সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনে (ইউজিসি) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষক প্রতিনিধি নিয়োগ না দেওয়ার প্রতিবাদে এবং রাষ্ট্রক্ষমতা বিকেন্দ্রীকরণের দাবিতে সরকারকে দুই দিনের সময় বেঁধে দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষার্থীরা। আজ বৃহস্পতিবার বেলা আড়াইটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন মার্কেটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই আলটিমেটাম দেন তাঁরা।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক মেহেদী হাসান সজিব। মেহেদী হাসান সজিব বলেন, ‘জুলাই-আগস্টের রক্তক্ষয়ী অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আমরা সম্মিলিত প্রচেষ্টায় স্বৈরাচারী হাসিনা সরকারকে উৎখাত করেছি। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, আপামর জনসাধারণের আকাঙ্ক্ষা এবং জুলাই বিপ্লবের পরিপ্রেক্ষিতে কাঙ্ক্ষিত বৈষম্যহীন রাষ্ট্রকাঠামো এখন পর্যন্ত বাস্তবায়িত হয়নি। জুলাই বিপ্লবের বিভিন্ন স্টেকহোল্ডার ও জনগণের সর্বস্তরে বিভাজন লক্ষণীয়।’
মেহেদী আরও বলেন, ‘অভ্যুত্থান-পরবর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ, বিভিন্ন সংস্কার কমিশন, পিএসসি-ইউজিসিতে নিয়োগ দেওয়া হলো, এসবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকাকেন্দ্রিক একচ্ছত্র আধিপত্য লক্ষ করা যাচ্ছে। আমরা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিপ্লব-পরবর্তী এমন অবিবেচনাপ্রসূত কার্যক্রম ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করছি।’
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মেহেদী সজিব বলেন, ‘বিগত শাসনামলে যেকোনো উপায়ে পিএসসি কিংবা ইউজিসিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সদস্য ছিল। কিন্তু বর্তমানে দেখা যাচ্ছে, তাঁরা ঢাকার বাইরে কোনো চিন্তা করতে পারছেন না। তাঁদের বোঝা উচিত, ঢাকার বাইরেও যোগ্য মানুষ আছে।’