করোনায় লকডাউনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ-বিক্ষোভে গুলি চালিয়েছে পুলিশ। গতকাল শুক্রবার রোটারডামের প্রধান শপিংয়ের রাস্তগুলোতে এই বিশৃঙ্খলার ঘটনা ঘটে। এতে পুলিশসহ সাতজন আহত হন। এ ঘটনায় প্রায় ১২ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
আজ শনিবার এজেন্সি ফ্রান্স প্রেসর বরাত দিয়ে এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, বিক্ষোভকারীরা পুলিশের ওপর পাথর নিক্ষেপ এবং একটি গাড়িতে আগুন দেয়। এরপর পুলিশ ফাঁকা গুলি ছোড়ে এবং এতে কয়েকজন আহত হন। কিছু জায়গায় টিকাবিহীন লোকদের প্রবেশাধীকার সীমাবদ্ধ করা এবং সরকারি বিধিনিষেধের বিরুদ্ধে পোর্ট সিটিতে বিক্ষোভের পরে এই বিশৃঙ্খলা শুরু হয়।
এর আগে গত শনিবার নেদারল্যান্ডস রেস্তোরাঁ, দোকান ও খেলাধুলায় কমপক্ষে তিন সপ্তাহের নিষেধাজ্ঞাসহ পশ্চিম ইউরোপ প্রথম আংশিক লকডাউনে ফিরে যায়।
রটারডামের মেয়র আহমেদ আবুতালেব দাঙ্গাকে ‘অনিয়ন্ত্রিত সহিংসতা’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, পুলিশ শেষ পর্যন্ত নিজেদের রক্ষা করতে হাতে অস্ত্র তুলে নিতে বাধ্য হয়েছিল।
এদিকে দাঙ্গার কথা স্বীকার করে পুলিশ এক বিবৃতিতে জানায়, বেশ কিছু জায়গায় আগুন দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় আতশবাজি নিক্ষেপ করা হয় এবং পুলিশ বেশ কয়েকটি ফাঁকা গুলি চালায়। এতে কয়েকজন আহত হন। কিন্তু কোনো সংখ্যার কথা উল্লেখ করেনি পুলিশ।
অন্যদিকে পাবলিক সম্প্রচারমাধ্যম এনওএস দুজন গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর জানায়।
ডাচ মিডিয়া বলেছে, কয়েক শ বিক্ষোভকারী ‘স্বাধীনতা’র স্লোগান দিয়ে পুলিশ ও দমকলকর্মীদের দিকে পাথর ছোড়ে এবং বেশ কয়েকটি বৈদ্যুতিক স্কুটারে আগুন দেয়।
রোটারডাম পুলিশের মুখপাত্র বলেন, বিক্ষোভকারীরা সহিংস হয়ে উঠেছিল। সাধারণ মানুষের প্রাণহানির শঙ্কা তৈরি হয়েছিল। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ গুলি চালিয়েছে।