কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় খাবার হোটেল-রেস্তোরাঁমালিকদের ডাকা ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়েছে। গতকাল বুধবার বিকেল ৫টার দিকে জেলা প্রশাসকের সঙ্গে বৈঠক শেষে হোটেল মালিক সমিতির সভাপতি মো. সেলিম মুন্সী বিষয়টি জানান। এতে স্বস্তি ফিরেছে পর্যটকদের মাঝে।
এর আগে মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনায় ক্ষুব্ধ হয়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য হোটেল বন্ধের ঘোষণা দেয় কুয়াকাটা খাবার হোটেল মালিক সমিতি। এ ঘোষণায় বিপাকে পড়েন পর্যটকেরা।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. হুমায়ুন কবির, পটুয়াখালী জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক শীলা রানী দাস ও খাবার হোটেল মালিক সমিতির ১৫ সদস্যের একটি টিম।
খাবার হোটেল মালিক সমিতির সভাপতি সেলিম মুন্সী বলেন, ‘আমরা অনেকটা নিরুপায় হয়ে খাবার হোটেল বন্ধ রেখেছিলাম। এতে পর্যটকেরা সাময়িক সমস্যায় পড়েছেন। আমরাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। এ জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি। আর জেলা প্রশাসকের সঙ্গে আমাদের বৈঠক হয়েছে। বিভিন্ন সমস্যার কথা তার সামনে তুলে ধরেছি। তিনি সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন এবং আমাদের সেবার মান বাড়ানোর কথা জানিয়েছেন।’
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামাল হোসেন বলেন, ‘পর্যটকের সেবার মান বাড়ানোর জন্যই মূলত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।’
সকালে জান্নাতুল ফেরদৌস নামে এক পর্যটক বলেন, ‘পরিবারের সবাইকে নিয়ে কুয়াকাটা এসেছি। সকালে নাশতা খেতে গিয়ে দেখি, হোটেল বন্ধ।’
কুয়াকাটার হোটেল সি গার্ল-এর ব্যবস্থাপক মো. সেন্টু মিয়া বলেন, ‘লকডাউনের কারণে দুই বছর কর্মচারীদের বসিয়ে রেখে বেতন দিতে হয়েছে। গত মাসে হোটেলে সামান্য অজুহাতে তিনবার ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়েছে। এমনিতেই ব্যবসা ভালো যাচ্ছে না, তার ওপর বারবার হয়রানির শিকার হচ্ছি।’