উৎসব ও আয়োজনে হেঁশেলে নানান পদের খাবার ও পানীয় তৈরি হয়। তবে সুস্বাদু খাবার রান্না করাই এখন আর শেষ কথা নয়। সুদৃশ্য থালাবাটিতে সেসব খাবার পরিবেশন করাটাও এখন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এতে যেমন রুচি ও পছন্দের পরিচয় মেলে, তেমনি খাবারের সময় দারুণ এক মুগ্ধতা ছড়িয়ে খাবার হয়ে ওঠে আরও তৃপ্তিকর। কোন খাবারটি কোন পাত্রে পরিবেশন করতে হবে, সেটা আগে জানতে হবে।
পিতল ও কাঁসায়
বন্ধুবান্ধবে গমগম করছে বাড়ি। রাতের ভোজে রেখেছেন খিচুড়ি, মাংস, বেগুন ভাজা ও আচার। সঙ্গে ডিম ভুনা হলে আরও জমে যায় অবশ্য! পাটি বিছিয়ে বসার ঘরের মেঝেতেই হবে খাওয়াদাওয়া। সে ক্ষেত্রে বাটিতে বাটিতে খাবার পরিবেশন না করে কাঁসা বা পিতলের থালায় খিচুড়ির সঙ্গে অন্য খাবারগুলো বেড়ে নিন। খাওয়ার পর মিষ্টিমুখের পর্বে পায়েস তুলে দিতে পারেন কাঁসা ও পিতলের বাটিতে।
সিরামিকের ডিনার সেটেই সারা
বাড়িতে সব মিলে যদি ছয়জন অতিথি হয়, তবে একেবারেই না ভেবে ডিনার সেটেই সাজিয়ে ফেলুন খাবার। পুরো টেবিলে সাজানো একই নকশার পাত্রে শোভা পাক মুখরোচক সব খাবার। ডিনার সেট সাদা বা গাঢ় রঙের হওয়া ভালো।
চায়ের আড্ডায় বাঁশের ট্রে
শীতের মিষ্টি বিকেলে চা-পর্বটা ছাদে হলে মন্দ হয় না। ঘরে তৈরি সমুচা, পায়েস, কেক আর গরমাগরম চায়ের কাপ বাঁশের ট্রেতে তুলে ছাদে বসে বিকেলের নাশতা সেরে ফেলুন। বাঁশ ও বেতের ট্রে পরিবেশবান্ধব এবং দীর্ঘদিন ব্যবহার করা যায়। পাশাপাশি নান্দনিকও বটে!
স্বচ্ছ কাচের প্লেট
আকারে একটু বড় স্বচ্ছ কাচের প্লেটগুলো সালাদ, মাছ ও মুরগি ভাজা, মিষ্টি, সন্দেশ, জর্দা, ফল ইত্যাদি খাবার পরিবেশনের জন্য জুতসই। এতে খাবারের রং খুব ভালোভাবে বোঝা যায়। দেখতেও ভালো লাগে। খাবার টেবিলে অনেক অতিথি থাকলে এ ধরনের প্লেটে ভাজাভুজি পরিবেশন করলে ভালো হয়। এতে একবারেই অনেক খাবার পরিবেশন করা যায়।
ফালুদা, ফলের রস ও বিভিন্ন ধরনের শেক কাচের গ্লাস ও জারে পরিবেশন করতে পারেন। এতে খাবার ও পানীয়ের রং খুব ভালো দেখায়।বাড়ে খাবার টেবিলের সৌন্দর্যও।
সিরামিকের ওভালশেপ পাত্র
এ ধরনের পাত্রে পোলাও-বিরিয়ানি পরিবেশন করলে ভালো হয়। একসঙ্গে অনেকখানি খাবার পরিবেশন করা যায়। সিরামিকের রঙিন পাত্র এমনিতেই টেবিলের শোভা বাড়িয়ে তোলে।
খেয়াল রাখুন
খাবার পরিবেশনের সময় খাবারের আকার-আয়তন এবং থালাবাটির আকার-আয়তনের দিকে খেয়াল রাখুন। খাবারের উপকরণ যেন পরিবেশন পাত্রের বাইরে না যায়, সেভাবে বেছে নিন পরিবেশন পাত্র।