ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম থেকেও এবার সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা উঠে যাচ্ছে। এর আগে ইলন মাস্ক টুইটার কেনার পর তাঁর বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়। তবে ট্রাম্প টুইটারে আর ফেরেননি।
বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান মেটা জানিয়েছে, ট্রাম্পকে ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া হবে কি না, তা ৭ জানুয়ারির মধ্যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে এ বিষয়ে চলতি মাসের শেষ দিকে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে। বিষয়টির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একজন ব্যক্তির বরাত দিয়ে বিবিসি এ তথ্য জানিয়েছে।
ট্রাম্পের ফেসবুক-ইনস্টাগ্রামে ফিরে আসার বিষয়টি পর্যালোচনার জন্য একটি আলাদা টিম তৈরি করেছে মেটা। টিমে পাবলিক পলিসি এবং কমিউনিকেশন টিমের পাশাপাশি কনটেন্ট পলিসি দলের কর্মীও রয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাপিটল হিলে দাঙ্গার সময় উসকানিমূলক পোস্ট দেওয়ার কারণে ২০২১ সালের জানুয়ারিতে ট্রাম্পকে অনির্দিষ্টকালের জন্য নিষিদ্ধ করে ফেসবুক। সংস্থাটির ওভারসাইট বোর্ড সেই নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখলেও ‘চিরতরে নিষিদ্ধের’ শাস্তির সমালোচনা করেছিল। তারা বলেছিল, ‘এমন শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে, যা সাধারণ জনগণের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হয়।’
যৌক্তিক শাস্তি নির্ধারণ করতে ফেসবুক কর্তৃপক্ষকে ছয় মাস সময় দিয়েছিল ওভারসাইট বোর্ড। তবে এক মাসের মধ্যেই ফেসবুক তাদের সিদ্ধান্ত জানায়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ট্রাম্পকে দুই বছরের জন্য ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম থেকে নিষিদ্ধ করা হয়, যা ওই বছরের ৭ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হয়। চলতি মাসের ৭ তারিখ নিষেধাজ্ঞার দুই বছর পূর্ণ হবে।
সম্প্রতি টুইটারে ট্রাম্পের স্থগিত অ্যাকাউন্ট আবার চালু করেন ইলন মাস্ক। তবে টুইটারে আর ফিরবেন না বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, ‘ইলন মাস্ক আমাকে টুইটারে ফেরাতে পোল (মতামত জরিপ) করেছে, এর জন্য আমি অভিভূত। তবে আমি টুইটারে ফিরছি না।’
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিষিদ্ধ হওয়ার পর ‘ট্রুথ সোশ্যাল’ নামে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম চালু করেছেন সাবেক এই মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি সেখানেই থাকবেন বলে জানিয়েছেন।