পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার বেতাগী সানকিপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান, প্রশাসনিক কর্মকর্তা এবং ১২ সদস্যকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়া হয়েছে। কর্মস্থলে অনুপস্থিত ও কর্তব্যে অবহেলার কারণে জেলা প্রশাসকের স্বাক্ষরিত ওই নোটিশ পাঠানো হয়। আজ বুধবার সকালে এই নোটিশ এসে পৌঁছেছে। ১০ কার্যদিবসের মধ্যে নোটিশের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
ইউপি সূত্রে জানা যায়, পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক গত সোমবার বেলা ১১টায় দশমিনা উপজেলার বেতাগী সানকিপুর ইউনিয়ন পরিষদ পরিদর্শন করেন। তিনি গিয়ে চেয়ারম্যান মশিউর রহমান ঝন্টু, প্রশাসনিক কর্মকর্তা জাকির হোসেন এবং ১২ ইউপি সদস্যকে পাননি। এ কারণে জেলা প্রশাসক আবু হাসনাত মোহাম্মদ আারেফিন স্বাক্ষরিত কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানো হয়। নোটিশটি আজ সকালে বেতাগী সানকিপুর ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে পৌঁছানো হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইউপি চেয়ারম্যান মশিউর রহমান ঝন্টু আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘জেলা প্রশাসক মহোদয়ের পরিদর্শনের সময় আমি পরিষদে উপস্থিত ছিলাম এবং ইউপি সদস্যরাও ছিল; কিন্তু তাঁর সামনে আসেনি। আমাকে কারণ দর্শানোর যে নোটিশ দিয়েছে, তার জবাব দিব; কারণ, আমি উপস্থিত ছিলাম।’
ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা জাকির হোসেনের ব্যক্তিগত মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।
পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক আবু হাসনাত মোহাম্মদ আরেফিন বলেন, ‘বেতাগী সানকিপুর ইউনিয়ন পরিষদে এলাকার আইনশৃঙ্খলা, বিভিন্ন সেবা ও বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে গিয়েছিলাম। সেখানে সংশ্লিষ্ট চেয়ারম্যান, প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও ইউপি সদস্যদের পাওয়া যায়নি। কর্তব্যে অবহেলা ও কর্মস্থলে সঠিক সময় উপস্থিত না থাকায় প্রতীয়মান হয়, এলাকার সাধারণ জনগণ ইউনিয়ন পরিষদের সব সেবা থেকে বঞ্চিত এবং সঠিকভাবে সেবাদানে জনপ্রতিনিধিরা অবহেলা করছেন।’