সুস্থ তামিম ইকবাল হঠাৎ অসুস্থ অনুভব করায় ভর্তি করা হয় বিকেএসপির নিকটবর্তী কেপিজে হাসপাতালে। গতকাল থেকেই এই হাসপাতালে ভিড় লেগে আছে। বাংলাদেশের তারকা ক্রিকেটারকে দেখতে হাসপাতালে এসেছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) কর্মকর্তা থেকে শুরু করে মুশফিকুর রহিম-মাহমুদউল্লাহ রিয়াদরা।
দেশে না থাকায় তামিমের দীর্ঘদিনের সতীর্থ সাকিব আল হাসান যেতে পারেননি কেপিজে হাসপাতালে। সাকিব গতকাল নিজের ৩৮তম জন্মদিনের দিন তামিমের অসুস্থ হওয়ার খবর পেলে আবেগঘন এক পোস্ট দিয়েছেন। সাকিবের মা শিরীন আক্তার ও বাবা মাশরুর রেজা আজ দুপুরে কেপিজে হাসপাতালে দেখতে যান তামিমকে।
বিকেএসপির ৩ নম্বর মাঠে গতকাল শাইনপুকুর ক্রিকেট ক্লাবের অধিনায়ক রায়ান রাফসান রহমানের সঙ্গে টস করার সময়ও মোহামেডান অধিনায়ক তামিম ছিলেন সুস্থ। এরপর ফিল্ডিংয়ে এতটাই অসুস্থ হয়ে পড়েন যে হেলিকপ্টারে ওঠার মতো অবস্থায় ছিলেন না। বিকেএসপির নিকটবর্তী কেপিজে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া তামিম মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছিলেন। তাঁকে (তামিম) গতকাল নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখেছিলেন কেপিজে হাসপাতালের চিকিৎসকেরা। কয়েক ঘণ্টা পর বিসিবির প্রধান চিকিৎসক দেবাশীষ চৌধুরী জানিয়েছিলেন, তিনি (তামিম) কথা বলতে পারছেন। বিকেলে মোহামেডান সতীর্থ মুশফিকুর রহিম-মাহমুদউল্লাহ রিয়াদদের সঙ্গে কথা বলেছেন তামিম।
তামিমকে আজ সকালে কেপিজে হাসপাতালের সিসিউ থেকে কেবিনে নেওয়া হয়েছে। হাসপাতালের কনফারেন্স রুমে তামিমের অবস্থা নিয়ে আজ দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ব্রিফ করেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. মোহাম্মদ আবু জাফর বলেন, ‘তাঁর স্বাভাবিক কাজে ফিরতে তিন মাস সময় দিতে হবে। মানে খেলাধুলায়। এছাড়া তিনি বাসায় স্বাভাবিক কাজকর্ম করবেন সপ্তাহখানেক এবং বিশ্রামেই থাকতে হবে। তিন মাস পর্যবেক্ষণে রাখা হবে। তাঁর শারীরিক অবস্থা কী, উন্নতি হচ্ছে নাকি অবনতি হচ্ছে, এগুলো দেখে নিশ্চয়ই মেডিকেল বোর্ড অনুমতি দেবে তামিমকে মাঠে খেলার।’ তামিমের অবস্থা আগের চেয়ে সন্তোষজনক হলেও আবু জাফরের মতে বাংলাদেশের বাঁহাতি ব্যাটারের যেকোনো সময় যেকোনো কিছু ঘটে যেতে পারে।