতীয় হয়েছেন শেখ নাইম হোসেন। মোট ২৫৫ কেজি ওজন তোলেন তিনি। কোনো ইতিবাচক ফল ছাড়াই এশিয়াড শেষ হয়েছে ভারোত্তোলন দলের।