যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার বিরুদ্ধে পারমাণবিক হামলার প্রস্তুতি নিতে সামরিক বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছেন উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন। ওয়াশিংটন ও সিউলের ধারাবাহিক যৌথ সামরিক মহড়ার তীব্র নিন্দা জানান তিনি। সোমবার (২০ মার্চ) রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম কেসিএনএ এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
গত শনি ও রোববার ‘যুদ্ধ প্রতিরোধ এবং পারমাণবিক আক্রমণের সক্ষমতা’ জোরদারে সামরিক মহড়া চালায় উত্তর কোরিয়ার সশস্ত্র বাহিনী। এর এক দিন পরই কিম জং উনের পক্ষ থেকে এমন নির্দেশনা এল। এ ছাড়া দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্কবার্তা দিতে একের পর এক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়ে আসছে পিয়ংইয়ং।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, কৌশলগত পারমাণবিক মহড়ায় ৮০০ কিলোমিটার উচ্চতার লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম এমন ওয়ারহেড দিয়ে সজ্জিত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করা হয়। নিজে উপস্থিত থেকে মহড়া তদারকি করেন কিম জং উন। এ সময় সঙ্গে ছিল কিমের মেয়ে। কেসিএনএ’র প্রকাশিত ছবিতে দেখা গেছে, কিম তাঁর ছোট মেয়েকে নিয়ে ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার মহড়া দেখছেন। এর আগেও এমন দৃশ্য দেখা যায়।
উত্তর কোরিয়ার এ নেতা বলেন, এই মহড়া সামরিক বাহিনীর যুদ্ধের সক্ষমতা বাড়িয়ে তুলছে। যেকোনো সময় অপ্রতিরোধ্য পারমাণবিক হামলা প্রতিহত করতে পাল্টা আক্রমণের প্রস্তুতির নির্দেশ দেন তিনি।
কিম আরও বলেন, পারমাণবিক সক্ষমতা ও যুদ্ধের প্রস্তুতির মাধ্যমে শত্রুর বেপরোয়া পদক্ষেপ এবং উসকানিকে দৃঢ়ভাবে প্রতিরোধ করা হবে। এ ছাড়া যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতিতে তাৎক্ষণিক গুরুত্বপূর্ণ অভিযান পরিচালনা করবে সেনাবাহিনী।