জেনিফার হারমোসোকে লুইস রুবিয়ালেসের চুমুকাণ্ড নিয়ে আলোচনা যেন শেষই হচ্ছে না। স্পেনের ফুটবল ফেডারেশনের সাবেক সভাপতি রুবিয়ালেসকে নিয়ে বেরিয়ে আসছে একের পর এক ঘটনা। এবার তাঁর সঙ্গে ফেঁসে যাচ্ছেন আরও তিনজন।
বিবিসি, দ্য গার্ডিয়ানসহ ইউরোপের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে জানা গেছে, শুনানি শেষে গতকাল মাদ্রিদের অদেনসিয়া নেসিওনাল আদালত এক রায় দিয়েছেন। রুবিয়ালেসের দেওয়া চুমুতে হারমোসোর সম্মতি ছিল না বলে জানিয়েছেন আদালত। শুধু তাই নয়, রুবিয়ালেসের পাশাপাশি স্পেন নারী ফুটবল দলের কোচ হোর্হে ভিলদা, রুবেন রিভেরা, আলবার্ট লুকু—তারাও বিচারের আওতাধীন। চুমুটা জোর করে নয়, পারস্পরিক সম্মতিতে দেওয়া হয়েছে—সবার সামনে এমনটা বলতে হারমোসোর ওপর চাপ প্রয়োগ করা হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। বিচারক ফ্রান্সিসকো দি হোর্হে বলেছেন, ‘বিচার শুরু করতে যথেষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেছে। কোচ ভিলদাসহ অন্য তিনজনকে বিচারের আওতায় আনতে হবে। তাঁরা হারমোসোকে জোর করে সবার সামনে বলতে বাধ্য করেছিলেন যে চুমু সম্মতিতেই দেওয়া হয়েছিল।’ এমন চুমুর ঘটনায় জরিমানাসহ চার বছরের কারাদণ্ড পর্যন্ত হতে পারে।
গত বছরের ২০ আগস্ট সিডনির অলিম্পিক স্টেডিয়ামে নারী বিশ্বকাপের ফাইনালে মুখোমুখি হয় স্পেন ও ইংল্যান্ড। ইংল্যান্ডকে ১-০ গোলে হারিয়ে প্রথমবার নারী বিশ্বকাপের শিরোপা জেতে স্পেন। ম্যাচ শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের মঞ্চে স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড হারমোসোকে জড়িয়ে ধরে ঠোঁটে চুমু খান রুবিয়ালেস। মুহূর্তে এই দৃশ্য নেট দুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়লে সমালোচনার মুখে পড়েন ৪৬ বছর বয়সী সভাপতি। এরপর সেপ্টেম্বরে হারমোসো মামলা করেন রুবিয়ালেসের বিপক্ষে। সম্মতি ছাড়াই রুবিয়ালেস এমনটা (চুমু) করেছিলেন বলে তখন অভিযোগ করেন হারমোসো। তবে রুবিয়ালেস তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছিলেন। রুবিয়ালেসকে সাময়িকভাবে নিষেধাজ্ঞাও দেওয়া হয়েছিল বিশ্ব ফুটবলের গভর্নিং বডি ফিফার পক্ষ থেকে।